×
News Details
ব্যাংকের কার্যক্রমে অবিশ্বাস দেখা দিয়েছে: গভর্নর

সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকের কার্যক্রমে মানুষের মধ্যে কিছুটা সন্দেহ ও অবিশ্বাস দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। তিনি বলেন, যা ব্যাংকগুলো জন্য অশনিসংকেত। এসব সমস্যা কাটাতে ব্যাংকগুলোকে পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের জন্য ‘অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ’ বিষয়ক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) আজ শনিবার এ সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলন উপলক্ষে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিএফআইইউয়ের প্রধান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান বলেন, ছোট কোন দুর্বলতা ব্যাংক খাতকে বড় ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এ জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বিএফআইইউয়ের উপদেষ্টা দেবপ্রসাদ দেবনাথ বলেন, বর্তমান সময়ে ব্যাংক খাত অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্য পড়েছে। প্রধান প্রধান ঝুঁকিগুলো নিয়ে বিশেষ ভাবনার প্রয়োজন আছে। ব্যাংকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবাইকে যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানান ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বিএফআইইউয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক এ বি এম জহুরুল হুদা।

source : prothom-alo

জাহাজ থেকে পণ্য সরাসরি গুদামে

আমদানি করা পণ্য আর বন্দরে পড়ে থাকবে না। জাহাজ থেকে খালাস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পণ্য সরাসরি আমদানিকারকের নিজস্ব গুদামে চলে যাবে। শুল্ক কর্মকর্তারা সেখানেই পণ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। আমদানিকারককে পণ্য খালাস করতে কাগজপত্র নিয়ে শুল্ক দপ্তরের টেবিলে টেবিলে দৌড়াতে হবে না। দুই পক্ষের সব যোগাযোগ হবে ই-মেইলে। স্বল্পতম সময়ে পণ্য খালাস করা হবে। নতুন ধরনের এই ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এটির নাম অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটর (এইও) ব্যবস্থা। এ ব্যাপারে সম্প্রতি একটি বিধিমালাও জারি করা হয়েছে। অতীতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বচ্ছতার সঙ্গে করেছে, এমন প্রতিষ্ঠানকেই এইও সনদ দেবে এনবিআর। শিগগিরই এইও সনদের বিষয়ে আবেদন আহ্বান করা হবে। ডিসেম্বরে ব্যবস্থাটি চালু করতে চায় এনবিআর। শুধু চট্টগ্রাম কিংবা মোংলা সমুদ্রবন্দর নয়; সব বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরেও একই সুবিধা দেওয়া হবে। আবার এইও সনদধারীরা বিদেশেও একই সুবিধা পাবেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সমঝোতা হতে হবে।

২০১২ সালে এনবিআর এইও ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেয়। এরপর বিধিমালা হতেই ছয় বছর লাগল। ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের (ডব্লিওসিও) শর্ত হিসেবে এই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এনবিআরের সাবেক প্রথম সচিব (আন্তর্জাতিক চুক্তি) এহতেশামুল হক বর্তমানে ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের অ্যাক্রেডিটেড টেকনিক্যাল ও অপারেশনাল অ্যাডভাইজার হিসেবে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে কাজ করছেন। গত বুধবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ছয় বছর পরে হলেও এই বিধিমালা হয়েছে। এটি ভালো খবর। এহতেশামুল হক আরও বলেন, বিধিমালায় ভুলত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে আগামী ১-২ বছরের মধ্যে একটি কার্যকর এইও ব্যবস্থা করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। এইও সনদধারীরা দশ ধরনের সুবিধা পাবেন। যেমন, শুল্ক স্টেশনের পরিবর্তে তারা নিজস্ব আঙিনায় পণ্যের চালানের কায়িক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ পাবে। জাহাজ বা উড়োজাহাজ থেকে কিংবা সীমান্তের অন্য প্রান্তে পণ্য খালাস হয়ে সরাসরি যাবে আমদানিকারকের গুদামে। এইও ব্যবস্থা তদারকিতে শুল্ক বিভাগের বিশেষ দল কাজ করবে।

