×
News Details
Dollar hits six-month peak against yen

The dollar rose across the board on Wednesday, climbing to a six-month high against the yen, after Federal Reserve Chairman Jerome Powell gave an upbeat outlook for the US economy. In closely watched congressional testimony on Tuesday, Powell said he saw the United States on course for years more of steady growth, while largely discounting the risks associated with a trade war. The dollar was up 0.05 per cent at 112.955 yen JPY= after going as high as 113.08, its strongest since January 9. The euro dipped 0.05 per cent to $1.1653 EUR= after losing 0.4 per cent overnight, reports Reuters. An easing of risk aversion was reflected on Wall Street, which rose overnight and supported Asian stocks on Wednesday after Powell’s optimistic analysis of the US economy.

The 10-year Treasury yield firmed this week but it has been on a steady decline from a seven-year high above 3 per cent set in May. The two-year Treasury yield, most sensitive to the market’s views on changes in Fed policy, has risen to a decade-high. The pound was little changed at $1.3110 GBP=D3 after slipping 1.0 per cent the previous day. The dollar index against a basket of six major currencies edged up by 0.1 per cent to 95.038, after rising roughly 0.5 per cent the previous day. The Australian dollar was a shade lower at $0.7384 AUD=D3, extending the retreat from Tuesday when it lost 0.45 per cent against a broadly stronger greenback.

source : Financial Express

US wants B'desh to withdraw cotton import restrictions

American cotton industry leaders have called for lifting the age-old fumigation rules on the import of US commodity in Bangladesh. Fumigation not only imposes an additional cost burden on the importers and spinners of Bangladesh but also results in increased lead time, they said. "It is time to review the unfair restrictions like fumigation on the import of US cotton in Bangladesh," said Raymond Faus, who is the president of American Cotton Shippers Association (ACSA). "Only US cotton is subject to fumigation in Bangladesh, allegedly to prevent boll weevil but that boll weevil has been eradicated from the US long ago," he added. Mr Faus was a number of a US delegation who was in Dhaka recently on the occasion of the Cotton Day. During their stay in the capital, the delegation sat in an interview with a select group of journalists. Insiders noted that fumigation rule was enacted way back in the late 1960s to "protect Pakistani cotton against competition from the US cotton". "However, this rule is no more relevant in the context of Bangladesh as this country is not a major cotton producer and depends heavily on imported cotton anyway," said Sabbir Ahmed Chowdhury, Programme Representative of Cotton Council International in Bangladesh.

With more than seven million bales of import last year, Bangladesh is the largest cotton importer in the world. The United States, on the other hand, is the world's largest exporter of cotton. However, US has a small share in this huge Bangladeshi cotton market as the later is overwhelmingly dependent on Indian cotton for feeding its readymade garment industry. "US cotton, however, can become a bigger source of high quality, reliable cotton in Bangladesh if a level playing field can be created," said William R. Bettendorf, Director of Cotton Council International. "And for that, it is necessary to remove those unnecessary restrictions like fumigation," he added. Apart from fumigation process, the US cotton industry leaders also noted phytosanitary requirement is a major hurdle for the import of cotton in the country.

"Almost no other cotton importing countries including China or Vietnam have that phytosanitary requirement," Bettendorf noted. In addition, US cotton industry insiders also identified the distance between the two countries and the congestion at the Chittagong port as major hurdles for increasing US cotton shipment in Bangladesh. "Long transit time coupled with the congestion at the Chittagong port increases the cost while also creating much more exposure to price volatility," said Mr Faus, who is also the CEO of US cotton giant Omnicotton. Despite such obstacles, cotton producers from the United States observed that compared to other major exporters, the US can provide a more reliable and quality supply for the local spinners. "Cotton from the United States is machine picked, it is contamination-free and it can also provide a more reliable supply," he said. "Also, the US cotton is independently classed by the US Department of Agriculture.

