বাংলাদেশে প্রথম শেয়ার মার্কেটের প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণকারী কোম্পানি "স্টক বাংলাদেশ লিমিটেড" এর 'Basic Technical Analysis (2-Days Long Executive)' কোর্সটির ৭১তম ব্যাচ শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ২৩ নভেম্বর, ২০১৮ ইং। ২দিনের এই কোর্সটি চলবে শুক্রবার থেকে শনিবার সকাল ০৯:৩০ ঘটিকা থেকে সন্ধ্যা ০৭:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত। কোর্স ফি- ৮,০০০ টাকা। কোর্স শেষে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। পরিবর্তনশীল শেয়ার বাজার সম্পর্কে জানতে আপনাকেও আপডেটেড হওয়াটা জরুরী। মার্কেট সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে জেনে-বুঝে বিনিয়োগ করুন, কাঙ্খিত মুনাফা অর্জন করুন। রেজিষ্ট্রেশন করতে কল করুন- ০১৯২৯ ৯১ ২৮ ৭৮, অথবা বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
STOCK BANGLADESH NEWS gfhgf

‘কৃষি যন্ত্রের ব্যবহার বাড়াতে ঋণপ্রাপ্তি আরো সহজ করতে হবে’

স্বাধীনতা-পরবর্তী ১৯৭২ সালের তুলনায় বর্তমানে খাদ্যশস্যের উৎপাদন প্রায় চার গুণ বেড়েছে। প্রতিবছর উৎপাদিত হচ্ছে তিন কোটি ৮০ লাখ টনেরও বেশি খাদ্যশস্য। গবেষণায় দেখা গেছে, কৃষি খাতে বার্ষিক ৪ থেকে ৪.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলে এ খাত থেকে কিছু রপ্তানি আয়ও আসতে পারে। এ ছাড়া কৃষি খাতে কর্মীপ্রতি জিডিপি ১ শতাংশ বাড়ানো গেলে দারিদ্র্য কমবে শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ। গতকাল শনিবার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে মেটাল গ্রুপ আয়োজিত ‘বাংলাদেশে কৃষির যান্ত্রিকীকরণ : বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ও আর্থিক সেবা খাতের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এ সময় তিনি দেশের কৃষি খাতের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে কৃষিকাজে আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ানোর জন্য কৃষকদের ঋণপ্রাপ্তির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারে ড. আতিউর রহমান বলেন, সরকার কৃষির যান্ত্রিকীকরণের লক্ষ্যে প্রান্তিক ও গরিব কৃষকদের যন্ত্র কেনায় ভর্তুকি দিচ্ছে। বেসরকারি খাতকে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে ভূমিকা রাখার ব্যাপারে উৎসাহ দেওয়ার জন্য কৃষি যন্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে রয়েছে বিশেষ শুল্ক সুবিধা। আতিউর রহমান আরো বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচিতে কৃষি যন্ত্রপাতি খাতে ঋণ প্রদানকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে। কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার জন্য কৃষকদের বিশেষ ঋণ সুবিধা দেওয়ার ব্যাপারে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এই গভর্নর। এমনটি করা সম্ভব হলে সেটি ‘পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ’-এর একটি আদর্শ দৃষ্টান্ত হবে বলে মনে করেন তিনি।

ভবিষ্যতে কৃষির যান্ত্রিকীকরণে ব্যাংক খাতের ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রসঙ্গে ড. আতিউর রহমান তিনটি প্রস্তাব রাখেন। তিনি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করতে ব্যাংক রেট ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচিতে মোট সরবরাহকৃত ঋণের অন্তত ১০ শতাংশ মৎস চাষে দেওয়ার প্রস্তাব করেন এবং কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ক্ষেত্রেও ১০ শতাংশ ঋণের প্রস্তাব করেন। তা ছাড়া মসলা চাষি ও গাভি খামারিদের জন্য যেমন স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়া হয়েছিল, তেমনটি কৃষির যান্ত্রিকীকরণেও করার প্রস্তাব দেন তিনি। সেমিনারে মেটাল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সাদিদ জামিল বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানও যদি কৃষকদের ঋণ সুবিধা প্রদানে এগিয়ে আসে তাহলে দেশে দ্রুত কৃষির আধুনিকায়ন হবে। এর ফলে দেশের দারিদ্র্য কমে আসবে এবং খাদ্যশস্য উৎপাদনও বাড়বে।’

source : kalar kontho