Dear valued visitors, we have released our new Screener. Please click here to check this one as well. If you have any suggestion, you can drop an email to info@stockbangladesh.com
News Details
যুক্তরাষ্ট্রে চীনের বিনিয়োগ কমেছে এক-তৃতীয়াংশ

যুক্তরাষ্ট্রের চীনের বিনিয়োগ এক-তৃতীয়াংশের বেশি কমেছে। ২০১৬ সালে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে চীনের বিনিয়োগ ছিল ৪৬ বিলিয়ন ডলার। ২০১৭ সালে তা কমে হয়েছে ২৯ বিলিয়ন ডলার। এক দশকের মধ্যে এই প্রথম এত বড় অঙ্কের বিনিয়োগ কমল। সম্প্রতি রোডিয়াম গ্রুপ এবং ন্যাশনাল কমিটি অন ইউএস-চায়না রিলেশনস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। গত মঙ্গলবার প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দেশের সরকারের নীতিগত চাপের কারণেই যুক্তরাষ্ট্রে চীনের এত বড় অঙ্কের বিনিয়োগ কমেছে। একদিকে পেইচিং পুঁজির বহির্মুখী প্রবাহ রুখতে ব্যবস্থা নিয়েছে অন্যদিকে আমেরিকায় চীনা কম্পানিগুলোর মালিকানা ক্রয়কে অনেক বেশি সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখেছে ওয়াশিংটন।

মূলত এসব কারণেই বিনিয়োগ কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যখন একে অন্যের পণ্য আমদানিতে পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপ করে একটি বাণিজ্য যুদ্ধের পথে তখন এ রিপোর্টটি প্রকাশিত হলো। প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়, দুই দেশের এ বিরোধ অর্থনৈতিক সম্পর্কে কালো ছায়া ফেলছে। বলা হয়, ২০১৭ সালে চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যে পরিমাণ সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) ঘোষণা করা হয় তা আগের বছরের চেয়ে ৯০ শতাংশের কম। এমনকি গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে যে পরিমাণ চীনা বিনিয়োগ এসেছে এর বেশির ভাগই এসেছে ২০১৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী। গড়ে বাণিজ্যিক চুক্তি ৩৫৬ মিলিয়ন থেকে কমে হয়েছে ২১৫ মিলিয়ন ডলার। তবে চীনে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ আগের মতোই আছে। ২০১৭ সালে চীনে ওয়াশিংটনের বিনিয়োগ ছিল ১৪ বিলিয়ন ডলার। আগের বছর তা ছিল ১৩.৮ বিলিয়ন ডলার। রয়টার্স।

Source : kalar kontho

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের নতুন চেয়ারম্যান সামীম মোহাম্মদ আফজাল

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন সামীম মোহাম্মদ আফজাল। ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় তিনি এ পদে নিযুক্ত হন। তিনি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য। বুধবার ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সামীম মোহাম্মদ আফজাল জাতীয় পে স্কেল-২০০৯ থেকে বিসিএস (জুডিশিয়াল ক্যাডারের) গ্রেড-১ কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর জেনারেল হিসেবে কর্মরত। তিনি ১৯৮৩ সালে সহকারী জজ হিসেবে সিলেটে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি দেশের বিভিন্ন জেলায় সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট জজ, সাব জজ, অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট ও সেশন্স জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতকোত্তর (এলএলএম) ডিগ্রি লাভ করেন। গতকাল মঙ্গলবার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রাক্তন সচিব আরাস্তু খান এবং ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রাক্তন সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলামও পদত্যাগ করেন। মঙ্গলবার ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে তাদের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। পদত্যাগপত্রে উভয়েই ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। সভা থেকে ব্যাংকটির স্বতন্ত্র পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজমুল হাসানকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আরেক স্বতন্ত্র পরিচালক শামীম মোহাম্মদ আফজালকে ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান করা হয়।