বন্দরে পণ্য আসার আগেই বিল অব এন্ট্রি দাখিলসহ শুল্কায়নের কাজ শেষ করা যাবে। সনদ পাওয়ার যোগ্য এইও সনদ পেতে সাতটি শর্ত পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো কমপক্ষে পাঁচ বছর ব্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে; নিয়মিত শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট ও আয়কর দিতে হবে; রাজস্বসংক্রান্ত মামলায় জরিমানার পরিমাণ মোট পণ্য বা সেবামূল্যের ১ শতাংশের বেশি হবে না; আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের মালিককে আগের তিন বছর অপরাধমুক্ত থাকতে হবে; সব বকেয়া রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে; প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত মূলধন কমপক্ষে ১৫ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন অন্তত ৫ কোটি টাকা হতে হবে। বার্ষিক আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ ন্যূনতম হতে হবে ৫ কোটি টাকা। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ‘নাইন-ইলেভেন’ ট্র্যাজেডির পর পণ্যের নিরাপদ চলাচলের উদ্যোগ নেয় বড় দেশগুলো। পরে ২০০৫ সালে পণ্যের নির্বিঘ্ন চলাচলে সেফ ফ্রেমওয়ার্ক চালু করে ডব্লিউসিও। সেখানে এইও ব্যবস্থা চালুর সুযোগ রাখা হয়। এনবিআরের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন এইও বিধিমালায় পণ্যের নিরাপদ চলাচলকে প্রাধান্য দেওয়া হয়নি। এতে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধিই প্রাধান্য পেয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান তুলনামূলক ভালো রাজস্ব দেয়, তারাই এ সনদ পাবে। তবে এইও সনদধারী প্রতিষ্ঠানের অন্য দেশে একই সুবিধা পাওয়া কঠিন হবে।

source : prothom-alo

আনন্দের সাথে তৃপ্তি নিয়েই অবসরে যাব: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে ভবিষ্যৎ নিয়ে নিরাশার কোনো কারণ নেই, যে কোনো মুহূর্তে আনন্দের সাথে তৃপ্তি নিয়েই অবসরে যেতে পারবেন তিনি। বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্ট আয়োজিত ‘আগামীর সিলেট- উন্নয়নের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। মুহিত বলেন, “আমার নিজস্ব অভিমত হচ্ছে আমি শৈশব থেকে শর্ট অব কাইন্ড অব অ্যাসোসিয়েটেড উইথ পাবলিক সার্ভিস, সেটা আমাদের দেশে আমরা যেভাবে করতে পেরেছি এবং বর্তমান যে অবস্থায় পৌঁছেছি তাতে আমার মনে হয়, আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোন ধরনের নিরাশার কোনো কারণ নেই, এটাই আমার একমাত্র তৃপ্তি।” ১০ বছর আগে দেশ নিয়ে এই তৃপ্তি ছিল না জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের তো এখন চলে যাওয়ার সময়, চলে যাওয়ার সময়ে এ রকমভাবে তৃপ্তি নিয়ে বিদায় হওয়া, এটা ২০০১ সালে যখন ঠিক করলাম যে রিটায়ার করব সে সময় এ তৃপ্তি মোটেই ছিল না। এখন যে কোন মুহূর্তে রিটায়ার করতে অত্যন্ত আনন্দিত, কোনো অসুবিধা নেই। আমার বদ্ধমূল ধারণা আমার তৃপ্তি হচ্ছে, দেশটা এগিয়ে যাচ্ছে এগিয়ে যাবে, এগিয়ে যেতেই থাকবে।” ২০০৮ সালে সিলেট-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনার সরকারে অর্থমন্ত্রী হন মুহিত। ২০১৪ সালে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পরও অর্থ মন্ত্রণালয় সামলাচ্ছেন তিনি। নিজের নির্বাচনী আসনটি ভাই এ কে এ মোমেনকে ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছার কথা আগেই জানিয়েছিলেন মুহিত। তবে তখনও বলেছিলেন, পরিস্থিতি বুঝে তিনি নিজেও ফের ভোটে দাঁড়াতে পারেন।

১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া মুহিত ষাট বছরের বেশি কর্মজীবন পার করেছেন। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার পর তখনকার পাকিস্তান এবং পরে স্বাধীন বাংলাদেশে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সিলেটের উন্নয়ন বাংলাদেশের উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “মাত্র ১০ বছরে যেটা আমরা করতে পেরেছি, এটা একান্তই অসাধারণ। তিনটি বিষয়ের সমন্বয়ে তা সম্ভব হয়েছে, প্রগতিশীল উপযুক্ত নেতৃত্ব, কার্যকরী কলাকৌশল এবং আমাদের দেশের মানুষেকে কাজ বুঝিয়ে দিলে বুদ্ধিটা এতই প্রখর যে লেখাপড়া কম জানলেও তা পারে। “উন্নয়ন কার্যক্রম সারা দেশব্যাপী হয়েছে, প্লেনে চড়লে যে দৃশ্য দেখা যায় তা বড় বড় দালান। আমার কৈশোরে বাংলাদেশে আলো ছিল না, বর্তমানে ৯২ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে।” অনুষ্ঠানে সিলেটের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়, সে বিষয়ে মুহিত বলেন, “সিলেটের অনেক সমস্যা এসেছে। সিলেটের সাথে ঢাকার দূরত্ব অনেক বেশি।

