×
News Details
সুযোগ নেই মোবাইল কোম্পানির

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবা প্রদানের জন্য অংশীদার হতে পারছে না মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমএনও)। এমএফএস প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে শতকরা ৫১ ভাগের মালিকানা থাকবে ব্যাংকের হাতে এবং সেবাটি ব্যাংকের নেতৃত্বেই চলবে। বাকি ৪৯ শতাংশ অংশের মালিকানায় আসতে পারবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসহ অন্যরা। এমন বিধান রেখে এমএফএস সেবার জন্য নিয়ন্ত্রণমূলক নীতিমালার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১৫ জুলাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এ নীতিমালার অনুমোদন দেয়। শিগগির তা পরিপালনের জন্য প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের একাধিক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নতুন নীতিমালা করার পরও এমএফএস প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় আসার সুযোগ পাচ্ছে না গ্রামীণফোন ও রবির মতো মোবাইল অপারেটররা। তবে এসব অপারেটরের নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করেই চলবে সেবাটি। এর আগে ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো এ-সংক্রান্ত নীতিমালা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ওই নীতিমালায় ব্যাংকের পাশাপাশি ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানকেও এ সেবা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। ওই নীতিমালার পর কয়েকটি অপারেটর আর্থিক সেবা চালু করলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চাপের মুখে তা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। এরপর থেকেই তারা এ সেবার মালিকানায় অংশগ্রহণের দাবি জানিয়ে আসছিল। দেশজুড়ে ২০১১ সালে চালু হওয়া এ সেবার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে বর্তমানে। এ সেবার আওতায় সারা দেশে দৈনিক ১ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হচ্ছে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে। শুধু লেনদেন নয়, পরিষেবা বিল পরিশোধ, কেনাকাটা, প্রবাসী আয় সংগ্রহসহ আরও নানা সুবিধা মিলছে এ সেবায়। এর ফলে ব্যাংকের টাকা স্থানান্তর (টিটি) সেবা প্রায় বন্ধের উপক্রম। আর মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তরা টাকা পাঠাতে পারছে নিমেষেই।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অপারেটররা এ সেবায় নেতৃত্ব দিলেও বাংলাদেশে এ মডেল চালু করা উপযুক্ত হবে না। কারণ, আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে। আর মোবাইল অপারেটরদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন নিয়ন্ত্রণ কমিশন। নীতিমালায় বলা হয়েছে, তফসিলি ব্যাংকের নেতৃত্বে এ সেবার মালিকানার অংশীদারে ব্যাংকবহির্ভূত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অন্যদের হাতে ৪৯ শতাংশ পর্যন্ত শেয়ার থাকতে পারবে। এ সেবায় প্রযুক্তিগত বৈচিত্র্য আনতে পারবে—এমন প্রতিষ্ঠানকে এমএফএসের অংশীদারে আনার আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১৮টি ব্যাংক এমএফএস সেবা প্রদান করছে। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘বিকাশ’। এরপরই ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের সেবা ‘রকেট’। গত মে পর্যন্ত এ সেবায় নিবন্ধিত গ্রাহকের সংখ্যা ৬ কোটি ১৩ লাখ। এর মধ্যে সক্রিয় গ্রাহক ২ কোটি ২৯ লাখ। এসব সেবা দিতে কাজ করছেন ৮ লাখ ২০ হাজার ৩৫৩ জন এজেন্ট। গত মে মাসে এ সেবার আওতায় ৩২ হাজার ৮২২ কোটি টাকার লেনদেন হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ প্রথম আলোকে বলেন, মুঠোফোন অপারেটরদের এ সেবায় অংশীদার করলে ঝুঁকি বাড়ত। কারণ, তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে নয়। আর্থিক ব্যবস্থাপনা সব সময়ই ব্যাংকের হাতে থাকা উচিত।

source : prothom-alo

ব্যাংকের শীর্ষ ১০ খেলাপির তথ্য নিচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়

সরকারি-বেসরকারি সব ব্যাংকের শীর্ষ ১০ জন ঋণ খেলাপির তথ্যসহ ব্যাংকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে সরকার। খেলাপি ঋণ আদায়ে কঠোর উদ্যোগ ও ঋণ অনিয়মে সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনূসুর রহমানকে চিঠি দিয়ে দ্রুত এসব তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন। চিঠিতে দেশের ব্যাংকগুলোর মূলধন, পরিশোধিত মূলধন, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সংখ্যা ও তাদের নাম-পরিচয়, ব্যাংকগুলোর মোট ঋণ ও মোট খেলাপি ঋণ সম্পর্কে তথ্য জানতে চেয়েছেন তিনি। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে অপর এক চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এসব বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সঙ্গে সংশ্নিষ্টরা জানান, গত কয়েক বছরে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকে ঘটে যাওয়া ঋণ অনিয়ম, মালিকানা পরিবর্তন, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি দেশে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সরকারও এসব ঘটনায় সমালোচিত হয়েছে। নির্বাচনের আগে সরকার ব্যাংক খাতের উন্নয়নে ইতিবাচক কিছু পদক্ষেপ নিতে চায়।