source : risingbd

লেনদেন ভারসাম্যে বড় ঘাটতি

বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যালেন্স অব পেমেন্টের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের আট মাসেই (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) এই ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলারে। আট মাসের এই ঘাটতি গত অর্থবছরের একই সময়ের (আট মাস) চেয়ে ৭ গুণ বেশি। আর পুরো অর্থবছরের (জুলাই-জুন) ঘাটতির চেয়ে সাড়ে ৪ গুণ বেশি। বাংলাদেশের ইতিহাসে লেনদেন ভারসাম্যে এত বড় ঘাটতি আগে কখনো হয়নি। তবে সরকারের আর্থিক হিসাবে বড় উদ্বৃত্ত থাকায় এখনই উদ্বিগ্ন হওয়ার মত কিছু দেখছেন না গবেষণা সংস্থা সিপিডির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান। সাধারণভাবে কোনো দেশের নিয়মিত বৈদেশিক লেনদেন পরিস্থিতি বোঝা যায় চলতি হিসাবের মাধ্যমে। আমদানি-রপ্তানিসহ অন্যান্য নিয়মিত আয়-ব্যয় এতে অন্তর্ভুক্ত হয়। এখানে উদ্বৃত্ত হলে চলতি লেনদেনের জন্য দেশকে কোনো ঋণ করতে হয় না। আর ঘাটতি থাকলে তা পূরণ করতে ঋণ নিতে হয়। # ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে লেনদেন ভারসাম্যে ৯৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার ঘাটতি ছিল। জুনে অর্থবছর শেষে তা ১৪৮ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। # আর চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দ্বিগুণ চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে ৩ হাজার ৫৮২ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। একই সময়ে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ২ হাজার ৪০৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ হিসাবে পণ্য বাণিজ্যে সার্বিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৭৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে যা ৬০৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার ছিল। পণ্য বাণিজ্যের পাশাপাশি সেবা বাণিজ্যেও ঘাটতি বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে সেবা বাণিজ্যে মোট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৯৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ২১১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। সেবা খাতের বাণিজ্যে মূলত বিমা, ভ্রমণ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে। অর্থনীতির গবেষক মোস্তাফিজুর রহমান মনে করছেন, লেনদেনের চলতি হিসাব ভারসাম্যে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা অর্থবছরের বাকি সময়েও অব্যাহত থাকবে আমদানি বাড়তে থাকার কারণে। তবে আর্থিক হিসাবে উদ্বৃত্ত অর্থ থাকায় বড় কোনো ঝুঁকির আশঙ্কা নেই। “আমদানি যেটা বাড়ছে সেটা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মেট্রোরেলসহ বড় প্রকল্পের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানির জন্য বাড়ছে। এ সব আমদানির বিল ফরেন এইড যেটা আসছে সেটা থেকেই পরিশোধ করা হচ্ছে।” সে কারণে ব্যালেন্স অব পেমেন্ট এবং ওভারওল পেমেন্টে (সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্য) ঘাটতি দেখা দিলেও ফাইনানশিয়াল অ্যাকাউন্টে (আর্থিক হিসাবে) উদ্বৃত্ত রয়েছে বলে জানান মোস্তাফিজ। # চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে সামগ্রিক লেনদেনের ভারসাম্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৫৬ কোটি ২০ লাখ ডলার।

গত অর্থবছরের একই সময়ে এই হিসাবে ২৫ কোটি ১০ লাখ ডলার উদ্বৃত্ত ছিল। # বিদেশি বিনিয়োগ ও বিদেশি সহায়তা ছাড়ের পরিমাণ বাড়ায় অর্থবছরের প্রথম আট মাসে আর্থিক হিসাবে বড় উদ্বৃত্ত দেখা যাচ্ছে। গত অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে যেখানে ২৯৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার উদ্বৃত্ত ছিল, এবার তা ৫৭৩ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। # ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে ২২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) দেশে এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ২১৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। # এই সময়ে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বাবদ দেশে এসেছে ৩২২ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় সাড়ে ৮৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি। নজর দিতে হবে যেদিকে চলতি হিসাব ভারসাম্যে ঘাটতি নিয়ে এখনই বিচলিত হওয়ার মত কিছু না দেখলেও আমদানির আড়ালে ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে (পণ্যের বেশি মূল্য দেখিয়ে) টাকা পাচার হচ্ছে কিনা- সে বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সিপিডির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, “এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে, যাতে কোনো অবস্থাতেই কোনো আমদানিকারক দাম বেশি দেখিয়ে পণ্য আমদানি করতে না পারে বা এক পণ্যের নামে অন্য পণ্য বা খালি কনটেইন্টার না আসে।” বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে রপ্তানি আয় এবং রেমিটেন্স প্রবাহ আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, “এবার রেমিটেন্স ১৭ শতাংশের মতো বেড়েছে। অর্থবছর শেষেও হয়তো প্রবৃদ্ধি এমনই হবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, গত অর্থবছর প্রায় ১৫ শতাংশ রেমিটেন্স কম এসেছিল। ওটা যেন পূরণ হয় সেটা বিবেচনায় রাখতে হবে।”

