×
News Details
৬৩ প্রতিষ্ঠান পেল জাতীয় রপ্তানি পুরস্কার

পণ্য রপ্তানিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পেয়েছে ৬৩ প্রতিষ্ঠান। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ ট্রফি দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন। সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়ের ভিত্তিতে এ বছর সেরা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের পুরস্কার পেয়েছে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি এ নিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সেরা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের পুরস্কার পেল। তৈরি পোশাক (ওভেন) খাতে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ ট্রফি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো যথাক্রমে একেএম নিটওয়্যার লিমিটেড, রিফাত গার্মেন্টস লিমিটেড ও অনন্ত অ্যাপারেলস লিমিটেড। তৈরি পোশাক (নিটওয়্যার) খাতের স্বর্ণপদক পেয়েছে ফকির নিটওয়্যার্স লিমিটেড। এ খাতে রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে যথাক্রমে জিএমএস কম্পোজিট নিটিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও স্কয়ার ফ্যাশনস লিমিটেড। সুতা খাতে স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে কামাল ইয়ার্ন লিমিটেড। রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে বাদশা টেক্সটাইল লিমিটেড আর ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে সুফিয়া কটন মিলস লিমিটেড। টেক্সটাইল ফেব্রিকস খাতে স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড। রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল ও ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে হামজা টেক্সটাইলস। হোম ও বিশেষায়িত টেক্সটাইল পণ্য খাতে স্বর্ণ ও রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে যথাক্রমে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস লিমিটেড ও এসিএস টেক্সটাইল লিমিটেড। টেরিটাওয়েল খাতে স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে নোমান টেরিটাওয়েল লিমিটেড। হিমায়িত খাদ্যপণ্য খাতে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ ট্রফি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো যথাক্রমে জালালাবাদ ফ্রোজেন ফুডস লিমিটেড, মীনহার সি ফুডস লিমিটেড ও কুলিয়ারচর সি ফুডস লিমিটেড। কাঁচা পাটপণ্য খাতে স্বর্ণ ও রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে যথাক্রমে পপুলার জুট এক্সচেঞ্জ লিমিটেড ও মেসার্স বাবুল জুট ট্রেডিং।

পাটজাত পণ্যে স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে আকিজ জুট মিলস লিমিটেড। রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে জনতা জুট মিলস লিমিটেড ও ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে দ্য গোল্ডেন ফাইবার ট্রেড সেন্টার লিমিটেড। ক্রাস্ট বা ফিনিশড চামড়া পণ্য খাতে স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে এসএএফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, রৌপ্য পেয়েছে মেসার্স ঢাকা হাইড অ্যান্ড স্কিনস লিমিটেড। চামড়াজাত পণ্য খাতে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ ট্রফি পাবে যথাক্রমে পিকার্ড বাংলাদেশ লিমিটেড, আরএমএম লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও এবিসি ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ফুটওয়্যার খাতে স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে বে ফুটওয়্যার লিমিটেড। এ খাতে রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে যথাক্রমে ফুটবেড ফুটওয়্যার লিমিটেড ও আকিজ ফুটওয়্যার লিমিটেড। এ বছর এগ্রো প্রসেসিং পণ্য রপ্তানিতে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক পাওয়া তিনটি প্রতিষ্ঠানই প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের। এর মধ্যে প্রাণ ডেইরি লিমিটেড স্বর্ণপদক, প্রাণ এগ্রো রৌপ্য পদক এবং ময়মনসিংহ এগ্রো (প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান) ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে।

প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে স্বর্ণপদক পেয়েছে বেঙ্গল প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ইউনিট-৩, রৌপ্য পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ডিউরেবল প্লাস্টিক লিমিটেড। ট্রফি পাওয়ার তালিকায় কৃষিজ পণ্য শ্রেণিতে স্বর্ণ ও ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে মনসুর জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড, রৌপ্য পদক পেয়েছে হেরিটেজ এন্টারপ্রাইজ। ফুল-ফলিয়েজ শ্রেণিতে রাজধানী এন্টারপ্রাইজ স্বর্ণ, ক্যাপিটাল এন্টারপ্রাইজ রৌপ্য পদক পেয়েছে। হস্তশিল্পজাত পণ্য শ্রেণিতে কারুপণ্য রংপুর লিমিটেড স্বর্ণ, ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেইড প্রডাক্টস বিডি রৌপ্য, বিডি ক্রিয়েশন ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে। সিরামিক শ্রেণিতে শাইনপুকুর সিরামিকস লিমিটেড স্বর্ণ, প্রতীক সিরামিকস লিমিটেড রৌপ্য পদক পেয়েছে। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শ্রেণিতে ইউনিগ্লোরি সাইকেল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড স্বর্ণ; ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস শ্রেণিতে বিআরবি কেব্‌ল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড স্বর্ণ; অন্যান্য শিল্পজাত শ্রেণিতে বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেড স্বর্ণ; ফার্মাসিউটিক্যালস শ্রেণিতে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড স্বর্ণ, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড রৌপ্য, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ব্রোঞ্জ; কম্পিউটার সফটওয়্যার শ্রেণিতে সার্ভিস ইঞ্জিন লিমিটেড স্বর্ণ; প্যাকেজিং ও এক্সেসরিজ শ্রেণিতে মন ট্রিমস লিমিটেড স্বর্ণ, ইউনিগ্লোরি পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড রৌপ্য, জাবের অ্যান্ড জোবায়ের অ্যাকসেসরিজ লিমিটেড ব্রোঞ্জ ও অন্যান্য প্রাথমিক পণ্য শ্রেণিতে স্বর্ণ পদক পেয়েছে গাজী এন্টারপ্রাইজ।