বিশেষ করে খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকার কঠোর উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি ঋণ অনিয়মে সম্পৃক্তদের ক্ষেত্রেও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তারই অংশ হিসেবে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে ধারণা করছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কর্মকর্তারা। সূত্র জানায়, এ জন্য অপর এক চিঠিতে ঋণ গ্রহীতাদের পরিচয়, ঋণদাতার বিবরণ, ঋণের পরিমাণ ও শর্তাবলি, ঋণ জামানতের তথ্য এবং বকেয়া ঋণের আসল ও সুদের হিসাব জানতে চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এর আগে অর্থমন্ত্রী সরকারি ব্যাংকের শীর্ষ ১০০ খেলাপির তালিকা জাতীয় সংসদে প্রকাশ করেন। এবার সব ব্যাংকের তথ্য চাইলেন তিনি। এর আগে ব্যাংক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে এবং সমস্যা সমাধানে একটি 'ব্যাংক কমিশন' গঠনের কথা কয়েকবার বলেছেন অর্থমন্ত্রী। কিন্তু চলতি অর্থবছরের বাজেট পেশ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সরকারের সময়ে কমিশন গঠন করা হচ্ছে না বলে জানিয়ে দেন। তবে কমিশন গঠনের জন্য কাগজপত্রসহ সবকিছু প্রস্তুত করে যাবেন বলেও সাংবাদিকদের জানান তিনি। গত কয়েক বছর ধরে ব্যাংক খাত আলোচনার মধ্যে রয়েছে।

খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি এর অন্যতম কারণ। এ ছাড়া নতুন কয়েকটি ব্যাংকের পরিচালন ব্যয় আয়ের থেকে বেশি, দুটি ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ব্যাপক পরিবর্তনও আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সর্বশেষ ফারমার্স ব্যাংক কেলেংকারি ও ব্যাংক খাতের তারল্য সংকট ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে। কয়েক বছর আগে থেকে বেসিক ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক আলোচনায় রয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে জনতা ব্যাংক। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারকে বাজেট থেকে মূলধন সরবরাহ করতে হচ্ছে। দেশে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি খাতের মোট ৫৬টি ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যমতে, গত মার্চ পর্যন্ত দেশের ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২২ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে ৮৮ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা। যা বিতরণ করা ঋণের ১০ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর মধ্যে মন্দমানের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৩ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা, যা মোট খেলাপি ঋণের ৮৩ দশমিক ১০ শতাংশ। এর মধ্যে মন্দমানের বাইরে সন্দেহজনক মানে রয়েছে ৫ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা। আর নিম্নমানে রয়েছে ৯ হাজার ১৯ কোটি টাকা। এর বাইরে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার ঋণ অবলোপন করেছে বিভিন্ন ব্যাংক। এসব ঋণ বিবেচনায় নিলে মোট খেলাপি ঋণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকবে। ব্যাপক এই খেলাপি ঋণের বড় অংশই আটকে আছে শীর্ষ খেলাপিদের কাছে।

source : somokal

BD RMG industry now 'one of the safest' for workers

The global apparel brands and retailers are placing higher volume of work orders to the compliant garment factories in Bangladesh, a top official of the US-based VF Corporation said on Sunday. "The ready-made garment (RMG) industry of Bangladesh has transformed over the last five years. It has now become one of the safest for workers in the world," said Sean Cady, vice president, global supply chain and responsible sourcing of VF Corporation. "Our sourcing from Bangladesh has increased significantly, but the number of factories is low. That means business is coming to the better and safer factories," he noted. Mr Cady, also a board member of the Alliance for Bangladesh Worker Safety, was speaking at a press conference in a city hotel. He also said the Alliance has reiterated its previous stance of not extending its tenure after next January.

The organisation will hand over its ongoing safety responsibilities to a transparent and credible monitoring authority. Mr. Cady stressed the need for maintaining the strong reputation of 'Made in Bangladesh' that has been achieved following the work of the Accord, the Alliance and the National Action Plan. "It is critically important for the international buyers to have confidence that the label 'Made in Bangladesh' is supportive for all workers," he noted. The Alliance organised the conference on the transition landmark of 'Amader Kotha', a helpline for workers, to an independent initiative expanding its access to millions of more workers. Other board members of the Alliance - Tapan Chowdhury, managing director of Square Textiles Ltd, Jan Saumweber, senior vice president - responsible sourcing of Walmart, Dana Veeder, associate general counsel legal of Gap, among others, were present at the conference. Responding to a query, Alliance executive director Jim Moriarty said: "The Alliance will not be here after January first of next year.

Its work is finished, and we haven't asked for extension." The platform is negating with government and factory owners to set up an independent body or entity to monitor the post remediation activities to maintain safe workplace, he added. 'Amader Kotha', the confidential helpline of workers and established by Alliance, will become an independent initiative this month. It will have the ability to expand its services beyond the factories under the Alliance, he announced. The helpline has empowered thousands of RMG workers to report issues of concern anonymously and without fear of retribution, he noted. Mr. Moriarty hoped that the initial corrective action plans in the Alliance-listed factories will be completed by the end of this year. The Alliance wants to transfer its factory safety and worker empowerment initiatives to an independent safety monitoring organisation, managed in partnership with credible local partners, he also said.