ঢাকা-সিলেট এক্সপ্রেসওয়ে করার চিন্তা করছিলাম, কন্ট্রাক্টও হয়ে গিয়েছিল। তবে চীনের কোম্পানি সচিবের কাছে ঘুষ নিয়ে হাজির হয়েছিল, তাকে বিদায় করতে হয়েছে। এখন চিন্তা করছি, নিজেরা করব বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে করার চিন্তা করছি।” রেললাইনের উন্নয়নের জন্য উদ্যেগে নেওয়া হবে এবং সিলেটে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এখন শুধু ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হবে, কারণ এটি সহজ ব্যাপার নয়। উচ্চ মানের জনশক্তি দরকার।“ সিলেট এগিয়েছে এবং সেই অগ্রগতিকে সুসংহত ও ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়ে পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমদ বলেন, “সিলেটে বিদেশ থেকে প্রচুর টাকা আসলেও বিনিয়োগ হয় খুব কম। চেষ্টা করতে হবে বিনিয়োগটা যেন সরাসরি হয়। সিলেটের মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতার জন্য প্রশিক্ষণ, পরিবেশ সংরক্ষণ যেমন রাতারগুলসহ অন্যান্য অঞ্চল, হাওড়ের সমস্যাগুলো সমাধান, অবকাঠামো উন্নয়ন, নদী ব্যবস্থাপনার কাজগুলো করতে হবে।”

সিলেট শহরে প্রায় এক হাজার বস্তি রয়েছে, সেগুলোতে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান খলিকুজ্জামান। ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’র আহ্বায়ক পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এ সরকারের আমলে সিলেটে অনেক উন্নয়ন হয়েছে এবং হচ্ছে। সিলেট নগরী হওয়া উচিত ছিল বিশ্বমানের, প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সহায়তায় তা হচ্ছে। সিলেটকে বাংলাদেশের মানুষ সুন্দর, সমৃদ্ধশালী ও অসাম্প্রদায়িক নগরী হিসেবে দেখতে চায়। সিলেটে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নৌকা জয়ী হওয়ার মাধ্যমে তা পূরণ হবে বলে আশা করি।” সিলেট বিমানবন্দর এবং রেলসেবা আরও উন্নত করার দাবি জানান সংসদ সদস্য ইয়াহিয়া চৌধুরী। বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মামুন আল মাহতাব, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুজহাত চৌধুরীসহ অন্যরা।

source : bangla.bdnews24

BR announces start of Padma Rail Link project work

The Bangladesh Railway (BR) formally announced the commencement of Padma Rail Link project two months after signing a loan deal with China. The announcement came after meeting all the conditions attached by the Chinese government. Bangladesh inked a $2.67-billion loan with Chinese Exim Bank for the project on April 27 this year. It was aimed at building the 225-kilometre rail link on both sides of Padma Bridge. Officials said 20 per cent of the contract price and land from Mawa to Bhanga has already been handed over to China Railway First Group Co Ltd. "We've started the project as per schedule. The time count for completing the project began on July 03," said project director Golam Fakhruddin Ahmed Chowdhury. The BR has already held an inception meeting with the Chinese company. It is likely to get the phase-wise full construction planning soon. It signed a $3.13-billion commercial contract with the Chinese firm in August 2016 under the government-to-government (G-to-G) arrangement.

However, the overdue loan deal with China delayed the project work for nearly 20 months. The delay in signing the deal was due to the fixation of size of the loan amount and interest rate. Under the deal, China will now provide 80 per cent of the project cost under its preferential buyer's credit line. The rest of the project funds is to be borne by Bangladesh government. BR officials said terms and conditions of the preferential buyer's credit line are also similar to non-concessional loan or soft loan. The Tk 350-billion project will establish rail link with nine southern districts.