Source : bdnews24

ইন্টারনেট যন্ত্রাংশে শুল্ক প্রত্যাহার চায় বেসিস

ইন্টারনেট মডেম, ফেসকার্ড, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সুইচ, হাব, রাউটার, সার্ভার ব্যাটারিসহ ইন্টারনেট ইকুইপমেন্টের (যন্ত্রাংশ) ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিসি)। বুধবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুন বাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে প্রাক বাজেট আলোচনায় ১৭টি প্রস্তাব দেয় সংগঠনটি। এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় রাজস্ব বোর্ডের সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, বেসিসের সব সদস্যদের ২০২৪ সাল পর্যন্ত ট্যাক্স এক্সেম্পশন সার্টিফিকেট প্রদান, নতুন ব্যবসা শুরু করা কোম্পানিগুলোকে প্রথমবারে রিটার্ন দেওয়ার ক্ষেত্রে তিন বছর পর্যন্ত সময় দেওয়া হোক। পাশাপাশি সফটওয়্যার ও তথ্য-প্রযুক্তি সেবার ওপর আরোপিত সাড়ে ৪ শতাংশ উৎসে মূল্য সংযোজন কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি। এছাড়াও দোকান ছাড়াই যারা ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করেন তাদের আয় করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করেন আলমাস কবীর। একই সভায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির পক্ষ থেকে কম্পিউটার ও কম্পিউটার যন্ত্রাংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের ওপর মূসক অব্যাহতি সুবিধা ২০২৪ সাল পর‌্যন্ত অব্যাহত রাখা, কম্পিউটার ও কম্পিউটার যন্ত্রাংশ এবং সংশ্লিষ্ট যাবতীয় হার্ডওয়ার সামগ্রী আমদানি পরবর্তী পর্যায়ে সরবরাহ বা বিক্রির ওপর প্রযোজ্য মূসক হতে অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এছাড়াও ‘২৮’ ইঞ্চি কম্পিউটারে মনিটরের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার এবং ২০২১ সাল পর‌্যন্ত কম্পিউটার পণ্যসামগ্রীর খুচরা ও সরবরাহ ব্যবসা পর‌্যায়ে ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়। সভায় একই ধরনের প্রস্তাব দেয় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে ট্রেজারার সুভ্রত সরকার শুভ্র বলেন, আইএসপি সার্ভিসের আওতায় ১২ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তনের বিধান রয়েছে। যা বাতিল করলে এ খাতের ব্যবসা পরিচালনা সহজ হবে। বাংলাদেশ টিভি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) দাবি করে, আমদানি করা এলইডি টিভির ওপর শুল্ক হার বাড়ানো। তাদের দাবি এতে দেশীয় শিল্প সুরক্ষা পাবে। চেয়ারম্যান সংগঠনগুলোর প্রস্তাবে বলেন, দেশি শিল্পকে সুরক্ষা দিতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। বেসিসের সব সদস্যদের ট্যাক্স এক্সেম্পশন সার্টিফিকেট প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

Source : banglanews24

১০ বছর ট্যাক্স হলিডে চায় দেশীয় মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো

দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো জন্য আগামী ১০ বছর ট্যাক্স হলিডে চায় বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে এ খাতের জন্য আলাদা ইকোনমিক জোন গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বুধবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনায় মোবাইল প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর কয়েকটি সংগঠন এই প্রস্ত‍াব করে। এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় রাজস্ব বোর্ডের সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিতু বলেন, দেশের এই মুহূর্তে কোটি কোটি মোবাইলের চাহিদা। এই চাহিদা পূরণ করতে বেশ কিছু কোম্পানি কাজ করতে শুরু করেছে। এর মধ্যে ৪-৫টি কোম্পানি মোবাইল উৎপাদন শুরু করেছে। দেশে মোবাইল ফোন তৈরিতে উৎসাহিত করতে এখন প্রয়োজন আগামী ১০ বছর ট্যাক্স হলিডে সুবিধা দেওয়া।