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সংরক্ষিত স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে ফেক্সিনকো। এ ছাড়া রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) শতভাগ বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকেও পুরস্কৃত করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক (নিট ও ওভেন) খাতে ইউনিভার্সেল জিনস লিমিটেড স্বর্ণ, প্যাসিফিক জিনস লিমিটেড রৌপ্য, ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও লিমিটেড ব্রোঞ্জ এবং অন্যান্য পণ্য ও সেবা খাতে স্বর্ণ পদক পেয়েছে আরএম ইন্টারলাইনিংস লিমিটেড। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, পণ্য রপ্তানি থেকে আয় বাড়াতে রপ্তানি বহুমুখীকরণে জোর দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য তথ্যপ্রযুক্তি, জাহাজ নির্মাণ, প্লাস্টিকের মতো কয়েকটি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রপ্তানিমুখী পণ্য রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীদের জন্য আগামী আমদানি-রপ্তানি নীতিমালায় বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, নীতিমালা তিন বছর পর পর হালনাগাদ করা হয়। আগামী নীতিমালায় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাণিজ্যসচিব শুভাশীষ বোস, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ শিল্প বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন প্রমুখ।

source: prothom-alo

ইন্টারনেটে ভ্যাট কমানো হলেও সুফল পাচ্ছেন না গ্রাহক

গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবার মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) হার ১০ শতাংশ কমানোর সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ ব্যবহারকারীরা। কারণ, ইন্টারনেটের ভ্যাট হার কমাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যে পরিপত্র জারি করেছে, সেখানে মোবাইল ইন্টারনেটকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অথচ দেশের ৯৩ শতাংশ ব্যবহারকারী মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এনবিআরের পরিপত্রের সুযোগ নিয়ে মোবাইল অপারেটররা গ্রাহকের কাছে আগের দরেই ভ্যাট আদায় করছে। গত ২৮ জুন সংসদে বাজেট পাস হওয়ার পর খুচরা পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবা মূল্যের ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। কিন্তু মোবাইল ফোন অপারেটররা গ্রাহকের কাছে আগের ১৫ শতাংশ হারেই ভ্যাট আদায় করছে। এর যুক্তি হিসেবে তারা বলছে, ভ্যাট কমানোর বিষয়ে এনবিআর যে পরিপত্র জারি করেছে, সেখানে মোবাইল ইন্টারনেটের ভ্যাট কমানোর নির্দেশনা নেই।

অন্যদিকে, ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো (আইএসপি) বলছে, গ্রাহক পর্যায়ে ভ্যাট ৫ শতাংশ করা হলেও তাদের সেবা দেওয়ার খরচ উল্টো বেড়েছে। কারণ, আইএসপিদের এনটিটিএন (নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক) সেবার ভ্যাট ১৫ শতাংশ ও আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) পর্যায়ে ভ্যাট ৫ শতাংশ আরোপ করা হয়েছে। এত দিন দুটি প্রতিষ্ঠানের জন্য আইএসপিদের ভ্যাট হার ১৫ শতাংশ ছিল। আইআইজিদের কাছে পাইকারি দামে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কেনে আইএসপিরা। আর এই ব্যান্ডউইথ এনটিটিএনদের অবকাঠামোর মাধ্যমে গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছানো হয়। ভ্যাট হার ১৫ শতাংশ হওয়ায় দুই ক্ষেত্রেই আইএসপিরা এত দিন কর রেয়াত (রিবেট) পেত। এবারের বাজেটে রেয়াত-সুবিধা বাতিল করে এনটিটিএন সেবার ওপর ১৫ শতাংশ এবং আইআইজির ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট ধার্য করা হয়েছে। এতে আইএসপিদের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কেনা ও পরিবহনের খরচ বেড়ে গেছে।