It will also connect Mongla and Benapole ports through 6.15-kilometre under-construction Padma Bridge. As per the building agreement, the 225km rail route is scheduled to be constructed by June 2022. The rail route will be established in four sections-Dhaka-Gendaria, Gendaria-Mawa, Mawa-Bhanga junction via Padma Bridge and Bhanga-Jashore Bridge. The first phase, which is 50km from Mawa to Bhanga, will be built first to run train through Padma Bridge on the day of its inauguration. Although the government fixed the target to launch the Padma Bridge by 2018, the rail link project is much behind the schedule.

source : Financial Express

২০১৯ সালের মধ্যে সবাই বিদ্যুৎ পাবে

দেশের সব মানুষ আগামী বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ–সুবিধার আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। আজ বুধবার সামিট করপোরেশনের নতুন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা এ কথা জানান। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সামিট করপোরেশন ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে যৌথ বিনিয়োগের জন্য জাপানের মিতসুবিশি করপোরেশন ও যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিকের (জিই) সঙ্গে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের সমঝোতা চুক্তি করে। সামিটের পক্ষ থেকে বলা হয়, এটি এখন পর্যন্ত দেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় প্রকল্প।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হবে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে। সেখানে একই প্রকল্পের অধীনে একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ও একটি জ্বালানি তেলের টার্মিনাল নির্মিত হবে। পাশাপাশি আরেকটি ৩০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কথা রয়েছে। এটি অবশ্য মহেশখালীর বাইরে অন্য কোথাও নির্মাণের চিন্তা করছে সামিট। সমঝোতা চুক্তিতে সামিটের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, মিতসুবিশির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো ব্যবসা বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট তেতসুজি নাকাগাওয়া সান এবং জিই পাওয়ারের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল স্টোকস সই করেন। অনুষ্ঠানে তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী মানুষকে সাশ্রয়ী মূল্য বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য বেসরকারি খাতকে কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনের তাগিদ দেন।

এ জন্য নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসা ও উদ্ভাবনের পরামর্শ দেন তিনি। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সরকার শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, সঞ্চালনেও বেসরকারি খাতকে বিনিয়োগের সুযোগ দেবে। ভবিষ্যতে বিতরণের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ উন্মুক্ত করা হবে। ফলে বিদ্যুৎ খাতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমদ কায়কাউস, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

source : prothom-alo

বাণিজ্য ঘাটতি দেড় লাখ কোটি টাকা

আমদানি ব্যয় বাড়লেও সে অনুযায়ী বাড়ছে না রফতানি আয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) দেশের বাণিজ্য ঘাটতি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। মে মাস শেষে মোট বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭২২ কোটি ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় চাপে পড়েছে। আমদনি বাড়লেই বাজারে ডলারের দাম বেড়ে যায়। ইতোমধ্যে ডলারের তুলনায় টাকা অনেক দুর্বল হয়েছে। যার প্রভাব পড়ে আমদানি ও শিল্প পণ্যের দামে। এতে ভোক্তার ক্রয় ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। চাপ সৃষ্টি হচ্ছে মূল্যস্ফীতিতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ১১তম মাস মে শেষে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭২২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৯৩৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ৭৮৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সংশ্লিষ্টরা জানান, রফতানি আয়ের চেয়ে আমদানি ব্যয় যতটুকু বেশি, তার পার্থক্যই বাণিজ্য ঘাটতি। দেশে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ চলছে। এসব বড় প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানি বেড়ে গেছে। এ ছাড়াও শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনীয় যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি বেড়েছে। এসব কারণেই বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ছে।

তবে এ ঘাটতি মেটানো হয় রেমিট্যান্স ও বিদেশি বিনিয়োগ দিয়ে। এ খাতেও নিম্নগতি ছিল বেশকিছু দিন। ফলে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে (ব্যালান্স অফ পেমেন্ট বা বিওপি) ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা বিদ্যমান থাকা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ভালো বলে মনে করছেন না তারা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাস শেষে ইপিজেডসহ রফতানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে তিন হাজার ৩২৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় করেছে পাঁচ হাজার ৫২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এ হিসাবে বাণিজ্য ঘাটতির দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭২২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। যা বর্তমান বিনিময় হার (৮৪ টাকা) অনুযায়ী এক লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ কোটি টাকার বেশি। আলোচিত সময়ে, আমদানি বেড়েছে ২৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। এর বিপরীতে রফতানি বেড়েছে মাত্র ৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ। অন্যদিকে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭ দশমিক ০৯ শতাংশ। ফলে চলতি হিসাবে ঘাটতি বড় হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার অর্থ হলো নিয়মিত লেনদেনে দেশকে কোনো ঋণ করতে হচ্ছে না।