So, it is more reliable in terms of quality and characteristics," said Tim G North, who is the CEO of ECOM USA. "Even India, which is the biggest source of cotton for Bangladesh, imports most of its cotton from the US," said Bettendorf. China has recently imposed 25 per cent retaliatory duty on the import of cotton from the US as part of, what has been termed, the 'trade war' between the two countries. Reflecting on this, the US cotton industry insiders said that the move might result in slight changes in the trade flow of cotton across the world. "Probably, we are going to see US cotton going to other countries like South Korea or Bangladesh in a larger volume as a result of this move," Mr Faus said. "At the same time, other sources of cotton like Australia or Brazil may now head back to China," he added.

source : Financial Express

শ্রীমঙ্গলে চায়ের তৃতীয় নিলাম, ১৮ লাখ কেজি চা উত্তোলন

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের তৃতীয় নিলাম। আজ সোমবার টি ট্রেডার্স অ্যান্ড প্লান্টারস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনায় শ্রীমঙ্গলের চা নিলাম কেন্দ্রে এ নিলামে চা উত্তোলন হয়েছে ১৮ লাখ কেজি; যা প্রথম চা নিলাম থেকে প্রায় সাড়ে তিন গুণ বেশি। টি ট্রেডার্স অ্যান্ড প্লান্টারস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের আহ্বায়ক এ কে এম আবদুল মোমেন প্রথম আলোকে বলেন, সকাল আটটা থেকে শ্রীমঙ্গলে চা নিলামে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অর্ধশতাধিক বায়ার ও সাতটি ব্রোকার হাউস অংশ নেয়।

আজকের নিলামে উত্তোলন করা হয় ১৮ লাখ ৪ হাজার কেজি। আবদুল মোমেন বলেন, চায়ের প্রথম নিলামে চা উঠে ৫ লাখ ৫৭ হাজার কেজি, দ্বিতীয় নিলামে ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৬৫০ কেজি। পর পর তিনটি নিলাম সফলভাবে সম্পন্ন করায় আজ দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে টি ট্রেডার্স অ্যান্ড প্লান্টারস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা সফলতার সঙ্গে চা নিলাম এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও চা নিলাম পরিচালনাকারী টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

চা নিলামকেন্দ্রটি এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চট্টগ্রামের সঙ্গে সিলেটের আরও একটি ট্রেন চালু করা ও বর্তমানে চালু উদয়ন ও পাহাড়িকা ট্রেনের আরও দুটি এসি কম্পার্টমেন্ট সংযোজন করার দাবি জানান। আগস্ট থেকে দুটি করে অকশন করার ব্যাপারেও আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আজকের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টি ট্রেডার্স অ্যান্ড প্লান্টারস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের সদস্যসচিব জহর তরফদার, সিনিয়র সদস্য সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, চা-বাগান মালিক সৈয়দ মনসুরুল হক, নুরুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।

source : prothom-alo

বিজিবি চেকপোস্ট সরানোর দাবিতে কাজ বন্ধ রেখেছে সব সংগঠন

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর কাস্টমস এলাকা থেকে বিজিবি চেকপোস্ট না সরানো পর্যন্ত বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ সব সংগঠন। এতে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে বন্দরের যাবতীয় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। ভোমরা স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দেলোয়ার বলেন, সম্প্রতি বেনাপোল স্থলবন্দর কাস্টমস এলাকায় বিজিবির চেকপোস্ট বসানো ও তাদের হস্তক্ষেপের কারণে সেখানকার সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ বন্দরের সব সংগঠন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখে।

গতকাল সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বেনাপোল কাস্টমস এলাকা থেকে বিজিবির চেকপোস্ট সরানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ বন্দরের সব সংগঠন আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। নওশাদ দেলোয়ার জানান, তাঁদের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ভোমরা কাস্টমস কর্তৃপক্ষও একাত্মতা প্রকাশ করেছে। ভোমরা স্থলবন্দর কাস্টমসের সহকারী কমিশনার সাগর সেন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