আইএসপিদের ভাষ্য, এখন যে দামে ইন্টারনেট বিক্রি হচ্ছে, ভ্যাটের জটিলতা দূর না হলে ইন্টারনেটের দাম অন্তত আগের চেয়ে ২০ শতাংশ বেড়ে যাবে। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি আমিনুল হাকিম প্রথম আলোকে বলেন, এনটিটিএন ও আইআইজির ভ্যাটের কারণে ইন্টারনেট কিনতে খরচ বেড়ে যাবে। উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলে দাম বাড়িয়েই বিক্রি করতে হবে। তাই গ্রাহকের ইন্টারনেট সেবার ভ্যাট হার ৫ শতাংশ হলেও এর দাম কমবে না। অর্থ মন্ত্রণালয় ও এনবিআর এই সমস্যার সমাধান না করলে অচিরেই দাম বাড়বে ইন্টারনেটের। মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) যুক্তি হলো, ভ্যাট বিষয়ে এনবিআর যে পরিপত্র জারি করেছে, সেখানে তাদের জন্য সুনির্দিষ্ট কোড উল্লেখ না করায় তারা ইন্টারনেটের ভ্যাট ১৫ শতাংশই রাখছে। এ বিষয়ে এনবিআরের জারি করা পরিপত্রে ইন্টারনেট সংস্থার ‘এস ০১২’ সার্ভিস কোডের আওতায় ‘এস ১২.১৪’ কোডের জন্যই শুধু এই নির্দেশনা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে, যা শুধু আইএসপিগুলোর ক্ষেত্রে কার্যকর।

মোবাইল ফোন অপারেটরদের এ-সংক্রান্ত কোড হলো ‘এস ১২.১০’। যেহেতু পরিপত্রে তাদের কোড নেই, তাই অপারেটরদের পক্ষে ইন্টারনেটের ভ্যাট কমানোর এই নির্দেশনা পালন করা সম্ভব নয়। অ্যামটবের মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবীর বলেন, ইন্টারনেটের ভ্যাট হার কমিয়ে আনার যে সিদ্ধান্ত, তা আদৌ মোবাইল অপারেটরদের জন্য কার্যকরী হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে পরিষ্কার হওয়ার জন্য মোবাইল ফোন অপারেটররা সম্প্রতি এনবিআরের কাছে চিঠি দিয়েছে। জানতে চাইলে এনবিআরের সদস্য রেজাউল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, রাজস্ব ক্ষতি সত্ত্বেও বৃহত্তর স্বার্থে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের ভ্যাট হার কমানোর জন্য পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মোবাইল ফোন অপারেটরদের কী সমস্যা, সেটা তারা পরিষ্কার করে জানায়নি। তাদের বক্তব্য জানার পরে এ বিষয়ে এনবিআর পরবর্তী উদ্যোগ নেবে।

টেলিযোগাযোগ-বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান লার্ন এশিয়ার জ্যেষ্ঠ গবেষক আবু সাইদ খান বলেন, এনবিআরের কিছু কর্মকর্তার খামখেয়ালিপনার কারণে এ সমস্যা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের বছরে কৃত্রিমভাবে এ সমস্যা সৃষ্টি করা হয়েছে, যাতে সরকার বিব্রত হয়। সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার পরেও এ বিষয়ে কোনো জটিলতা কাম্য নয়। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৬৮ লাখ। এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৮ কোটি ১১ লাখ, যা মোট ব্যবহারকারীর ৯৩ শতাংশের বেশি।

source : prothom-alo

ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে

দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে। এক সপ্তাহে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ২৫ দশমিক ৬০ টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। বন্দরের কোয়ারেনটাইন অফিসের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের বলেন, প্রতি টনের আমদানি মূল্য ৩’শ ডলার। টাকার অংকে প্রতি টনের দাম ২৫ হাজার ২’শ টাকা। এর সাথে ভ্যাট ট্যাক্স আছে। দেশে কাঁচা মরিচের দাম চড়ে যাওয়ার পর থেকে এ বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে বলে তিনি জানান। হিলি স্থল বন্দর দিয়েও কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে। এ বন্দরের কোয়ারেনটাইন অফিসের উপ পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন জানান, ৫ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত হিলি বন্দর দিয়ে ১৩১ দশমিক ১১০ টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে।

প্রতি টনের আমদানি মূল্য আড়াই’শ ডলার বলে তিনি জানান। এদিকে পশ্চিমের জেলা গুলোতে বৃষ্টির কারণে মরিচ গাছে পচন ধরেছে। এছাড়াও ফুলফল পচে যাওয়ায় মরিচের উৎপাদন ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে। ফলে বাজারে মরিচের দাম চড়ে গেছে। মাস খানেক ধরে কাঁচা মরিচের দাম চড়ছে। পশ্চিমের জেলা গুলোতে খুচরা প্রতি কেজি দুশো টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা যায়, যশোর জেলায় রবি মৌসুমে ৭৬০ হেক্টরে, ঝিনাইদহ জেলায় ১ হাজার ৩৫৫ হেক্টরে, মাগুরা জেলায় ২১১ হেক্টরে, কুষ্টিয়া জেলায় ১ হাজার ২৭০ হেক্টরে ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৩৮৭ হেক্টরে মরিচের চাষ হয়। এখন শেষ অবস্থায় মরিচের উৎপাদন একবারে কমে গেছে। নতুন করে মরিচ লাগানো হচ্ছে। ফলন শুরু হলে দাম কমবে।