Replying to another question, Mr Moriarty said remediation in the factories under the National Action Plan is a challenge for the Remediation Coordination Cell (RCC). The RCC is not in a stage to monitor the safety standards in the factories listed under the western retailers' platforms - the Accord and the Alliance. It will be busy with remedial works in the factories under national initiative. He feared that if any untoward accident takes place in the RMG sector, it might be in the factories under national initiative and not in the factories under the Accord and the Alliance.

source : Financial Express

ভারতীয় মোটরসাইকেলের বৃহত্তম আমদানিকারক এখন বাংলাদেশ

বাংলাদেশের অর্র্থনীতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে মোটরসাইকেলের চাহিদা বেড়েই চলেছে। আর এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন মডেলের বাইক আমদানিও বাড়ছে দেশে। ভারতে বিশ্বের সর্বাধিক মোটরসাইকেল তৈরি হয়। ভারতের বিভিন্ন মডেলের মোটরসাইকেল বাংলাদেশেও বেশ জনপ্রিয়। আর বাংলাদেশের চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় নির্মাতারাও রপ্তানি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। ভারতের ২০১৮ অর্থবছরে ভারত থেকে বাংলাদেশে মোটরসাইকেল আমদানির পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ২২ কোটি ৭০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। বর্তমানে ভারতীয় মোটরসাইকেলের সবচেয়ে বড় বাজার বাংলাদেশ, যার পরেই রয়েছে শ্রীলংকা। এর আগে ২০১৬ অর্থবছরে ভারত থেকে প্রায় ১৩ কোটি ডলারের মোটরসাইকেল আমদানি করে বাংলাদেশ। বর্তমানে তা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ভারতের প্রধান মোটরসাইকেল রপ্তানিকারক হিরো ও বাজাজ।

মোটরসাইকেল রপ্তানিতে ভারতের এ প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে লাভবান হয়েছে এ দুটি প্রতিষ্ঠানই। এর মধ্যে হিরো মোটর কর্পোরেশন বাড়তি চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশে মোটরসাইকেল সংযোজন শিল্প গড়েছে। এজন্য স্থানীয় প্রতিষ্ঠান নিলয় বাংলাদেশ লিমিটেডের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি প্রতিষ্ঠান গড়েছে তারা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে দেড় লাখ ইউনিট মোটরসাইকেল তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে শুধু মোটরসাইকেলই নয়, ভারতীয় গাড়ি ও ট্রাকের অন্যতম বড় বাজার বাংলাদেশ। ২০১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৩ কোটি ডলারের ভারতীয় ট্রাক আমদানি করে। ভারতের টাটা মোটরস বাংলাদেশে নিটল মটরসের সঙ্গে দেশে যৌথভাবে সংযোজন শিল্প স্থাপন করেছে। এছাড়া ভারতের অশোক লেল্যান্ডও বাংলাদেশে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোজন শিল্প স্থাপন করেছে।

সূত্র : বিজনেস-স্ট্যান্ডার্ড

ব্রেক্সিটের পর বৃটেনের কাছে জিএসপি প্লাস চায় বাংলাদেশ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর বাণিজ্য সুবিধা হিসেবে যুক্তরাজ্যের কাছে জিএসপি ( অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা) প্লাস সুবিধা চায় বাংলাদেশ। এজন্য দুই দেশ ঘনিষ্ঠভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। রোববার (২২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে নিজ বাসায় বাংলাদেশে সফররত বৃটিশ পার্লামেন্টের সংসদ সদস্য (এমপি) রোশনারা আলীর সঙ্গে মতবিনিময় শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বৃটেনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাষ্ট্র। বাংলাদেশের রপ্তানিতে তৃতীয় বৃহত্তম বাজার বৃটেন। বাণিজ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বৃটেনকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে থাকে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেওয়া ‘এভ্রিথিংস বাট আর্মস অর্থাৎ ইবিএ’ এর আওতায় বাংলাদেশ বৃটেনের কাছ থেকে ডিউটি ফ্রি ও কোটা ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে আসছে। বৃটেনে দিন দিন বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। ‘বৃটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাবার (ব্রেক্সিট) পর বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য আরো বাড়বে। বাংলাদেশ এবিষয়ে বৃটেনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে উভয় দেশের বাণিজ্য প্রায় চার বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা আরো বাড়ানো সম্ভব।

বৃটেনও বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী।’ বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছে। তখন আর জিএসপি সুবিধা থাকবে না। এজন্য বাংলাদেশ বৃটেনের কাছ থেকে জিএসপি প্লাস বাণিজ্য সুবিধা প্রত্যাশা করছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ সময় বৃটিশ এমপি রোশনারা আলী সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ বৃটেনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাষ্ট্র। বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে বৃটেন খুশি। আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার। বৃটিশ ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। ‘সেখানে বাংলাদেশের তৈরি অনেক পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। উভয় দেশের আন্তরিক প্রচেষ্টায় দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অনেক বৃদ্ধি করা সম্ভব।’ এজন্য প্রয়োজনীয় বাণিজ্য সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়েছেন তিনি।