source : prothom-alo

তেলের দাম হঠাৎ কমতে শুরু করেছে

তেলের দাম বাড়তে বাড়তে হঠাৎ করেই কমতে শুরু করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন জরুরি ব্যবস্থা নিচ্ছে, বাজারে এই গুজব ছড়িয়ে পড়লে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম সোমবার ৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৭ দশমিক ৫৮ ডলারে নেমে আসে। ১০ জুলাই মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৭৪ দশমিক ১১ ডলার। দাম কমতে শুরু করায় এক সপ্তাহেরও কম সময়ে তেলের দাম ৯ শতাংশ পড়ে যায়। তেলবিষয়ক গবেষণা সংস্থা সোসাইট জেনারেলের প্রধান মাইকেল উইটনার বলেছেন, ‘মানুষের মনোভাব কত দ্রুত বদলায় বা এই বাজার কতটা অস্থির, এ ঘটনায় তা বোঝা গেল।’ অন্যদিকে বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে যাতে তেলের ঘাটতি তৈরি না হয়, সে জন্য সৌদি আরব ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাল্লা দিয়ে তেলের উৎপাদন বাড়াচ্ছে, এই খবর বাজারে ছড়িয়ে পড়ায় তেলের দাম পড়ে গেছে। গত শুক্রবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন এক বিরল পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে। সেটা হলো, তিনি নাকি আপৎকালীন তেলের মজুত ছেড়ে দেওয়ার জন্য অন্যান্য পশ্চিমা দেশের সঙ্গে জোট বাঁধছেন। তারা আরও জানায়, এক্ষুনি যে সে রকম কিছু ঘটবে, তা নয়।

ওপেককে দিয়ে তেলের উৎপাদন বাড়ানোর যে চেষ্টা করা হচ্ছে, তা ব্যর্থ হলেই কেবল ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ আলোর মুখ দেখবে। হারিকেন হারভের পর যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয় কৌশলগত তেলের মজুত ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু তারা এ ব্যাপারে মন্তব্য করেনি। এমনকি হোয়াইট হাউসও এ নিয়ে কিছু বলেনি। তেলের উচ্চমূল্যের জন্য ট্রাম্প সব সময় ওপেকের সমালোচনা করেছেন। বিশ্বের পঞ্চম সর্বোচ্চ তেল উৎপাদক ইরানের ব্যাপারে তাঁর কঠোর অবস্থান সত্ত্বেও তিনি ওপেককে ছাড়ার পাত্র নন। বিপি ক্যাপিটালের পোর্টফোলিও ম্যানেজার বেন কুক বলেন, ট্রাম্প অপরিশোধিত তেলের দাম জোর করে কমানোর চেষ্টা করছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনি এমনটা করছেন। আরবিসি ক্যাপিটাল মার্কেটের পরিচালক মাইকেল ট্র্যানের সন্দেহ, আপৎকালীন মজুতে হাত দেওয়া প্রয়োজনীয়, এতে কাজও হতে পারে। তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিশোধনাগারগুলো ইতিমধ্যে ‘অনেক বেশি’ উৎপাদন করছে।

ফলে বেশি পরিমাণ তেলকে গ্যাসোলিনে রূপান্তরিত করার সুযোগ কম। তিনি মনে করেন, এটা অতটা কার্যকর নয়। এদিকে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন ওপেক ও রাশিয়া গত মাসে তেলের উৎপাদন বাড়াতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু তাতে তেলের দাম কমেনি। বস্তুত, তেলের মহাজনেরা যুক্তি দিচ্ছেন যে এখন বাজারে অতিরিক্ত তেল ছাড়া হলে ভবিষ্যতে তেলের স্বল্পতা মোকাবিলায় সৌদি আরবের তেমন কিছু করার থাকবে না। সোমবার তেলের দাম কমার আরেকটি কারণ হচ্ছে ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদন। তারা বলেছে, সৌদি আরব চুক্তির বাইরেও এশিয়ার কিছু ক্রেতার কাছে অপরিশোধিত তেল বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে। এতে বোঝা যায়, তেলের দাম বাড়তে না দিতে সৌদি আরব আগ্রাসী পদক্ষেপ নিচ্ছে। উইটনার বলেন, তারা ক্রেতাদের জানাচ্ছে, অপরিশোধিত তেল লাগলে তারা সেটার জোগান দিতে পারে।