পাশাপাশি বিদেশ থেকে মোবাইল ফোন আমদানিকে নিরুৎসাহিত করতে বেশি হারে কর নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি। এই প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশ মোবাইল ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিআইএ) সভাপতি রুহুল আলম আল মাহবুব বলেন, মোবাইল আমদ‍ানিকে নিরুৎসাহিত করতে সরকার উদ্যোগ নেওয়ার সময় এসেছে। এর ওপর নতুন করে কর বসানো উচিৎ। তিনি বলেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে দেশি কয়েকটি কোম্পানি মোবাইল উৎপাদন শুরু করবে। দ্রুত বাজারজাত করতে পারবে। দেশীয়ভাবে দ্রুত মোবাইল ফোন উৎপাদনের জন্য আসছে বাজেটে মোবাইল ফোনের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্ক কর রয়েছে। এটা কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি। পাশাপাশি এই শিল্পের জন্য আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি প্রণোদনামূলক শুল্ক কর ব্যবস্থার প্রস্ত‍াব করছি। ‍একই সঙ্গে ৪-জি সাপোর্ট করে এমন স্মার্টফোন আমদানির ওপর আরোপিত শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২২ শতাংশ করার প্রস্তাব (শুল্ক, মূসক, সারচার্জ এবং অগ্রিম আয়কর) করছি। তবে এট‍া আগামী ২ বছরের জন্য করার প্রস্তাব করা হয়।

Source : banglanews24

২০১৮ সালে বৈশ্বিক ইস্পাত চাহিদায় ১.৮% প্রবৃদ্ধি

বিশ্ব অর্থনীতির গতি যত ত্বরান্বিত হচ্ছে, দেশে দেশে অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিল্প উৎপাদন ততই বাড়ছে। একই সঙ্গে এ দুই খাতে বাড়ছে ইস্পাতের চাহিদাও। কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় চলতি বছর শেষেও ইস্পাতের বৈশ্বিক চাহিদায় প্রবৃদ্ধি বজায় থাকবে। ২০১৮ সালে বিশ্বের সব অঞ্চল মিলিয়ে পণ্যটির সম্মিলিত চাহিদা আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়তে পারে। এ ধারাবাহিকতায় আগামী বছর ইস্পাতের বৈশ্বিক চাহিদা বাড়তে পারে দশমিক ৭ শতাংশ। ওয়ার্ল্ডস্টিল অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউএসএ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর ব্লুমবার্গ ও রয়টার্স। ডব্লিউএসএর ‘শর্ট রেঞ্জ আউটলুক’ শীর্ষক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সাল শেষে ইস্পাতের বৈশ্বিক চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১৬১ কোটি ৬১ লাখ টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। এ খাতে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে পরের বছরেও।

২০১৯ সালে পণ্যটির বৈশ্বিক চাহিদা চলতি বছরের তুলনায় দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১৬২ কোটি ৭০ লাখ টনে। সেই হিসাবে চলতি বছরের তুলনায় ২০১৯ সালে ইস্পাতের বৈশ্বিক চাহিদা ১ কোটি ১০ লাখ টন বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ইস্পাতের বৈশ্বিক চাহিদার প্রায় অর্ধেকই চীন এককভাবে ব্যবহার করে। ২০১৮ সালে দেশটিতে ইস্পাতের চাহিদা আগের বছরের প্রায় সমান ৭৩ কোটি ৬৮ লাখ টনে দাঁড়াতে পারে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএসএ। আগামী বছর শেষে দেশটিতে পণ্যটির চাহিদা দাঁড়াতে পারে ৭২ কোটি ২১ লাখ টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ২ শতাংশ কম। সেই হিসাবে ২০১৯ সাল শেষে চীনে ইস্পাতের চাহিদা চলতি বছরের তুলনায় ১ কোটি ৪৭ লাখ টন কমতে পারে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চীন-ভারত-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়াসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়ার দেশগুলোয় চলতি বছর ইস্পাতের সম্মিলিত চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১০৭ কোটি ১৪ লাখ টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। আগামী বছর এসব দেশে পণ্যটির চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১০৬ কোটি ৯৭ লাখ টনে। চলতি বছর শেষে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় পণ্যটির সম্মিলিত চাহিদা ৪ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৩ কোটি ৩৬ লাখ টনে।