আর ঘাটতি থাকলে সরকারকে ঋণ নিয়ে তা পূরণ করতে হয়। সেই হিসাবে উন্নয়নশীল দেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকা ভালো। কিন্তু গত কয়েক বছর উদ্বৃত্তের ধারা অব্যাহত থাকলেও গত অর্থবছরে ঋণাত্মক ধারায় চলে গেছে। এপ্রিলেও এ ধারা অব্যাহত রযেছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত ছিল। এতে বৈদেশিক দায় পরিশোধে সরকারকে বেগ পেতে হয়নি। কিন্তু ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ১৪৮ কোটি ডলার (-) ঋণাত্মক হয়। যা এখনো অব্যাহত রযেছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের মে মাস শেষে ৯৩৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার ঋণাত্মক হয়েছে। এর আগের অর্থবছরে একই সময়ে ঋণাত্মক ছিল ২২১ কোটি ৬০ লাখ ডলার। আলোচিত সময়ে সেবাখাতে বেতনভাতা বাবদ বিদেশিদের পরিশোধ করা হয়েছে ৮২০ কোটি ডলার। আর বাংলাদেশ এ খাতে আয় করেছে মাত্র ৪১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ হিসাবে ১১ মাসে সেবায় বাণিজ্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪০৮ কোটি ডলারে। যা গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল (ঘাটতি) ৩০০ কোটি ডলার।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে বিদেশি ঋণ গ্রহণ বেড়েছে। আলোচ্য সময়ে আর্থিক হিসাবে দেখা যাচ্ছে, এ ধরনের ঋণ এসেছে ৩৪৮ কোটি ডলার, যা আগের একই সময়ের তুলনায় ৮২ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। বিদেশি ঋণ বাড়লেও বিদেশি বিনিয়োগ কম এসেছে। এ সময় ১৬০ কোটি ডলারের নিট বিনিয়োগ এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ কম। অন্যদিকে শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ কিছুটা বেড়েছে। জুলাই থেকে মে সময়কালে শেয়ারবাজারে ৩৫ কোটি ৮০ লাখ ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৩২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। আর সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) দেশে এসেছে মোট ২৬০ কোটি ৭০ লাখ ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের একই সময়ে এফডিআই ছিল ২৮১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগও সামান্য বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের আলোচিত মাসে নিট পোর্টফোলিও বিনিয়োগ হয়েছে ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

source : Inkilab

ঋণের সুদহার ৯ শতাংশে আনতে সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছন, দেশের সব ব্যাংকের ঋণের সুদহার একযোগে এক অঙ্কে অর্থাৎ ৯ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনা সম্ভব নয়। এজন্য কিছুটা সময় লাগবে। বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার উদ্যোগটাই কঠিন ছিল। আমি বোধ হয় তখনই বলেছিলাম এটি যত জলদি করা যায়। তবে এ মুহূর্তে মনে হচ্ছে সবগুলো ব্যাংকের পক্ষে ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে এত দ্রুত সম্ভব নয়। বেশকিছু ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে। কিছু কিছু ব্যাংক এখনও করেনি। এতে করে ব্যাংকিং খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে কী না?-জানতে চাইলে মুহিত বলেন, না বিশৃঙ্খলা হবে বলে আমার মনে হয় না। পুরো বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক তদারকি করবে।