তবে চাষিরা জানান, বৃষ্টির কারণে পানি জমে মরিচ গাছের গোঁড়া পচে গাছ মরে যাচ্ছে। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের চাষি হানেফ আলি শেখ জানান, তার ১০ শতক জমিতে মরিচ আছে। গাছের গোঁড়ার ছাল পচে গাছ মরে গেছে। সামান্য কয়েকটি গাছ বেঁচে আছে। এক সপ্তাহ আগেও যেখানে এক মন মরিচ ধরত, এখন সেখানে মাত্র ৫ কেজি মরিচ হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক চণ্ডিদাস কুণ্ডু বলেন, বৃষ্টির কারণে মরিচ গাছ মরে গেছে। নতুন মরিচ উঠার পর দাম কমবে বলে তিনি আশা করেন।

source : Ittfaq

অর্থবছর শেষে সরকারের ব্যাংক ঋণ বেড়েছে

সঞ্চয়পত্র থেকে সরকার অর্থ পাওয়ায় গেল ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে পুরো সময়ে ব্যাংকমুখী হয়নি সরকার। উল্টো ব্যাংক ঋণের একটা অংশ পরিশোধও করেছিল সরকার। তবে অর্থবছরের শেষে এসে ব্যাংক থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে। ফলে অর্থবছর শেষে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯২৬ কোটি টাকা। আর মোট ব্যাংক ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুন পর্যন্ত সরকারের মোট ব্যাংকঋণের স্থিতি ছিল ৮৯ হাজার ৭১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুন শেষে সামান্য বেড়ে হয়েছে ৯০ হাজার ৬৪২ কোটি ছয় লাখ টাকা। সেই হিসাবে সদ্যঃসমাপ্ত অর্থবছরে সরকারের নিট ব্যাংকঋণ বেড়েছে ৯২৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বা এক দশমিক ০৬ শতাংশ। তবে এই সময়ে সরকারের ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮ হাজার ২০৩ কোটি টাকা। পরে অর্থবছরের শেষ দিকে এই লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন করে ১৯ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা করা হয়। কিন্তু এই পরিমাণ ঋণেরও প্রয়োজন পড়েনি সরকারের। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ পর্যন্ত ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের নেওয়া ঋণের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ২৩ হাজার ৬৭৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ৬৬ হাজার ৯৬৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে সরকারের।

সাধারণত ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকার বেশি ঋণ নিলে বেসরকারি খাত নিরুত্সাহিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ জন্য অর্থনীতিবিদরা বরাবরই সরকারকে ব্যাংক থেকে যতটা সম্ভব কম ঋণ নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে বিদায়ী অর্থবছরে অতিমাত্রায় সঞ্চয়পত্র বিক্রি ও বৈদেশিক খাত থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা আসায় সরকারের ব্যাংক ঋণনির্ভরতা কমেছে। এ ছাড়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) শতভাগ বাস্তবায়ন না হওয়ায় ঘাটতি অর্থায়নও কম হয়েছে। ব্যাংকের বাইরে জাতীয় সঞ্চয় স্কিমগুলোসহ অন্যান্য উত্স থেকে ঋণ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়ার কথা ছিল ৩০ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। তবে সংশোধিত বাজেটে সঞ্চয়পত্রের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৪৪ হাজার কোটি টাকা করা হয়। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসেই নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৪৩ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে বৈদেশিক সহায়তা এসেছে ২৫ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা; যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ।

এদিকে সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরের পুরো সময়ে এক লাখ ৫৭ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকার সংশোধিত এডিপির মধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে এক লাখ ৪৭ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা। বাস্তবায়নের হার ৯৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরেও সরকারকে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে কোনো ঋণ করতে হয়নি। ওই অর্থবছরে মূল বাজেটে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩৮ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা। তবে সঞ্চয়পত্র বিক্রি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ চাহিদা কম হওয়ায় সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ৩১ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা। অর্থবছরের শুরুতে সরকার কিছু ঋণ করলেও পরে তা শোধ করায় অর্থবছর শেষে তা ঋণাত্মক ধারায় নেমে আসে। ওই অর্থবছরে সরকার আগের ঋণ থেকে ১৭ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা পরিশোধ করে। যদিও ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে প্রায় চার হাজার ৩২৬ কোটি টাকার ঋণ নিতে হয়েছিল সরকার।

source : Ittfaq

Gold buying picks up in India on low prices

Demand for physical gold in India picked up this week as prices fell to a five-month low, but buyers in other major centres in Asia awaited a bigger correction before placing orders, traders and analysts said. “In last few days the rupee and international prices are moving in favour of buyers. Jewellers are placing orders,” said a Mumbai-based dealer with a private gold-importing bank. The rupee rose to its highest in a fortnight on Friday, rebounding from last month’s record low. In the Indian market, gold futures were trading around 30,096 rupees per 10 grams, after falling to 30,072 rupees earlier in the day, the lowest level since February 14. Dealers in India were charging a premium of up to $1.5 an ounce over official domestic prices this week, unchanged from the last week.