আগামী বছর এর পরিমাণ আরো ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৩ কোটি ৮৩ লাখ টনে দাঁড়াতে পারে। এদিকে নাফটাভুক্ত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় চলতি বছর মোট ১৪ কোটি ৫০ লাখ টন ইস্পাতের চাহিদা দাঁড়াতে পারে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালে এসব দেশে পণ্যটির চাহিদা আরো ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১৪ কোটি ৭৩ লাখ টনে। একইভাবে মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোয় ২০১৮ সালে ইস্পাতের সম্মিলিত চাহিদা দাঁড়াতে পারে ৪ কোটি ৩৫ লাখ টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ২ শতাংশ বেশি। আগামী বছর এ অঞ্চলে পণ্যটির চাহিদা আরো ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৪ কোটি ৫৬ লাখ টন হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (্ইইউ) দেশগুলোয় ইস্পাতের চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১৬ কোটি ৫৬ লাখ টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ২ শতাংশ বেশি। আগামী বছর পণ্যটির চাহিদা দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১৬ কোটি ৬৯ লাখ টনে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বছর আফ্রিকার দেশগুলোয় ৩ কোটি ৬৬ লাখ টন ইস্পাত ব্যবহার হতে পারে, যা আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালে পণ্যটির চাহিদা দাঁড়াতে পারে ৩ কোটি ৮৩ লাখ টনে। একইভাবে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ও সাবেক সোভিয়েতভুক্ত (সিআইএস) দেশগুলোয় ২০১৮ ও ২০১৯ সালে ইস্পাতের চাহিদায় প্রবৃদ্ধির দেখা মিলবে বলে জানানো হয়েছে। ওয়ার্ল্ডস্টিলের ইকোনমিক কমিটির চেয়ারম্যান টিভি নরেন্দ্র বলেন, আগামী কয়েক বছর বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি কাঙ্ক্ষিত মাত্রার তুলনায় বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত এ কারণেই বিশ্বব্যাপী ইস্পাতের চাহিদায় তেজিভাব বজায় থাকতে পারে।

source : bonik barta

মোবাইল ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কোনো দাম বেঁধে দেওয়া নেই। ফলে মোবাইল ফোন অপারেটররা নিজেরা নিজেদের মতো করেই ইন্টারনেটের দাম নির্ধারণ করছে। ইন্টারনেটের দাম বেঁধে দেওয়ার পাশাপাশি মোবাইল ফোনে যেকোনো নম্বরে কল করার খরচ একই হারে নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে এখন বিভিন্ন অপারেটরের মধ্যে কল করার মূল্যে যে পার্থক্য আছে, সেটি আর থাকবে না। এতে টেলিটকের মতো ছোট অপারেটররা বেশি লাভবান হবে। টেলিযোগাযোগ খাত-সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত সোমবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সভাপতিত্বে এ বৈঠক হয়।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এসব তথ্য নিশ্চিত করে গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) একজন পরামর্শকের মাধ্যমে ইন্টারনেট ডেটার মূল্য বিষয়ে একটি কস্ট মডেলিং এরই মধ্যে শেষ করা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে মোবাইল ফোন অপারেটরদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়বে। কস্ট মডেলিং পদ্ধতি হলো একটি সেবা দিতে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কত খরচ হয়, সেটি বের করার পদ্ধতি। সেবার মূল্য নির্ধারণে বিভিন্ন গাণিতিক সমীকরণ কস্ট মডেলিংয়ে ব্যবহার করা হয়। ভয়েস কলের দাম নির্ধারণে আইটিইউর একজন পরামর্শক দিয়ে ২০০৮ সালে একটি কস্ট মডেলিং করেছিল বিটিআরসি। সেই মডেল অনুসারে প্রতি মিনিট ভয়েস কলের সর্বোচ্চ মূল্য ২ টাকা আর সর্বনিম্ন মূল্য ২৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল। বর্তমানে মোবাইল ফোন অপারেটরের নিজেদের গ্রাহকদের (অন-নেট) মধ্যে কথা বলার সর্বনিম্ন খরচ ২৫ পয়সা, অন্য অপারেটরে (অফ-নেট) ফোন করার সর্বনিম্ন খরচ ৬০ পয়সা। আর যেকোনো মোবাইলে ফোন করার সর্বোচ্চ খরচ ২ টাকা। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) গত বছর অন-নেট ও অফ-নেট কলের মধ্যে পার্থক্য কমিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিল।