source : banglanews24

‘জেড’ ক্যাটাগরি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা

উৎপাদনহীন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকার পাশাপাশি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে থাকা দুর্বল এবং স্বল্প মূলধনী কোম্পানি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। গত সপ্তাহে মডার্ন ডাইং ও রহিমা ফুড লিমিটেডকে তালিকাচ্যুত করার পর থেকেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এ প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। গত বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) এবং চলতি সপ্তাহের রোববার (২২ জুলাই) দুই কার্যদিবস দেখা গেছে, ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ারের একদিকে ছিলো ক্রেতা সংকট। অন্যদিকে শেয়ারগুলোর দামও কমছে পাল্লা দিয়ে। আর তার বিপরীতে বিনিয়োগকারীরা ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করছেন। লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী মোস্তফা ইকবাল বাংলানিউজকে বলেন, জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। তাছাড়া যে কোনো সময় এসব কোম্পানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর বন্ধ হয়ে গেলেই আমার পুরো টাকা জলে যাবে। জেনে শুনে কেন এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করবো? তিনি বলেন, ভাগ্যিস আমার হাতে থাকা রহিমা ফুডের ৫ হাজার শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছিলাম। না হলে আজ কাগজ নিয়ে পথে পথে ঘুরতে হতো। আল্লাহ আমাকে রক্ষা করেছেন।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘জাঙ্ক শেয়ার’ থেকে বিনিয়োগকারীরা ভালো কোম্পানিতে বিনিয়োগে ফিরছেন, এটা পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি কমবে। বাজারে কমবে কারসাজি, বাড়বে আস্থা। এটি বাজারের জন্য আমূল পরিবর্তন। এটি আরো আগেই হওয়া উচিৎ ছিলো। ডিএসইর তথ্য মতে, উৎপাদনহীন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাক‍ায় মডার্ন ডাইং ও রহিমা ফুডকে তালিকাচ্যুত করা হয় গত বুধবার (১৮ জুলাই)। এরপর দিন বৃহস্পতিবার ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে থাকা ১৪টি কোম্পানিতে ক্রেতা সংকট ছিলো। এদিন দাম কমার শীর্ষে ছিলো এই ক্যাটাগরির প্রায় সব কোম্পানির শেয়ার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম কমেছিলো মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের শেয়ারের।

শেয়ারটির দাম কমেছিলো ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এরপর যথাক্রমে মেঘনা পেটের শেয়ারের দাম কমেছিলো ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, সমতা লেদার ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ, হাক্কানি পাল্প ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ, দুলামিয়া কটন ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ, ইউনাইটেড এয়ার ৯ দশমিক ০১ শতাংশ, অলটেক্স ৯ দশমিক ০১ শতাংশ ও জিলবাংলা সুগার ৯ দশমিক ০১ শতাংশ। এছাড়াও ঢাকা ডাইং, এমারেল্ড ওয়েল, বিডি অটোকারস, সিএনএ টেক্সটাইল, কেঅ্যান্ডকিউ, নর্দান জুটের শেয়ারের দাম কমেছিলো ব্যাপক হারে। একই অবস্থায় লেনদেন হয়েছে নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার। এদিনও ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত ৪৪টি কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের, আর দাম বেড়েছে মাত্র ৭টি কোম্পানির শেয়ারের।

অন্যদিকে লেনদেন অপরিবর্তিত ও লেনদেন হয়নি ১টি করে কোম্প‍ানির শেয়ারের। তার বিপরীতে ‘এ’ ক্যাটাগরির ১২৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। এদিন ডিএসইতে দাম কমার শীর্ষে ছিলো- ইমাম বাটন, সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ, ইউনাইটেড এয়ার, জুট স্পিনিং, মেঘনা পেট, সোনারগাঁ টেক্সটাইল, দুলামিয়া কটন, শ্যামপুর সুগার, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ও ঢাকা ডাইং। এই কোম্পানিগুলোর সবগুলোই ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে। ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বাংলানিউজকে বলেন, পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল রাখতে বেশ কিছু উদ্যোগ হাতে নিয়েছে ডিএসই। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও পুঁজিবাজারের কারসাজিরোধে এরইমধ্যে দু’টিকে তালিকাচ্যুত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যেসব কোম্পানি উৎপাদনে নেই, ভবিষ্যতেও এসব কোম্পানি উৎপাদনে আসার সুযোগ নেই তাদেরকে পুঁজিবাজারে রাখা হবে না। কারণ এসব কোম্পানির শেয়ারের কারসাজি হয়। শেয়ারের দামও অস্বাভাবিক হারে বাড়ে। আর বিনিয়োগকারীরাও লোভে পড়ে বিনিয়োগ করেন, ক্ষতিগ্রস্ত হন। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এবি মির্জা আজিজুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, জাঙ্ক শেয়ারের দাম কমছে, সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এই শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগ করছেন না। এ দু’টোই পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক। তার মানে হলো সম্প্রতি ডিএসই যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে বিনিয়োগকারীদের কাছে এই বার্তাটি পৌঁছেছে। এই সিদ্ধান্ত আরো আগে নিলে পুঁজিবাজারে জন্য আরো ভাল হতো উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেসব কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ কিংবা অদূর ভবিষ্যতে উৎপাদন চালু হওয়ার সুযোগ নেই, সেইসব কোম্পানিকে দ্রুত ডিলিস্টেড করা উচিৎ।