The domestic price includes a 10 percent import tax. “Prices have come down but the correction is not attracting investment demand. Prices need to fall to 28,000 rupees to bring back investors,” said Bachhraj Bamalwa, a bullion dealer based in the eastern city of Kolkata. India’s gold imports fell for a sixth month in June to 44 tonnes as a drop in the rupee to record lows lifted local prices to a near 21-month high, curtailing demand. Imports in July could rise to 60 tonnes if prices remain at current levels, the dealer at the private bank said. In top consumer China, premiums of $1-$4 an ounce were being charged over the international benchmark versus $2-$5 an ounce last week, Reuters reported. “The weak yuan is affecting demand ... Other investment areas are more favourable than gold, especially amidst a trend of higher interest rates,” said Ronald Leung, chief dealer at Lee Cheong Gold Dealers in Hong Kong. Premiums in Hong Kong were between 60 cents and $1.30, mostly unchanged from last week.

In Singapore, premiums were quoted between 80 cents and $1.50, compared with 50 cents-$1 last week. “Suppliers are trying to compensate for the low volumes by increasing their premium,” said Joshua Rotbart, managing partner at J. Rotbart & Co in Hong Kong. Spot gold prices were down 1.0 per cent so far this week. “Physical markets in Asia have been a little underwhelming ... There was a bit of buying action below $1,250 but that hasn’t maintained,” said Cameron Alexander, an analyst with Thomson Reuters-owned metals consultancy GFMS. “Investors may be looking for another leg down which is still surprising given that we have seen the (Sino-U.S.) trade war only ramping up.” In Tokyo, premiums were unchanged at around 50 cents.

source : Financial Express

Chinese company to invest $2.3b in steel plant

Chinese steel giant Kunming Iron and Steel Holding Company (KISC) is all set to invest US$ 2.3 billion in a steel manufacturing project in Mirersarai. A delegation of the KISC led by its chairman Zhao Yongping is scheduled to arrive in Dhaka tomorrow (Monday). The delegation will hold final negotiations with senior officials of the government and Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA), people familiar with the development told the FE on Saturday. This will be the largest investment in manufacturing sector in the country. KISC will make the investment through its subsidiary company Chinese Yunnan Yongle Overseas Investment Co Limited.

The company aims to produce 2.0-million-tonnes integrated iron and steel production annually. A consortium of 17 private players named Star Infrastructure Development Consortium Limited is acting as the local partner of Kunming. Seventeen reputed companies including Nitol group, Unique Group and BSRM, have joined hands to form the consortium. Kunming completed its feasibility study for site selection last month. They were given two options-Mirersarai or Maheshkhali to establish the plant. As water supply to the plant will be tough on the Maheshkhali Island, they are likely to opt for Mirersarai site that is situated near Bamunsundar canal, the people said.

When contacted, BEZA executive chairman Paban Chowdhury said the investment from the Kunming Group is almost certain. "This will be a game changer for us. In the context of the US tariff restrictions on Chinese steel, we are expecting more Chinese investment in the country," he said. About the key issues to be negotiated with the Kunming, he said, they may seek consistent policy support and assurances of utility supply, which the authorities are ready to provide. "We will offer competitive incentive package, one stop service, promote and protect investment in economic zone for them as per our policy," he added. Last November, two Memorandums of understandings (MoUs) were signed between the BEZA, Chinese Yunnan Yongle Overseas Investment Co Limited and Bangladeshi Star Infrastructure Development Consortium Limited to steer ahead the project.

A coal-fired 167 mw power plant, transfer platform in deep sea and private jetty, device and machine manufacture, logistics and distributions, cement and building materials and steel structure fabrication will be developed under the project. About the project, Abdul Matlub Ahmed, Chairman of Star Infrastructure Development Ltd, said, "It's one of the largest FDI projects in Bangladesh." "I hope this investment will help to create new job opportunities, decrease import of steel in Bangladesh," said Mr Ahmad, a former president of the Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI). BEZA will give 1,000 acres of land for the project at a rate of Tk 4.8 million per acre. The project will create jobs for 30,000 people, an official said.

source : Financial Express

টানা চতুর্থবার জাতীয় রপ্তানিতে স্বর্ণপদক পাচ্ছে প্যাসিফিক জিন্স

দেশের জাতীয় রপ্তানিতে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে টানা চতুর্থবারের মতো স্বর্ণপদক পেতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে অবস্থিত প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সাল জিন্স। এ ছাড়া একই ক্যাটাগরিতে রৌপ্যপদকও পাচ্ছে জিন্স রপ্তানিতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই কম্পানিটির আরেক প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক জিন্স। আজ রবিবার সকাল ১১টায় ঢাকার ওসমানী মিলনায়তনে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এই ট্রফি প্রদান করবেন। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্র জানায়, ইপিজেডভুক্ত শতভাগ বাংলাদেশি মালিকানাধীন (সি ক্যাটাগরি) তৈরি পোশাক শিল্প ওভেন ও নিটওয়্যার পণ্য খাতে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে জাতীয় রপ্তানিতে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ইউনিভার্সাল জিন্স। দ্বিতীয় স্থান লাভ করে একই গ্রুপের প্যাসিফিক জিন্স। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে অবশ্য একই ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ অর্জন করেছিল প্যাসিফিক জিন্সের তিনটি প্রতিষ্ঠান।