আমানতে সুদহার কমানোর জন্য সরকারি ব্যাংকগুলো তাদের আমানত বেসরকারি ব্যাংক থেকে তুলে নিচ্ছে এ বিষয়ে তিনি বলেন, হ্যাঁ হয়তো উঠাবে। এটা তাদের ব্যবসার ব্যাপার। ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশে নামিয়ে আনার জন্য বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে ৬ শতাংশ সুদে সরকারি ব্যাংক ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আমানত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কম সুদে কীভাবে হবে? কম সুদে হবে না। তবে আমরা সরকারি ব্যাংকের টাকা বেসরকারি ব্যাংকে ডিপোটজিট করার সুযোগ করে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনায় দেশের অর্থনীতিতে শিল্পবান্ধব পরিবেশ, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান ও আমদানি-রফতানি বাণিজ্য আরো গতিশীল করতে মূলত এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ২০ জুলাই ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার ঘোষণা দেয় বেসরকারি ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যানদের সংগঠন-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স (বিএবি)। যা গত ১ জুলাই থেকে কার্যকরের কথা। সেদিন ব্যাংক হলিডে থাকায় ২ জুলাই থেকে কয়েকটি ব্যাংক এটি কার্যকর করে। তবে বেশির ভাগ ব্যাংক এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। চলতি সপ্তাহে এসব ব্যাংক ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্র জানায়, প্রথম পর্যায়ে ব্যাংকগুলো শুধু শিল্প ঋণে ৯ শতাংশ সুদ নেবে। আর আমানতকারীদের তিন মাস মেয়াদে আমানতের সুদ দেবে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ। পর্যায়ক্রমে অন্য সব ক্ষেত্রে সুদহার কমানো হবে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকাররা।

source : risingbd

চীনের অনুদানে পূর্বাচলে হবে বাণিজ্য মেলা কমপ্লেক্স

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এবার চীনের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার স্থায়ী কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে ঢাকার অদূরে পূর্বাচলে। ২০২০ সালের মধ্যে এ কমপ্লেক্স নির্মাণ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ২০১৯ সালেই শেষ হতে পারে। নির্ধারিত সময়ের আগে নির্মাণ শেষ হলে ২০১৯ সালে এখানেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা হবে। এজন্য মোট ব্যয় হবে ১ হাজার ৩০৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়ানোর পাশাপাশি বৃহত্তর পরিসরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার স্থান পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা শুরু হয় ২০০৯ সাল থেকে। ঢাকার প্রাণকেন্দ্র আগারগাঁও থেকে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি শহরের মধ্যে বেশ কয়েকটি স্থানের নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর রাজধানীর পাশে পূর্বাচল উপশহরে বাণিজ্য মেলার স্থায়ী ঠিকানা চূড়ান্ত করা হয়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য থেকে জানা যায়, প্রকল্পে ৪৭৫ কোটি দেবে সরকার, চীন সরকার প্রকল্প সাহায্য হিসেবে দেবে ৬২৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা, ইপিবির নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে ২০২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। শুরুতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৯৬ কোটি ১ লাখ টাকা।

এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১৩৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা, চীনা সরকারের প্রকল্প সাহায্য ৬২৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং ইপিবির নিজস্ব তহবিল থেকে ৩২ কোটি ১৩ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। ১৯৯৫ সাল থেকে ইপিবি আয়োজিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ সচিবালয় নির্মাণের জন্য নির্ধারিত স্থানে হয়ে আসছিল। কিন্তু এই বাণিজ্যমেলা আয়োজনের জন্য প্রতি বছরই টেন্ডার দিয়ে কোটি টাকা ব্যয় করে অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা হতো। ১৯৯৮ সালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তেজগাঁওস্থ পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় মেলার স্থায়ী প্রাঙ্গণ নির্মাণের ঘোষণা দেন। ২০০৯ সালে তেজগাঁওস্থ পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় ৩৯.৪৫ একর জমির ওপর ২৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই কেন্দ্র নির্মাণের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়। চীন সেখানে ২১০ কোটি টাকা দিতে সম্মত হয়েছিল। একই বছর ৯ ডিসেম্বর একনেক প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়। কিন্তু সিভিল এভিয়েশন থেকে আপত্তির কারণে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হয়। পরবর্তীতে এটির স্থায়ী কেন্দ্র করার জন্য বড় আকারের জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না।

শেষ পর্যন্ত ঢাকার অদূরে পূর্বাচল উপশহরে স্থায়ী কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইপিবির প্রস্তাবনা থেকে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) এই মেলার কেন্দ্র নির্মাণে পূর্বাচলের ৪ নম্বর সেক্টরে ১০ একর জমির বিপরীতে ১৩৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়। পরে চীন সরকার বাংলাদেশের এই কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ৬২৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা অর্থায়ন করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে। ইপিবি বরাদ্দকৃত জমিতে ভূগর্ভস্থ কার পার্কিংয়ের ব্যবস্থা বিবেচনায় রেখে স্কিমেটিক ডিজাইন প্রণয়নের জন্য চীনা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানায়। চীনা কর্তৃপক্ষ তাদের মতামতে প্রকল্পের ডিজাইনে ১৫০০ ভূগর্ভস্থ কার পার্কিং ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে আপত্তি জানায়। চীন সরকার কর্তৃক বেইজিং ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেকচারাল ডিজাইন (বিআইএডি) কর্তৃক প্রাথমিক মাটি পরীক্ষার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাটির গাঁথুনি শক্ত নয় এবং পানির স্তর উচ্চ পর্যায়ে। তারা কার পার্কিংয়ের জন্য অতিরিক্ত জমির ব্যবস্থা গ্রহণ বা আলোচ্য প্রকল্প বাতিলের অনুরোধ জানায় চিঠিতে। পরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আরো ১০ একর জমি দেওয়ার জন্য রাজউককে অনুরোধ জানায়।