source : bangla news24

চামড়া রপ্তানি বাড়াতে গবাদি পশু আমদানির অনুমতি

চামড়াশিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে গবাদি পশু আমদানির অনুমতি ও পশুপালনে নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন চামড়াশিল্প মালিকরা। ঢাকার হাজারীবাগ থেকে সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে সব ট্যানারি স্থানান্তর হলে উৎপাদনক্ষমতা বর্তমানের চেয়ে চার গুণেরও বেশি হবে। তাই এ ব্যাপারে এখনই সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ প্রয়োজন। সঠিকভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে ২০২১ সাল নাগাদ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন রপ্তানিকারকরা। বাংলাদেশ ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বর্গফুট চামড়া উৎপাদিত হচ্ছে। সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে সব ট্যানারি স্থানান্তর হলে উৎপাদনক্ষমতা বর্তমানের চেয়ে চার গুণেরও বেশি হবে। চামড়া শিল্প নগরীতে আধুনিক ক্যাপিটাল মেশিনারিজ স্থাপন করা হচ্ছে। এ জন্য যে পরিমাণ কাঁচা চামড়া প্রয়োজন হবে, তা দেশীয় গবাদি পশু থেকে পাওয়া সহজ হবে না। এ অবস্থায় প্রায় ৯০০ মিলিয়ন বর্গফুট কাঁচা চামড়া বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, সাভারে ট্যানারি শিল্প নগরী গড়ে ওঠায় উৎপাদনক্ষমতা বেড়েছে তিন গুণ। এখন ট্যানারিশিল্পে কাঁচামাল সংকট দেখা দিচ্ছে।

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি বাড়াতে হলে দেশের অভ্যন্তরে গবাদি পশুর উৎপাদন-পালন বাড়াতে হবে। পাশাপাশি গবাদি পশু এবং কাঁচা চামড়া আমদানি সহজ করতে হবে। অন্যথায় চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হবে না। তিনি আরো বলেন, দেশের ট্যানারিগুলো কোরবানির ঈদের ওপর ভিত্তি করে টিকে আছে। সারা বছর তেমন বেশি কাঁচা চামড়া পাওয়া যায় না। ট্যানারিশিল্পের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য উল্লেখযোগ্যসংখ্যক গবাদি পশু আমদানির প্রয়োজন হবে। এতে দেশে গবাদি পশুর মাংসের চাহিদাও পূরণ হবে। দেশে গরুর মাংসের দাম বৃদ্ধির কারণে এরই মধ্যে কাঁচামাল (কাঁচা চামড়া) সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই সংকট থেকে অতি দ্রুত উত্তরণের জন্য প্রয়োজনে গবাদি পশু আমদানির অনুমতি দেওয়ার দাবি উঠেছে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে।

পাশাপাশি গবাদি পশু পালনের উপযুক্ত নীতিমালা গ্রহণ ও সরকারি সহযোগিতা নিশ্চিতকরণে সঠিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। চামড়াশিল্প মালিকরা জানান, দেশের দ্বিতীয় রপ্তানি আয়ের খাত চামড়া সেক্টর থেকে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছিল প্রায় এক হাজার ২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগামী পাঁচ বছরে এই আয় পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে এই সেক্টরের শিল্পদ্যোক্তারা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এখন চামড়া রপ্তানি কমলেও জুতা ও অন্যান্য চামড়াজাত দ্রব্যের রপ্তানি বেড়ে চলেছে। চামড়াশিল্প মালিকরা আরো জানান, এরই মধ্যে সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে অবকাঠামো ও কারিগরি উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এই খাতে আরো বিনিয়োগ প্রয়োজন। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হলে পরিবেশবান্ধব চামড়াশিল্প গড়ে উঠবে বলে আশা করেন শিল্প মালিকরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিল্প মালিক বলেন, ‘অনেক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও চামড়াশিল্প টিকে আছে। এ শিল্পের উন্নয়নের জন্য আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। শতভাগ রপ্তানিমুখী এই শিল্পের টেকসই উন্নয়নের জন্য সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।’ বাংলাদেশ ফিনিস লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুট ওয়ার এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এম আবু তাহের কালের কণ্ঠকে বলেন, বিভিন্ন কারণে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি আয় কমে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য এখনই উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। রপ্তানিকারকদের উৎসাহিত করতে এই খাতে ভর্তুকি প্রদানের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছি। চামড়া রপ্তানিকারকরা জানান, ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট রপ্তানির পরিমাণ ২২.০৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩৮০.১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়।

source: kalar kontho

Indian business delegation meets BD apparel exporters

A team of Indian business delegates on Saturday attended a business-to-business (B2B) meeting with Bangladeshi apparel exporters with a view to strengthening trade relationship, especially in textile sector, between Bangladesh and India. A 25-member delegation of Indian exporters of yarn and fabric led by Ujwal Lahoti, Chairman of the Cotton Textiles Export Promotion Council of India and Tseten Nordon Cargyal, Head of Chancery of the Indian High Commission to Bangladesh attended the meeting at BGMEA complex as part of the delegation's four-day business tour in Bangladesh. Presiding over the meeting, Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) President Siddiqur Rahman said, as well as having many geographic advantages, Bangladesh and India share a long border and a number of custom ports. But the trade relationship between the two countries has not yet achieved the desired result so far, he said, reports UNB. The trade between Bangladesh and India is growing every year.