জাতীয় স্বীকৃতি পাওয়া প্রসঙ্গে প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে এই অর্জন আসলে একটা দলীয় প্রচেষ্টার ফসল। এটা অবশ্যই একটা বড় অনুপ্রেরণা। কারণ এ ধরনের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আপনার পরিশ্রমকে মূল্যায়ন করে তখন অবশ্যই আপনি আরো সম্মানিত বোধ করবেন এবং আরো বেশি কাজ করার উৎসাহ পাবেন। যেকোনো স্বীকৃতি আপনাকে পরের ধাপে নিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়।’ তিনি বলেন, ‘তৈরি পোশাক খাত ২০১৩ সাল থেকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বর্তমানে সেটা অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে পেরেছে। বিশেষ করে অগ্নিনিরাপত্তা, ভবন নিরাপত্তা এবং পোশাক শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ বিবেচনা করলে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোলমডেল। এটাকে পুঁজি করে নতুন পণ্য, নতুন বাজার ও ভ্যালু অ্যাডেড পণ্য নিয়ে এগোতে পারলে আমাদের সম্ভাবনা অনেক উজ্জ্বল।’

source : kalar kontho

রাজস্ব ফাঁকি রোধে এবার শুরু থেকেই ব্যবস্থা

ন্যূনতম ৫০ লাখ টাকা বকেয়া আছে, এমন করদাতাদের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) তলব করা হবে। নির্ধারিত সময়ে উেস কর না দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় ও সঞ্চয়ের হিসাব খতিয়ে দেখা হবে। ৩০ লাখ টাকা বা তার বেশি ভ্যাট অনলাইনে পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সব কার্যক্রম নিবিড়ভাবে নজরদারি করা হবে। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি আইনের আওতায় আসতে এনবিআর থেকে আহ্বান জানানোর পরও না এলে, অবশ্যই তার যথাযথ কারণ জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য দিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। চট্টগ্রাম বন্দরসহ বিভিন্ন বন্দরে নজরদারি বাড়াতে হবে। বকেয়া আদায়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এনবিআরে চিঠি পাঠিয়ে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এসব নির্দেশ বাস্তবায়নে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। এনবিআর চেয়ারম্যানের দপ্তরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ চিঠি গত বৃহস্পতিবার গ্রহণ করা হয়। এসব নির্দেশ সামনে রেখে গত রবিবার এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এনবিআরের আয়কর, ভ্যাট, শুল্ক শাখার তিন সদস্য, এনবিআর তিন গোয়েন্দা শাখার প্রতিনিধিদের নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক করেন। বৈঠকে বকেয়া আদায়ে এসব নির্দেশনার পাশপাশি আরো নতুন নতুন কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া বিদায়ী অর্থবছরে কার্যকর হওয়া বিভিন্ন কৌশল চলতিবারেও অব্যাহত থাকবে। এনবিআরে পাঠানো অর্থ মন্ত্রালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, অর্থবছরের শেষ সময়ে লক্ষ্যমাত্রায় ঘাটতি দেখা দিলে এনবিআরকে রাজস্ব ফাঁকিবাজদের কাছ থেকে বকেয়া আদায়ে বেশি নজর দিতে দেখা যায়। বহুদিনের এ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অর্থবছরের শুরু থেকে এ বিষয়ে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নের স্বার্থে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হবে। দেশের উন্নয়নে সরকারের গ্রহণ করা প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে। এ জন্য নিয়মিত আদায়ের সঙ্গে বকেয়া আদায়ে কঠোর হতে হবে। নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে রাজস্ব ফাঁকিবাজদের কাছ থেকে হিসাবমতো আদায় করতে হবে।