এদিকে, রাজউকের পরিচালকের (প্রশাসন) এক চিঠিতে বলা হয়েছে, পূর্বাচল উপশহরে শিল্প পার্কের জন্য নির্ধারিত স্থান থেকে প্রথমে ১০ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে অতিরিক্ত আরো ১০ একরসহ মোট ২০ একর জমি মেলা কেন্দ্র নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই জমির কাঠাপ্রতি মূল্য ধরা হয় ১০ লাখ টাকা। নতুন করে জায়গা পাওয়ার ফলে ১ হাজার গাড়ি উন্মুক্ত স্থানে এবং ৫০০ গাড়ি দ্বিতীয় ভবনের পার্কিংয়ে রাখা হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২১০ কোটি টাকার বিষয়ে চীন ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে একটি আর্থিক চুক্তি সম্পাদিত আগেই হয়েছিল। চীনা অনুদান বাড়িয়ে ৬২৫ কোটি ৭০ লাখ টাকায় উন্নীত হওয়ায় এ ব্যাপারে সরকারের নতুন করে চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে। নতুন নকশা প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর তা চীন সরকারকে অবহিত করার জন্য পেশ করা হবে। এরপর ইআরডি ও চীন সরকারে মধ্যে আর্থিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। প্রকল্পের নির্মাণকাজ ২০১৫ সালের জুলাই থেকে শুরু হয়ে ২০১৮ সালের জুনে শেষ করার কথা ছিল। প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রস্তাবে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার সময়সীমা ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

source : risingbd

৫০ হাজার টন গম কিনছে সরকার

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৫০ হাজার টন গম কিনছে সরকার। গতকাল বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। ৫০ হাজার টন গম আমদানিতে ব্যয় হবে ১০৮ কোটি টাকা। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্যাকেজ-৬ এর আওতায় ৫০ হাজার টন গম ক্রয়ের একটি প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ২৫৩ ডলারে প্রতি মেট্রিক টন হিসাবে এ গম সরবরাহ করবে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেসার্স অ্যাগ্রোকোর ইন্টারন্যাশনাল। এ হিসাবে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহে সরকারের ব্যয় হবে ১০৮ কোটি টাকা।

কোন দেশ থেকে এসব গম আনা হবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সুনির্দিষ্ট কোনো দেশের উল্লেখ নেই। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যেখান থেকে পারবে সেখান থেকে গম সরবরাহ করে দেবে। উল্লেখ্য, ধান, চাল ও গমের উৎপাদন খরচ বিবেচনায় নিয়ে সরকারের সংগ্রহমূল্য নির্ধারণ করে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটি (এফপিএমসি)। গত এপ্রিলে কমিটির সভায় ধান সংগ্রহের সিদ্ধান্ত হলেও দেশের বাজার থেকে কোনো গম সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম এফপিএমসি গমের সংগ্রহ দামও নির্ধারণ করে দেয়নি। অতীতে গম না কিনলেও কৃষক যেন ন্যায্য দাম পায় সে জন্য একটা দর নির্ধারণ করে দেওয়ার নজির রয়েছে। এবার সেটাও করা হয়নি।