source : prothom-alo

লবণে ঠকছেন শুধু ক্রেতা

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য লবণ কেনার ক্ষেত্রে ঠকছেন শুধু ক্রেতারা। এক কেজি লবণ বিক্রিতে খুচরা ব্যবসায়ীরা এখন ৯ থেকে ১০ টাকা মুনাফা করার সুযোগ পাচ্ছেন। লবণ বিপণনকারী কোম্পানিগুলোও আগের চেয়ে কম দামে অপরিশোধিত লবণ কিনতে পারছে। মধ্যস্বত্বভোগীরাও বাড়তি লাভের সুযোগ পাচ্ছেন। এদিকে এ বছরও চাহিদা অনুযায়ী দেশে অপরিশোধিত লবণ উৎপাদিত হয়নি। বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন (বিটিসি) তাদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে কর বাড়িয়ে লবণ আমদানি উন্মুক্ত করার সুপারিশ করেছে। বাজারে এখন সবচেয়ে উন্নত প্রক্রিয়া ভ্যাকুয়াম ইভাপোরেশন পদ্ধতিতে পরিশোধিত লবণের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) প্রতি কেজি ৩৬-৩৮ টাকা। অন্যদিকে সাধারণ লবণ ২৫ থেকে ২৮ টাকা দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। দুই বছর ধরে লবণের দর চড়া। এর আগে প্রতি কেজি ভালো মানের লবণ ২৫-২৮ টাকার মধ্যে ছিল। লবণের চড়া দামের কারণে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এ ছাড়া চামড়াসহ বিভিন্ন শিল্পে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে লবণের দামের কারণে। দেশে অপরিশোধিত লবণ উৎপাদনে ঘাটতি হলে প্রতিবছরই আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু বড়-ছোট সব মিল একই হারে আমদানির সুযোগ পায়।

আমদানির পর পরিশোধন করে ভোক্তাদের কাছে বিক্রির বদলে অপরিশোধিত অবস্থায় লবণ বড় মিলের কাছে বিক্রি করে দেন ছোট মিলের মালিকেরা। এতে ভোক্তারা কোনো সুফল পান না। জানতে চাইলে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ‘আমরা চাই লবণের বাজারে যাতে প্রতিযোগীর সংখ্যা বেশি থাকে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দাম যাতে কমে, সে পদক্ষেপ সরকারের নেওয়া উচিত।’ কেজিতে ১০ টাকা মুনাফা লবণ পরিশোধন করে বিপণনকারী একাধিক কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে ভালো মানের লবণ খুচরা বিক্রেতাদের কাছে প্রতি কেজি ২৮-২৯ টাকা দরে বিক্রি করছে তারা।

কিন্তু লবণের মোড়কে দাম লেখা থাকছে ৩৮ টাকা। ফলে খুচরা বিক্রেতারা এক কেজি লবণে ৯-১০ টাকা মুনাফা করার সুযোগ পাচ্ছেন। গত নভেম্বর থেকে মে সময়ে লবণ মৌসুম চলার সময় প্রতি ৮০ কেজির এক বস্তা অপরিশোধিত লবণ ৬৮০ টাকা পর্যন্ত নেমেছিল, যা মৌসুম শুরুর আগে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। অবশ্য মৌসুম শেষ হওয়ার পর এখন আবার লবণের দাম বেড়েছে। কোম্পানিগুলো জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের প্রতি বস্তা লবণ কিনতে ৮০০ টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে। মোড়কে লেখা খুচরা মূল্য না কমিয়ে ব্যবসায়ীদের বাড়তি লাভের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে কোম্পানিগুলোর বক্তব্য হলো, মৌসুম শেষেই অপরিশোধিত লবণের দাম বাড়তে থাকে। ফলে অল্প কিছুদিনের জন্য এমআরপি কমানো সম্ভব হয় না।

বারবার এমআরপির পরিবর্তন ব্র্যান্ডের জন্য ক্ষতিকর। উৎপাদন চাহিদার কম প্রতিবছর নভেম্বর থেকে মে পর্যন্ত লবণ উৎপাদন মৌসুম। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) হিসাবে, গত মৌসুমে অপরিশোধিত লবণ উৎপাদিত হয়েছে ১৪ লাখ ৯৪ হাজার টন। সরকারের হিসাবে, এ বছর লবণের চাহিদা ১৬ লাখ ২১ হাজার টন, যা ১০ শতাংশ প্রক্রিয়াকরণ ঘাটতি ধরে। ফলে চাহিদার চেয়ে লবণ উৎপাদন কম হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার টন। কিন্তু মিলমালিকেরা মনে করেন, ভ্যাকুয়াম ইভাপোরেশন পদ্ধতিতে লবণ উৎপাদনে প্রক্রিয়াকরণ ঘাটতি হয় ৪৬ শতাংশ। অবশ্য মেকানিক্যাল ও সনাতন পদ্ধতিতে পরিশোধনে ঘাটতি কম হয়। সব মিলিয়ে লবণের ঘাটতি গড়ে ৩০ শতাংশের মতো। ফলে অপরিশোধিত লবণের চাহিদা অনেক বেশি। গত বছর আড়াই লাখ টন ঘাটতির বিপরীতে আমদানি হয় পাঁচ লাখ টন। আমদানি উন্মুক্ত করার সুপারিশ দেশে ভোজ্য লবণ আমদানি নিষিদ্ধ। তবে উৎপাদনে ঘাটতি হলে সরকার আমদানির অনুমতি দেয়।

ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লবণ আমদানি নিষিদ্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সোডিয়াম সালফেটের (শিল্প লবণ) নামে সোডিয়াম ক্লোরাইড (ভোজ্য লবণ) আমদানি হচ্ছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। এ ছাড়া মিয়ানমার থেকে অপরিশোধিত লবণের অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য উৎসাহিত হচ্ছে। স্থানীয় অসাধু ব্যবসায়ীরা সোডিয়াম ক্লোরাইডের সঙ্গে সোডিয়াম সালফেট মিশিয়ে বাজারজাত করার ফলে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া কমিশনের প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে প্রতি কেজি লবণের উৎপাদন খরচ ৬ টাকা। বিপরীতে আমদানিতে ব্যয় ৫ টাকা ৭০ পয়সা। এ অবস্থায় কমিশন লবণ আমদানিতে মোট করভার ৮৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০৫ শতাংশ করে আমদানি উন্মুক্ত করার সুপারিশ করেছে। কমিশনের মতে, এতে দেশীয় চাষিরা সুরক্ষা পাবেন, পাশাপাশি অসাধু বাণিজ্য বন্ধ হবে। জানতে চাইলে পূবালী সল্টের স্বত্বাধিকারী পরিতোষ কান্তি সাহা বলেন, শুল্ক বাড়িয়ে আমদানি উন্মুক্ত করা হলে কৃষকেরা সুরক্ষা পাবেন। আবার লবণের দাম কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ২০ টাকায় নেমে আসবে। তিনি বলেন, এখন আমদানির অনুমতি কিনতে বিপুল অঙ্কের অর্থ বাণিজ্য হয়। সেটাও বন্ধ হবে।

source : prothom-alo

বিশ্বে গম উৎপাদন কমবে বাড়বে চাল ও সয়াবিন

কয়েকটি প্রবৃদ্ধিশীল বছর পার করার পর এ বছর বিশ্বে গম উৎপাদন কমবে। তবে সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় তা ঘাটতি তৈরি করবে না। সর্বশেষ পূর্বাভাসে এমনটি জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল গ্রেইনস কাউন্সিল (আইজিসি)। সংস্থার মতে, গম উৎপাদন কমলেও বাড়বে চাল, সয়াবিন ও ভুট্টা উৎপাদন। এর ফলে বাজার বরাবরের মতোই স্থিতিশীল থাকবে। সর্বশেষ পূর্বাভাসে আইজিসি জানায়, চলতি ২০১৮-১৯ শস্যবছরে বিশ্বে খাদ্যশস্য উৎপাদন হবে ২.০৮৮ বিলিয়ন টন, যা আগের বছরের ২.০৯৩ বিলিয়ন টনের চেয়ে কম। এর মধ্যে মানুষ মোট শস্য ভোগ করবে ২.১৩৯ বিলিয়ন টন, যা ২০১৭-১৮ বছরের চেয়ে কিছুটা বেশি। চলতি বছর খাদ্যশস্যের মজুদ থাকবে ৫৬০ মিলিয়ন টন, যা ২০১৭-১৮ মৌসুমের ৬১১ মিলিয়ন টনের চেয়ে কম। আইজিসি জানায়, ২০১৮-১৯ শস্যবছরে বৈশ্বিক গম উৎপাদন হবে ৭৩৯ মিলিয়ন টন, যা ২০১৭-১৮ বছরের ৭৫৮ মিলিয়ন টনের চেয়ে কম। তবে উৎপাদন কমলেও ভোগ বাড়বে। চলতি বছর গমের ভোগ হবে ৭৪৫ মিলিয়ন টন, যা এক বছর আগের ৭৪০ মিলিয়ন টনের চেয়ে কিছুটা বেশি। একই ধরণের পূর্বাভাষ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি সংস্থা (ইউএসডিএ)।