কোনো রাজস্ব দপ্তর লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হলে জবাবদিহি করতে নির্দেশ দেওয়া হয় চিঠিতে। আয়কর খাতে বকেয়া আদায়ে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের কর কমিশনারের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি রাজস্ব ফাঁকিবাজ ব্যক্তিকে তলবের পর জিজ্ঞাসাবাদ করবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের কর কমিশনার প্রয়োজনে এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা শাখা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের (সিআইসি) মহাপরিচালক বরাবর চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি জানাবেন। মহাপরিচালক জিজ্ঞাসাবাদের গুরুত্ব বিবেচনায় এনবিআর চেয়ারম্যানের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলে সিআইসির এক বা একাধিক প্রতিনিধি পাঠাবেন। তাঁদের উপস্থিতিতে রাজস্ব ফাঁকিবাজ করদাতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের কর্মকর্তারা আয়-ব্যয় ও সঞ্চয় সম্পর্কিত তথ্য খতিয়ে দেখবেন। তবে দীর্ঘদিনের কর ফাঁকিবাজের ক্ষেত্রে সিআইসি সব হিসাব যাচাই করবে। বছরের পর বছর নিষ্পত্তি না হওয়া মামলায় বড় অঙ্কের রাজস্ব অনাদায়ী আছে। চলতি বছর এনবিআরের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে এসব মামলার মধ্যে যেসব বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি আইনে নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব, তা চিহ্নিত করবে। বিকল্প বিরোধ আইনে মামলা নিষ্পত্তিতে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের যথাযথ কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানাতে হবে। ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি আইনের আওতায় না এলে তার যথাযথ কারণ এনবিআরকে জানাতে বলা হবে। এ ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য দিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে অডিটের আওতায় আনা হবে। তদন্তে আয়-ব্যয়ে মিথ্যা তথ্য ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কর আদায়ের নিরাপদ খাত হওয়ায় এনবিআরের উেস করে নির্ভরতা বাড়ছে।

গড়ে আয়কর খাতের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ উেস কর থেকে আদায় করা হয়। গত বারের আগের অর্থবছরে ৬৪ হাজার ২৮ কোটি টাকার আয়কর আদায়ে ৩৩ হাজার ৯২৪ কোটি টাকা উেস কর থেকে পাওয়া যায়। অনেকে রিটার্ন দাখিল না করে বা মিথ্যা তথ্যে রিটার্ন জমা দিয়ে উেস করে ফাঁকি দিয়ে থাকে। চলতিবারে উেস কর পরিশোধে সংশ্লিষ্টদের বাধ্য করতে নিবিড় নজরদারি করা হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান উেস কর প্রদান করে না তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অডিট করা হবে। বর্তমানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও ব্যাংক আমানতের সুদ আয়, সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশনে প্রচারিত বিজ্ঞাপন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে কারিগরি সেবা প্রদানকারী বা সেবা সরবরাহকারী এজন্টের ফি, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, ঠিকাদারের ফিসহ ৫৬ খাত থেকে উেস কর আদায় করা হয়। আয়-ব্যয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অনেক বড় ও মাঝারি মাপের প্রতিষ্ঠান প্যাকেজ ভ্যাটের আওতায় নামমাত্র রাজস্ব পরিশোধ করে থাকে। এসব প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করতে সঠিক হিসাবে আদায়ে ভ্যাট গোয়েন্দাদের নজরদারি বাড়াতে বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হয়। হঠাৎ উপস্থিত হয়ে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের বেচাকেনার তথ্য যাচাই করতে বলা হয়।

একইভাবে মিথ্যা ঘোষণায় বা চোরাই পথে পণ্য এনে বাজারে বিক্রি করছে, এমন পণ্য আটকে এবং দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করতে বলা হয়। বিশেষভাবে হুন্ডি পাচারকারীদের আটকে আরো বেশি অভিযান পরিচালনায় নির্দেশ দেওয়া হয়। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সহিদুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নতুন অর্থবছরের শুরুতেই বকেয়া আদায়ে এবং রাজস্ব ফাঁকিবাজদের আটকাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কর্মপরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব বাস্তবায়নে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতবারের চেয়ে আরো কঠোর এবং নিবিড়ভাবে কর্মকর্তারা কাজ করবেন।’

source : kalar kontho

ভারতে রপ্তানির জন্য আট হাজার টনের দুটি জাহাজ বানাল ওয়েস্টার্ন মেরিন

আট হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার দুটি জাহাজ বানাল ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। ভারতে রপ্তানির জন্য জাহাজগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। ভারতের জে এস ডাব্লিউ জয়গড় পোর্ট লিমিটেড এই জাহাজ দুটির ক্রেতা। গতকাল শনিবার জাহাজ দুটি সফলভাবে পানিতে ভাসানো হয়। জাহাজ দুটি ১২২ দশমিক ২৫ মিটার (৪০১ ফুট) দীর্ঘ। ক্লাসিফিকেশন সোসাইটি ইন্ডিয়ান রেজিস্ট্রার অব শিপিংয়ের (আইআরএস) তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়েছে জাহাজগুলো। পরিপূর্ণ নির্মাণকাজ শেষে জাহাজগুলো ভারত মহাসগরে চলাচল করবে। জাহাজ দুটির নামকরণ করা হয়েছে জে এস ডাব্লিউ সিংহগড় ও জে এস ডাব্লিউ লৌহগড়। জানা গেছে, এর আগে দেশে ছয় হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি জাহাজ নির্মাণ করেছিল আনন্দ শিপইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ। জাহাজ দুটি পানিতে ভাসানো উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন জাহাজ নির্মাণশিল্পের বর্তমান অবস্থা, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিগত বছরগুলোতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই শিল্পের অর্জন ও অবদানের কথা তুলে ধরেন। এ সময় ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের চেয়ারম্যান সায়ফুল ইসলাম বলেন, ওয়েস্টার্ন মেরিন বিশ্ববাজারে একটি ব্র্যান্ড। ভবিষ্যতে আমরা আরো অধিক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ নির্মাণ ও সারা বিশ্বে রপ্তানি করতে সক্ষম হব।