সে সময় কল রেটের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমা যথাক্রমে ৩৫ পয়সা ও ১ টাকা ৫০ পয়সা করতে চেয়েছিল। তবে তখন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার। বিটিআরসির বিশ্লেষণে জানা যায়, কল রেট পরিবর্তনের নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ছোট অপারেটর থেকে বড় অপারেটরে কল করার খরচ কমবে। যেমন টেলিটক থেকে গ্রামীণফোনে কল করতে বর্তমানে ন্যূনতম খরচ ৬০ পয়সা। কিন্তু গ্রামীণফোন থেকে গ্রামীণফোন নম্বরে ফোন করার খরচ অনেক কম। একক কল রেট হলে গ্রামীণফোন ও টেলিটকে কল করার ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য থাকবে না। অপারেটরদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গ্রামীণফোনের অন-নেট কলের গড় মূল্য ৪৪ পয়সা, আর অফ-নেট কলের মূল্য ১ টাকা ৫৬ পয়সা। রবির গড় অন-নেট কলের মূল্য ৩৯ পয়সা ও অফ-নেটে ৯১ পয়সা। বাংলালিংকের অন-নেট ৩৯ পয়সা ও অফ-নেট ৮৯ পয়সা এবং টেলিটকের অন-নেট ৩৪ পয়সা ও অফ-নেট ৮৬ পয়সা। গ্রামীণফোন থেকে ৭৫ শতাংশ কল হয় অন-নেটে, ২৫ শতাংশ কল অফ-নেটে হয়। রবির ৫৮ শতাংশ কল অন-নেটে ও ৪২ শতাংশ কল অফ-নেটে; বাংলালিংকের ৫৫ শতাংশ কল অন-নেটে ও ৪৫ শতাংশ কল অফ-নেটে এবং টেলিটকের ২০ শতাংশ কল অন-নেটে এবং ৮০ শতাংশ কল অফ-নেটে হচ্ছে। বিটিআরসির সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে সক্রিয় মোবাইল সংযোগের সংখ্যা সাড়ে ১৪ কোটি। আর ইন্টারনেট সংযোগের সংখ্যা ৮ কোটির বেশি।

source : prothom-alo

অপারেটর পাবে ৮৫ পয়সা

মোবাইল ফোনভিত্তিক আর্থিক সেবার (এমএফএস) আয় ভাগাভাগির বর্তমান খরচকাঠামোতে পরিবর্তন আসছে। এখন থেকে এ সেবার অবকাঠামো ব্যবহারের জন্য বিকাশ, রকেটের মতো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো মোবাইল ফোন অপারেটরদের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেবে। অর্থ দেওয়ার এ প্রক্রিয়াটি দুইভাবে হবে। ৯০ সেকেন্ডের মধ্যে একটি আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন হলে এ জন্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান থেকে মোবাইল ফোন অপারেটররা ৮৫ পয়সা পাবে। আর্থিক লেনদেন বাদে অন্য কাজের জন্য প্রতিবার এমএফএস সেবা ব্যবহারে ৪০ পয়সা দিতে হবে। এমএফএস সেবার খরচকাঠামো নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার গণভবনে আয়োজিত এক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), এমএফএস প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ফোন অপারেটরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