জুলাইয়ে প্রকাশিত সংস্থার সর্বশেষ পূর্বভাষে বলা হয়, এ বছর বিশ্বে গম উৎপাদন কমবে ৮.৪৩ মিলিয়ন টন। উৎপাদন হবে প্রায় ৭৩৬ মিলিয়ন টন। বড় রপ্তানিকারক অঞ্চল ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া, ইউক্রেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় গমের উৎপাদন কমায় বৈশ্বিক মজুদও কমে যাবে। এ বছর বৈশ্বিক মজুদ কমবে ৫.২৮ মিলিয়ন টন। খাদ্যশস্যের বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান মেকার্ডোর বিশ্লেষক অ্যান্দ্রো হোয়াইটলো বলেন, কয়েকটি প্রবৃদ্ধিশীল মৌসুম পার করার পর এ বছর বিশ্বে গমের উৎপাদন কিছুটা কমবে। যদিও বিশ্বজুড়ে ভোগ বাড়বে। আমরা দেখতে পাচ্ছি গত কয়েক বছরের মধ্যে বিশ্বে প্রথম মজুদ কমছে। যদিও এখনো পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য আছে। তিনি বলেন, রাশিয়ার খাদ্যশস্য উৎপাদন গত বছরের রেকর্ড উৎপাদনের চেয়ে এবার ১৫ শতাংশ কমে যাবে। এ বিষয়ে কমনওয়েলথ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার বিশ্লেষক টোবিন গোরেয় বলেন, বিশ্বে গমের মজুদ ১ শতাংশ কমবে। এতে সরবরাহও কিছুটা কমবে তবে এটা ঘাটতি নয়। তিনি বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি গমের দাম কিছুটা বাড়বে।

এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ান গমের দাম তুলনামূলক বেশি।’ আইজিসি পূর্বাভাসে জানায়, ২০১৮-১৯ শস্যবছরে সয়াবিন উৎপাদন হবে ৩৫৫ মিলিয়ন টন, যা আগের মৌসুমের চেয়ে বেশি। ২০১৭-১৮ মৌসুমে সয়াবিন উৎপাদনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল ৩৩৯ মিলিয়ন টন। চলতি মৌসুমে সয়াবিন ব্যবহার হবে ৩৫৭ মিলিয়ন টন, যা আগের বছরের ৩৪৭ মিলিয়ন টনের চেয়ে বেশি। ২০১৮-১৯ শস্যবছরে চাল উৎপাদন হবে ৪৯৩ মিলিয়ন টন, যা ২০১৭-১৮ বছরের ৪৮৬ মিলিয়ন টনের চেয়ে বেশি। এ বছর চালের ভোগও বেড়ে হবে ৪৯৩ মিলিয়ন টন। আগের বছর যা ছিল ৪৮৭ মিলিয়ন টন। সংস্থা জানায়, চলতি শস্যবছরে ভুট্টা উৎপাদন হবে ১.০৫৪ বিলিয়ন টন, যা আগের মৌসুমের চেয়ে ১.০৪৬ বিলিয়ন টনের চেয়ে বেশি। উইকলি টাইমস, ওয়ার্ল্ড গ্রেইন।

source : kalar kontho

ইলেকট্রনিক তালায় বাড়তি ব্যয় ৪৫০ কোটি টাকা

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বেসরকারি ডিপোতে আমদানি-রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনারে ‘ইলেকট্রনিক তালা’ লাগানোর আবারও উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর জোর দাবির মুখে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে কার্যক্রম স্থগিত করেছিল। গত ২৬ জুন নতুন করে এক আদেশ দিয়েছে এনবিআর। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো বলছে, নতুন আদেশের ফলে প্রতিটি কনটেইনারে প্রথমবার তালা লাগাতে (৪৮ ঘণ্টার জন্য) ৬০০ টাকা করে গুনতে হবে। এরপর প্রতি ঘণ্টার জন্য ৫০ টাকা বিল গুনতে হবে। এতে করে শত শত কোটি টাকার বাড়তি ব্যয় হবে। বন্দর ব্যবহারকারীরা জানান, এনবিআর ঘোষিত নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি কনটেইনারের একটি করে এই ইলেকট্রনিকস তালা লাগাতে হবে। বন্দর থেকে বের হওয়ার সময় বন্দর গেটে এবং কনটেইনার ডিপো থেকে বের হওয়ার সময় সেই গেটে তালা লাগাতে হবে।