source : kalar kontho

ইস্পাতশিল্পে বড় বিনিয়োগ আসছে

চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কুনমিং আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানি লিমিটেড বাংলাদেশের ইস্পাতশিল্পে ২৩০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা। এ অর্থ ব্যয়ে তারা বছরে ২০ লাখ টন উৎপাদনক্ষমতার একটি স্টিল মিল প্রতিষ্ঠা করবে। এ জন্য বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) কুনমিং স্টিলকে প্রায় ১ হাজার একর জমি ইজারা দিচ্ছে। বিশাল এই বিনিয়োগ চূড়ান্ত করতে কুনমিং স্টিলের একটি প্রতিনিধিদল সোমবার ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। পাঁচ দিনের সফরে তারা বেজাসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করবে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে তারা এ বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা শেষ করেছে। বিনিয়োগটি হবে চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে। কুনমিং স্টিল চীনের ইস্পাত খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে তাদের রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪৬০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার সমান। বছরে তাদের রাজস্ব আয় ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে। বাংলাদেশে প্রস্তাবিত প্রকল্পে কুনমিং স্টিল ২০ লাখ টন ক্ষমতার ইস্পাত কারখানার পাশাপাশি একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিমেন্ট ও নির্মাণ উপকরণ এবং যন্ত্র উৎপাদন কারখানা ইত্যাদি তৈরি করতে চায়।

কুনমিং স্টিলের এ বিনিয়োগে বাংলাদেশি অংশীদার হিসেবে থাকছে ১৭টি কোম্পানির জোট স্টার কনসোর্টিয়াম। এ কনসোর্টিয়ামের চেয়ারম্যান নিটল নিলয় গ্রুপের আবদুল মাতলুব আহমাদ। এ ছাড়া এ কনসোর্টিয়ামের পরিচালক হিসেবে বিএসআরএম গ্রুপ অব কোম্পানিজের আলীহোসেন আকবরআলী, ইউনিক গ্রুপের মোহাম্মদ নূর আলী, মিডকোবিডির আশরাফুল হক চৌধুরী, পেডরোলো এন কে লিমিডেটের মোহাম্মদ নাদের খান, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের নুরুল আকতার, ইমপ্রেস গ্রুপের জহিরুদ্দিন মাহমুদ, জিপিএইচ গ্রুপের জাহাঙ্গীর আলম, ইনোভেঞ্চার প্রাইভেট লিমিটেডের চৌধুরী নাফিজ সরাফত, এম আলম গ্রুপের মাহবুবুল আলম, দেশ এনার্জির নাভিদুল হক প্রমুখ রয়েছেন। কুনমিং স্টিল বিনিয়োগের জন্য জমি পেতে গত নভেম্বরে বেজার সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি সই করে। এরপর তারা সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা শুরু করে। জানতে চাইলে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘কুনমিং স্টিল মিরসরাই অথবা মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চলে জমি চেয়েছে।

আমরা মিরসরাইয়ে দেওয়ার চিন্তা করছি। কারণ, সেখানে জমি আগে প্রস্তুত হবে।’ তিনি বলেন, ইস্পাত খাতে এটি একটি ভালো বিনিয়োগ হবে। উল্লেখ্য, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি দেশের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক অঞ্চল। এর আয়তন দাঁড়াবে প্রায় ৩০ হাজার একর। ইতিমধ্যে সেখানে কিছু প্রতিষ্ঠানকে জমি বরাদ্দ দিয়েছে বেজা। এ অর্থনৈতিক অঞ্চলে মোট ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগের প্রস্তাব পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। কুনমিং স্টিল বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে তাদের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউনান ইয়ংলি ওভারসিজ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান উ ইউকুনের সোমবার বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। বেজা জানায়, এ সফরে তাদের সঙ্গে প্রকল্পের অগ্রগতি, কাঠামোগত বিনিয়োগ চুক্তি, চুক্তির আইনি মর্যাদা, বাংলাদেশি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে অংশীদারি, বিদ্যুৎ সরবরাহ, জেটি নির্মাণের অনুমোদন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হবে। কুনমিং স্টিল তাদের কারখানার কাজ ২০২২ সালের মধ্যে শেষ করে উৎপাদনে যেতে চায় বলে জানিয়েছে বেজা। বর্তমানে দেশের ছোট-বড় আড়াই শ মিলের ইস্পাত পণ্য উৎপাদনক্ষমতা প্রায় ৯০ লাখ টন। বিপরীতে বছরে চাহিদা ৬০ লাখ টনের মতো। কুনমিং স্টিল ২০ লাখ টন ক্ষমতা নিয়ে উৎপাদনে এলে দেশের ইস্পাত খাতের সক্ষমতা আরও বাড়বে।

source : prothom-alo