Because of duty free export of Ready Made Garments (RMG) products, export to India last year was US$279 million which was only US$96 million five years ago, said the BGMEA president. "India is a highly potential market for us because of the population. Global brands and retailers are also opening their stores in India" he said adding that, "Moreover we import most of our cotton, fabrics and other materials from India to produce garments here." He also said, there are some challenges including lack of capacity in the land custom ports, especially in Petrapole and non-payment issues, which are the major barriers. Claiming that there are huge potential of collaboration between the two countries, he said, the Bangladesh and India need to work on the issues to build stronger trade relation. Tseten Nordon Cargyal said, India-Bangladesh relationship has grown exceptionally in the past few years.

Bangladesh's garments export to India has increased. Half of India's export to Bangladesh comprises of raw materials and machinery used by Bangladeshi industries, specially the garment industries, she said adding that, this meeting will create more scopes of business interaction between the two countries. While large scale investments are taking place since the last few years, Bangladesh is an important trading partner of India, said Ujwal Lahoti, Chairman of the Cotton Textiles Export Promotion Council of India. There is a need of extending ties between the textile exporters and suppliers of Bangladesh and India, said Ujwal. In the programme, Md Nasir, Vice President of BGMEA (Finance) also spoke among others.

source : Financial Express

Costs of opening superstores in BD among highest in the region

The costs of opening up a single superstore in Bangladesh are at least four times as much as those of neighbouring countries, according to an analysis. Businesses have to spend as high as Tk 45 million for opening up a 4,000 square feet superstore. The opening of similar-size superstores in Sri Lanka and Indonesia costs Tk 11 million. The Bangladesh Supermarket Owners Association (BSOA) prepared the analysis to present it to the chairman of the National Board of Revenue (NBR). In a presentation, the association members identified three major challenges for the superstore business in Bangladesh. The challenges include, opening up a new mall and its forced shut down, uneven VAT scenario in the market, and harassment in the name of food safety. In a letter, BOSA president and managing director of Rahimafrooz Superstores Limited Niaz Rahim said trade VAT at a rate of 4.0 per cent is discriminatory as it is applicable only to superstore businesses.

"The annual sale of superstores has slipped by 15 per cent in the last six months. Common people are being discouraged to buy things from super shops due to uneven VAT situation," he said. Already, consumers' right protection directorate also warned the superstores that charging VAT on MRP (maximum retail price) is a violation of consumers' right protection act, he added. During fiscal year 2006-09, the rate of VAT for superstores was up to 2.0 per cent. The government revised the rate upward to 4.0 per cent during FY 2012-14. During FY 2014-15, the VAT rate was brought down to 2.0 per cent before raising it to 4.4 per cent during FY 2015-16.

The association president demanded either reduction of VAT to 2.0 per cent or imposition of 1.0 per cent VAT on all retail businesses to address such discrimination. In the analysis, it gave a comparison of uneven VAT scenario between the supermarket and four small groceries. The amount of payable VAT is Tk 56,000 in a month for four small stores. This compared with Tk 1.2 million for a single supermarket. On the anti-adulteration campaign, the association said different government agencies conduct food safety or formalin-free drive movement in the supermarkets causing unusual harassments. Such drives in other countries are conducted by a particular agency of that country. The US Food and Drug Administration (FDA), Food Standards Agency (FSA), Food safety and Standards Authority of India (FSSAI) in India conduct such drives and set policy for the businesses. In 1999, the government gave approval for opening up supermarket in Bangladesh.

The first supermarket was PQS, which was acquired by Agora. According to the BSOA, some 160 supermarkets are running their operations all over the country. Of the stores, some six outlets of Agora, out of 10, are incurring losses. Meena Bazar is also experiencing losses in 16 of its 18 stores. Nandan has only one store active out of four. Shawpno is operating 47 stores, the highest of its rivals. Out of these outlets, a total of 35 are in the red. Talking to the FE, BSOA general-secretary Md Zakir Hossain said there is a need for a policy for salvaging the country's superstore business. "We are incurring losses and facing uneven competition for discriminatory fiscal policy," he said. The government should pay due attention to develop the sector, he added.