প্রতি তালা লাগাতে আমদানি ও রপ্তানিকারককে দিতে হবে ৬০০ টাকা করে। সে হিসাবে মাসে পাঁচ লাখ ১৮ হাজার বক্স পরিবহনে তালা লাগাতে খরচ হবে ৩১ কোটি টাকা। সে হিসাবে বছরে খরচ হবে ৩৭২ কোটি টাকা। চলতি বছর কনটেইনার পরিবহন বেশি হওয়ায় এই খরচ দাঁড়াবে কমপক্ষে সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা। এই পুরো টাকাই দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আমদানি-রপ্তানিকারককে। জানতে চাইলে চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এমনিতেই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কের ওজন স্কেল নিয়ে ব্যবসা হারানোর ঝুঁকিতে আছেন, এর ওপর এই ইলেকট্রনিক তালা লাগানো হলে শত শত কোটি টাকা আমাদের পকেট থেকে চলে যাবে। অর্থাৎ এই বাড়তি টাকা পণ্য পরিবহন ব্যয়ে যুক্ত হবে। আর তা শেষ পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে ভোক্তাকেই।’ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার সভাপতি ও কেডিএস গ্রুপ চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান বলছেন, ২০২১ সালে ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারকে বিব্রত করতে স্বার্থান্বেষী মহল তৎপর কি না খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রাইভেট একটি সংস্থাকে প্রস্তাবিত সেবাদানের মনোপলি ঠিকাদারি দেওয়া হলে বন্দরের দক্ষতা অর্ধেকে নেমে আসবে এবং জাতীয় নিরাপত্তা হুমকিতে পড়বে।

তাই অনতিবিলম্বে ব্যবসা-বিনিয়োগ পরিপন্থী এই বিধিমালা বাতিল করা হোক। জানা গেছে, বিদেশ থেকে আসা আমদানি কনটেইনার এবং বিদেশে যাওয়া রপ্তানি পণ্যভর্তি কনটেইনারে নিরাপত্তার জন্য একটি ‘বুলেট সিল’ বা তালা লাগানোর নিয়ম চালু আছে। সেই তালা চট্টগ্রাম বন্দর পৌঁছা পর্যন্ত সিলগালা করা থাকে বলে চুরির সুযোগ থাকে না। বন্দরে আসার পর কাস্টমস কায়িক পরীক্ষার সময় সবার উপস্থিতিতে তালাটি ভাঙা হয়। পরীক্ষা শেষে আরেকটি তালা লাগিয়ে বেসরকারি কনটেইনার ডিপো কিংবা আমদানিকারকের কারখানা পর্যন্ত নেওয়া হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সব পণ্যের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি চালু না করে শুধু বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগামী কনটেইনারগুলোতে ‘ইলেকট্রনিক তালা’ লাগানোর কার্যক্রম শুরু করছে। বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যান বা লরি বা ট্রাকে পণ্য পরিবহনের সময় পণ্য ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। কিন্তু সেই রুটে পণ্য পরিবহনে ইলেকট্রনিক তালা লাগানোর নির্দেশনা নেই। শুধু চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত ১৬টি বেসরকারি কনটেইনার ডিপোতে পণ্য পরিবহনে এই তালা লাগানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ২৬ জুন এসংক্রান্ত এসআরও এনবিআর থেকে দেওয়া হলেও কবে নাগাদ সেটি চালু হবে উল্লেখ নেই।