source : kalar kontho

মূল্যস্ফীতিই বড় চ্যালেঞ্জ

মূল্যস্ফীতির চাপ উপশম প্রাধান্য দিয়ে গত অর্থবছরের মুদ্রানীতি প্রণয়ন করলেও শেষ পর্যন্ত বাগে রাখা যায়নি। বিদায়ী অর্থবছরের ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫.৭৮ শতাংশ। এটাকে ৫.৫ শতাংশে ধরে রাখার লক্ষ্য ছিল সরকারের। আগের অর্থবছরে (২০১৬-১৭) গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৫.৪৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৫.৬ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মূল্যস্ফীতির ওপর জোর দেওয়া এবারও মুদ্রানীতির প্রধান লক্ষ্যই থাকছে। তবে এবার যেহেতু বাজেটে সঞ্চয়পত্রের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে সরকারি খাতের ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হচ্ছে, সেহেতু বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধির লাগাম টানতেই হবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। তবে নির্বাচনের বছরে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার যেখানে ঋণের সুদহার কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে, সেখানে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমিয়ে আনাটা সরকারের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে বলেও মনে করছেন তাঁরা। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৭১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের। এর মধ্যে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে আসবে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা, যা বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার দ্বিগুণেরও বেশি। বিদায়ী অর্থবছরে মূল বাজেটে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ছিল ২৮ হাজার ২০৩ কোটি টাকা। কিন্তু ওই অর্থবছরে ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে (মূলত সঞ্চয়পত্র থেকে) বেশি ঋণ আসায় ব্যাংকব্যবস্থা থেকে লক্ষ্য অনুযায়ী ঋণ নিতে হয়নি সরকারকে।

যেকারণে সংশোধিত বাজেটে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণের লক্ষ্য কমিয়ে হয় ১৯ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা। অন্যদিকে চলতি অর্থবছরে ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের লক্ষ্য কমিয়ে ২৯ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা করা হয়েছে। এর মধ্যে সঞ্চয়পত্রসহ জাতীয় সঞ্চয় স্কিমগুলো থেকে ২৬ হাজার ১৭৯ কোটি টাকা নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গত অর্থবছরের মুদ্রানীতি ভঙ্গির দিকে তাকালে দেখা যায়, সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় সীমিত রাখতে বিদায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ ঋণের জোগান প্রবৃদ্ধি ১৫.৮ শতাংশে রাখার নীতি ভঙ্গি ও পরিকল্পনা গ্রহণের কথা জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ফজলে কবির। তবে গত অর্থবছরে সরকারের ব্যাংকঋণের তেমন চাহিদা না থাকায় বেসরকারি খাতের ঋণের জোগান প্রবৃদ্ধি ১৬ .৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৬.৮ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখার লক্ষ্য নিয়ে বিদায়ী অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। বিদায়ী অর্থবছরের মে মাসে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৭.৬০ শতাংশ।

তা ছাড়া অর্থবছরের ১১ মাস সরকারের ব্যাংকঋণ ঋণাত্মক ধারায় থাকলেও গত জুন শেষে এ খাতের নিট ঋণ ৯২৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। তবে অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি প্রণয়নের সময় বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৮.১ শতাংশ। ওই সময় মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রকৃত প্রবৃদ্ধি ১৬.৮ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোর ঋণ-আমানত অনুপাত (এডিআর) কিছুটা করে কমিয়ে আনে। সনাতনী ব্যাংকগুলোর এডিআর ৮৫ থেকে কমিয়ে ৮৩.৫ শতাংশে এবং শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর আইডিআর ৯০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮৯ শতাংশ করা হয়। ঋণের প্রবৃদ্ধি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে ওই নির্দেশনা দেওয়া হলেও ব্যাংকগুলো সেটা বাস্তবায়ন করতে আমানত বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় নামে।

ফলে মুদ্রানীতি ঘোষণার পরের মাস ফেব্রুয়ারি থেকেই আমানতের সুদহার ৫-৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ১১-১২ শতাংশে পৌঁছে যায়। এ নিয়ে শুরু হয় নতুন সংকট। ব্যাংকগুলোর ঋণের সুদহারও বেড়ে ১৮-১৯ শতাংশে পৌঁছে যায় অল্প সময়ের মধ্যে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত মার্চে আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে ব্যাংকঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিট বা এক অংকে নামিয়ে আনার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন। সব শেষে গত ১ জুলাই থেকে বেশির ভাগ ব্যাংকই এক অংকের সুদে ঋণ বিতরণের ঘোষণা দেয়। এই পরিস্থিতিতে চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতির কৌশল নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক ও এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মুদ্রানীতি বাস্তবায়ন ও কৌশল নির্ধারণ নিয়ে বৈঠক করেন গভর্নর ফজলে কবির। গতকাল বুধবার সাবেক গভর্নরদের সঙ্গে বনানীর একটি হোটেলে মুদ্রানীতির কৌশল নির্ধারণ নিয়ে আলোচনায় বসেন গভর্নর।

source : kalar kontho