source : Financial Express

জনতা ব্যাংকে আবারও বড় ঋণ কেলেঙ্কারি

জনতা ব্যাংকে আবারও বড় ঋণ কেলেঙ্কারি। এবার ভুয়া রপ্তানি নথিপত্র তৈরি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে নেওয়া হয়েছে। এভাবে সরকারের নগদ সহায়তা তহবিল থেকে ১ হাজার ৭৫ কোটি টাকা নিয়েছে ক্রিসেন্ট গ্রুপ। অপকর্মে সহায়তা করার পাশাপাশি ক্রিসেন্ট গ্রুপকে অর্থায়নও করেছে জনতা ব্যাংক। ক্রিসেন্টের কাছে জনতা ব্যাংকের পাওনা ২ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা। বিদেশে রপ্তানির ১ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা আটকা রয়েছে। সব মিলিয়ে গ্রুপটি সরকারি ব্যাংক ও সরকারের তহবিল থেকে মাত্র পাঁচ বছরেই নিয়ে নিয়েছে ৫ হাজার ১৩০ কোটি টাকা। ২০১৩ সাল থেকে এসব অনিয়মের শুরু। খোঁজ নিয়ে জানা যাচ্ছে, গ্রাহক তিনভাবে এর সুবিধা ভোগ করেছেন। রপ্তানি বিলের টাকা বিদেশে রেখে দিয়েছেন। ব্যাংক সেই বিল কিনে গ্রাহককে নগদ টাকা দিয়েছে। আবার এসব রপ্তানির বিপরীতে সরকার থেকে নগদ সহায়তাও নিয়েছে গ্রাহক। জনতা ব্যাংক ইমামগঞ্জ করপোরেট শাখার মাধ্যমে এত সব জালিয়াতি হয়েছে। শাখাটির মোট ঋণের ৯৮ শতাংশই এ গ্রুপের কাছে আটকা। যার সবই এখন খেলাপি হয়ে পড়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে ক্রিসেন্ট গ্রুপের পাদুকাসহ চামড়াজাত পণ্যের বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। জনতা ব্যাংকের নিজস্ব অনুসন্ধান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদন ও প্রথম আলোর অনুসন্ধানে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। আর বাংলাদেশ ব্যাংক এরই মধ্যে ব্যাংক ও গ্রাহকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।

এর আগে এক গ্রাহককেই নিয়ম লঙ্ঘন করে জনতা ব্যাংকের ৫ হাজার ৫০৪ কোটি টাকার ঋণ ও ঋণসুবিধা দেওয়ার খবর দিয়েছিল প্রথম আলো। আবারও একই ব্যাংকের নতুন এক কেলেঙ্কারির খবর মিলল। যেভাবে জালিয়াতি কাগজে-কলমে ক্রিসেন্ট গ্রুপ চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করেছে হংকং ও ব্যাংককে। সেই রপ্তানি বিল ক্রয় করে গ্রুপটিকে নগদে টাকা দিয়েছে ব্যাংক। এখন রপ্তানির টাকা ফেরত আসছে না। ব্যাংক চাপ দেওয়ায় মাঝে মাঝে কিছু অর্থ আসছে দুবাই থেকে। যদিও আমদানিকারক দেশ থেকেই টাকা আসার কথা। তদন্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সরকার থেকে নেওয়া নগদ সহায়তার টাকা দুবাই ও যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করেছে গ্রুপটি। জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ করপোরেট শাখায় গ্রাহক বলতে ক্রিসেন্ট গ্রুপ একাই। শাখাটির মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ক্রিসেন্ট গ্রুপের ছয় প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের ঋণ ২ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, ব্যাংকের রক্ষিত মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি কোনো গ্রুপকে অর্থায়ন করা যায় না। কিন্তু ব্যাংকটির শাখা থেকে ঋণ হিসেবে গেছে মূলধনের ৫৫ শতাংশ। ক্রিসেন্ট গ্রুপের ছয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস, ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ, রূপালী কম্পোজিট লেদার, লেক্সকো লিমিটেড, গ্লোরী এগ্রোর কর্ণধার এম এ কাদের। আর রিমেক্স ফুটওয়্যার নামে অপর একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার তাঁর ভাই এম এম আজিজ। রপ্তানির টাকা ফেরত না আসার বিষয়ে গ্রুপটির কর্ণধার এম এ কাদের ১৭ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, হাজারীবাগ থেকে সময়মতো ট্যানারি স্থানান্তর না করায় কারখানার বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