কনটেইনার ডিপো মালিকদের সংগঠন বিকডার সভাপতি নুরুল কাইয়ুম খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘২০ শতাংশ কনটেইনার পরিবহনে ইলেকট্রনিক তালা লাগানো হচ্ছে বাকি ৮০ ভাগ কনটেইনারের কী হবে? আর আমরা কোনো প্রতিষ্ঠানের হয়ে এই ভাড়া আদায় করতে পারব না।’ ইলেকট্রনিক তালা লাগানোর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে রপ্তানিকারকরা। প্রতিক্রিয়ায় তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী লক লাগাতে হয় সেটি আমরা অগ্রাধিকার দিয়ে করে আসছি। কারণ এই তালা তো কারো প্রয়োজন নেই। এখন নতুন এই লক বা তালা কারো ব্যক্তিগত স্বার্থে বা কাউকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার জন্য করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। আমরা সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলে বিষয়টি জানাব, সফল না হলে পরবর্তী কর্মসূচি দেব।’ জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য নিয়ে মোট কনটেইনারের মধ্যে বড় একটি অংশ ওঠানামা হয় বেসরকারি কনটেইনার ডিপোর মাধ্যমে। রপ্তানিকারকের কারখানা থেকে পণ্য বেসরকারি এসব ডিপোতে এনে ভর্তি করে সিলগালা করা হয়, পরে সেটি বন্দরে নিয়ে জাহাজে তুলে বিদেশের নির্দিষ্ট গন্তব্যে ক্রেতার কছে পাঠানো হয়। আর আমদানি পণ্যের কনটেইনার বিদেশ থেকে সিলগালা হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে নেমে সেটি বেসরকারি ডিপোতে পাঠানো হয়। যেটাকে বুলেট লক বলা হয়।

source : kalar kontho

বিজিবি চেকপোস্ট সরানোর দাবিতে কাজ বন্ধ রেখেছে সব সংগঠন

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর কাস্টমস এলাকা থেকে বিজিবি চেকপোস্ট না সরানো পর্যন্ত বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ সব সংগঠন। এতে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে বন্দরের যাবতীয় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। ভোমরা স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দেলোয়ার বলেন, সম্প্রতি বেনাপোল স্থলবন্দর কাস্টমস এলাকায় বিজিবির চেকপোস্ট বসানো ও তাদের হস্তক্ষেপের কারণে সেখানকার সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ বন্দরের সব সংগঠন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখে।

গতকাল সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বেনাপোল কাস্টমস এলাকা থেকে বিজিবির চেকপোস্ট সরানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ বন্দরের সব সংগঠন আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। নওশাদ দেলোয়ার জানান, তাঁদের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ভোমরা কাস্টমস কর্তৃপক্ষও একাত্মতা প্রকাশ করেছে। ভোমরা স্থলবন্দর কাস্টমসের সহকারী কমিশনার সাগর সেন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

source : prothom-alo

ইউরোজোনের প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে বাণিজ্য উত্তেজনায়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনায় প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে ইউরোপের একক মুদ্রা অঞ্চল ইউরোজোনের। গত বৃহস্পতিবার এক পূর্বাভাসে ইউরোপীয় কমিশন জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধের জেরে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি পাবে না ইউরোজোন। ২০১৮ সালে এ অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি আসবে ২.৩ শতাংশ, পরবর্তী বছর তা আরো কমবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থনীতিবিষয়ক কমিশনার পিয়েরে মসকোভিজি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধির একটি পূর্বাভাস দিলাম, তবে সুরক্ষাবাদী নীতির কারণে নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, বাণিজ্য যুদ্ধে কেউ জয়ী হয় না, শুধু হতাহতের ঘটনাই ঘটে।’ কমিশন জানায়, ২০১৯ সালে প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে হবে ২.০ শতাংশ। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপে উদ্বেগে রয়েছেন ইইউ কর্মকর্তারা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে চড়া শুল্ক আরোপ করায় ইইউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইইউও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক আরোপ করে। সম্প্রতি ইইউ থেকে গাড়ি আমদানিতেও শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। এতে ইউরোজোনের পাওয়ার হাউসখ্যাত জার্মানির গাড়িশিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কমিশন পূর্বাভাসে আরো জানায়, যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধ আরো বাড়তে থাকে তবে এটি বাজারে স্থায়ীভাবে আস্থা কমিয়ে দেবে। যেমনিভাবে বিশ্ব অর্থনৈতিক অবস্থায়ও এখন চিড় ধরেছে। এ ছাড়া রাজনৈতিক ও নীতিগত অনিশ্চয়তাও ইইউর জন্য নিন্মমুখী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ব্রেক্সিট ইস্যু নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে। এর পাশাপাশি জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্যও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে প্রবৃদ্ধিতে। এএফপি।

source : kalar kontho