এ কারণে সময়মতো চামড়া রপ্তানি করা যায়নি। ফলে ১ হাজার ২০০ কোটির বেশি টাকা বিদেশে আটকে আছে। চেষ্টা চলছে টাকা ফিরিয়ে আনার। এ জন্য দেড়-দুই বছর সময় লাগবে। এম এ কাদের আরও জানান, হংকংয়ের প্রতিষ্ঠান চামড়া নিয়ে অন্য দেশে বিক্রি করেছে। এ জন্য অন্য দেশ থেকে টাকা আসছে। তা ছাড়া তাঁর ভাই কোনোভাবে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন। আগে নামে ছিল, এখন বাবার পুরো ব্যবসা তিনি একাই দেখভাল করেন। এত টাকা গেল কোথায় গ্রুপটির রপ্তানির ৫৭৭টি বিলের টাকা দেশে ফেরত আসেনি। যার মূল্য বাংলাদেশি টাকায় ১ হাজার ২৯৫ কোটি। এসব রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই কিনেছে হংকং ও থাইল্যান্ডের ৯টি প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় আছেন বাংলাদেশিরা। আবার পণ্য হংকংয়ে পাঠানো হলেও রপ্তানি বিল পাঠানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমদানি করা এসব প্রতিষ্ঠান ভুয়া। রপ্তানি ভর্তুকির টাকা অবৈধ উপায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও দুবাইয়ে নিয়ে ফেরত এনেছে ক্রিসেন্ট গ্রুপ। এদিকে, ব্যাংকটির ইমামগঞ্জ শাখার ভোল্টের সীমা ৩ কোটি টাকা। এ জন্য গ্রাহকের হিসাবে যাওয়া টাকা উত্তোলনে ব্যবহার করা হতো প্রধান কার্যালয়ের পাশের স্থানীয় শাখাকে। সব অর্থই নগদে তুলে নিয়েছে গ্রাহক। এসব টাকার একটা অংশ গেছে শেয়ারবাজার, স্পিনিং মিল ও আবাসন প্রতিষ্ঠানে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি ইমামগঞ্জ শাখায় ৮১ কোটি টাকা জমা হলে সেদিনেই বেসরকারি খাতের আরেকটি ব্যাংকের সাতমসজিদ রোড শাখার ক্রিসেন্ট গ্রুপের হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। এ হিসাব থেকে বিভিন্ন সময়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে এইমস অ্যান্ড গ্রামীণ ওয়ানের শেয়ার কেনা হয়। এ ছাড়া ইমামগঞ্জ শাখা থেকে ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত গ্রাহকের হিসাব থেকে কয়েক দফায় টাকা গেছে দুটি স্পিনিং মিল, একটি বিমা কোম্পানি, একটি শেয়ার লেনদেনকারী কোম্পানি ও সাতটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ক্রিসেন্ট গ্রুপের ব্যবসায়িক সম্পর্ক নেই। এম এ কাদের এ প্রসঙ্গে প্রথম আলোকে বলেন, ‘রপ্তানি সহায়তা ও ব্যাংকের টাকা দিয়ে সাভারে ১৩টি কোম্পানি করেছি। কোনো টাকা অপচয় করিনি। আমাকে একটু সময় দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। নগদ টাকা দিয়ে চামড়া কেনা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানকে টাকা দেওয়া হয়েছে, এর সবই ব্যবসায়িক। কোথাও দোকান করতে টাকা দেওয়া হয়েছে, কিছু টাকা শেয়ারেও গেছে। দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ছিলেন আবদুস সালাম। তাঁর মেয়াদেই সবচেয়ে বড় অনিয়ম হয়। ১৫ জুলাই তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার সময়ে রপ্তানির বেশির ভাগ টাকা ফেরত এসেছে। ২০০ কোটি টাকার মতো বাকি আছে। মেয়াদের শেষ সময়ে হজে থাকাকালে ও মেয়াদের পরে যেসব রপ্তানি হয়েছে, তা নিয়েই সমস্যা হয়েছে। শাখা ব্যবস্থাপক নিজেই এসব অপকর্ম করেছেন।’ তাঁর সময়ে রপ্তানি বিল শাখার দায়িত্বে ছিলেন ডিএমডি মোহাম্মদ ফখরুল আলম। গত ১২ জুন ফখরুল আলমকে কৃষি ব্যাংকে বদলি করে সরকার। ৪ জুলাই কৃষি ব্যাংকে নিজ কার্যালয়ে বসে ফখরুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘যা কিছু হয়েছে, সবই শাখার কর্মকর্তারা করেছেন।

আমি শুধু পর্ষদ ও এমডির নির্দেশনা পালন করেছি।’ ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর থেকে জনতা ব্যাংকের এমডির দায়িত্বে আব্দুছ ছালাম আজাদ। চলতি মাসে একাধিক দিন এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন এই প্রতিবেদক। সবশেষ ১৫ জুলাই তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সমস্যা হলো রপ্তানি বিলের অর্থ দেশে আসছে না। টাকা আনতে সংশ্লিষ্ট শাখা গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। দায়ের সবই এখন খেলাপি হয়ে পড়েছে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবুল বারকাত ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ বছর ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন। আর ২০১৪ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে চেয়ারম্যান হন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব শেখ মো. ওয়াহিদ-উজ-জামান। গত ৭ ডিসেম্বর তাঁর মেয়াদ শেষ হয়। ১৫ জুলাই প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘এসব তো পর্ষদে আসে না। এমডি, ডিএমডি পর্যায়েই বিল কেনার সিদ্ধান্ত হয়। এসবের কিছুই আমি জানি না।’ তাঁদের সময়ে ব্যাংকের পর্ষদ সদস্য ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহসম্পাদক নাগিবুল ইসলাম ওরফে দীপু, টাঙ্গাইলের কালিহাতী আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী যুবলীগ নেতা আবু নাসের প্রমুখ। ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখার কর্মকর্তারাও এর সুবিধা পেয়েছেন। শাখার কর্মকর্তাদের ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের চিত্র পেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

২০১৫-১৭ সালে শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্বে থাকা রেজাউল করিমের ব্যাংক হিসাবে বেতন-ভাতার বাইরে ৬০ লাখ টাকা জমা ও উত্তোলনের চিত্র পাওয়া গেছে। ব্যবস্থা নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক জালিয়াতির মাধ্যমে ক্রিসেন্ট গ্রুপকে সহায়তা করার দায়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশে ১০ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে জনতা ব্যাংক। জনতা ব্যাংকের হিসাব থেকে আর নগদ সহায়তার ৪০৮ কোটি টাকা কেটে সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ছাড়া ইমামগঞ্জ করপোরেট শাখার বৈদেশিক ব্যবসার লাইসেন্স (এডি লাইসেন্স) স্থগিত করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সামগ্রিক বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, এসব অনিয়মের মূল কারণ হলো, আগের দোষীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া। বিচারহীনতার একটা সংস্কৃতি গড়ে উঠছে।

source : prothom-alo