গতকালের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিটিআরসি এমএফএস প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল অপারেটরদের জন্য শিগগিরই একটি নির্দেশনা জারি করবে। এরপরই এমএফএস সেবার অবকাঠামো ব্যবহারে নতুন এ খরচ পদ্ধতি চালু হবে। এতে গ্রাহকের খরচ বাড়বে না বলে মোবাইল ফোন অপারেটররা দাবি করেছে। এমএফএস সেবা দিতে মোবাইল ফোন অপারেটরদের অবকাঠামো প্রযুক্তিকে বলা হয় ইউএসএসডি (আনস্ট্রাকচারড সাপ্লিমেন্টারি সার্ভিস ডেটা)। এই প্রযুক্তি আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কের সঙ্গে গ্রাহককে যুক্ত করতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একজন গ্রাহক যখন তাঁর ব্যক্তিগত হিসাব থেকে আরেকজনকে টাকা পাঠান, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রেরক ও প্রাপকের কাছে দুটি খুদে বার্তা যায়। আবার, হিসাবে কত টাকা আছে, সেটা দেখতে একটি নির্দিষ্ট নম্বর ডায়াল করতে হয়। অপারেটরদের এই প্রযুক্তিগত সুবিধাকেই বলা হয় ইউএসএসডি। নতুন সিদ্ধান্তে ইউএসএসডি ব্যবহারের খরচকাঠামোতেই পরিবর্তন আসছে।

মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছে, এতে এ সেবা ব্যবহারকারীদের খরচ বাড়বে না। আর এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, গ্রাহকের খরচ বাড়বে কি না, তা নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পরেই বোঝা যাবে। এমএফএস সেবার ইউএসএসডি মাশুল পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি কয়েক বছর ধরেই ঝুলে ছিল। গতকালের বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ইউএসএসডির মাশুল নির্ধারণে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিটিআরসির দুই ধরনের প্রস্তাব ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক এ সেবার মাশুল ৪০ পয়সা নির্ধারণের পক্ষে মত দেয়। আর বিটিআরসি মতামত দেয় ৮৫ পয়সা নির্ধারণের পক্ষে। শেষ পর্যন্ত দুটো প্রস্তাব রেখেই ইউএসএসডির দ্বিস্তরবিশিষ্ট মাশুল হার নির্ধারণ করা হয়। বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশন শামসুদ্দিন হায়দার প্রথম আলোকে বলেন, ইউএসএসডির বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত বিকাশ বাস্তবায়ন করবে। তবে এর ফলে গ্রাহকের খরচ বাড়বে কি না, তা ভবিষ্যতে বোঝা যাবে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মোহাম্মদ শিরিন বলেন, ইউএসএসডির মাশুল পরিবর্তনের কারণে গ্রাহকের টাকা পাঠানোর খরচ আপাতত বাড়বে না। তবে ভবিষ্যতে যদি ব্যাংকের খরচ বাড়ে, তাহলে এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ইউএসএসডির খরচ পুনর্নির্ধারণের ফলে গ্রাহকের টাকা পাঠানোর খরচ যাতে কোনোভাবেই না বাড়ে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন সজীব ওয়াজেদ জয়। এ জন্য টাকা পাঠানোর বর্তমান খরচ ব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নির্দেশ দেন তিনি। বর্তমানে প্রতি ১০০ টাকা লেনদেনে গ্রাহকের কাছ থেকে ১ টাকা ৮৫ পয়সা নেওয়া হয়। এর ৭৭ শতাংশ এজেন্ট, ৭ শতাংশ মুঠোফোন অপারেটর, আর বাকি ১৬ শতাংশ এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো পায়। তবে বেশির ভাগ এজেন্ট গ্রাহকের কাছে প্রতি ১০০ টাকায় ২ টাকা আদায় করে। ইউএসএসডির নতুন মাশুল হার নির্ধারণের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটররা। গ্রামীণফোনের প্রধান করপোরেট অ্যাফেয়ার্স কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘অনেক তর্কবিতর্ক ও আলোচনার পরে ইউএসএসডির মূল্য নিয়ে একটি স্থায়ী সিদ্ধান্ত হওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট। আশা করি এ সিদ্ধান্ত অচিরেই বাস্তবায়িত হবে।’ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এমএফএস সেবায় নিবন্ধিত গ্রাহকসংখ্যা ৫ কোটি ৯৬ লাখ। এর মধ্যে সক্রিয় ব্যবহারকারী ২ কোটি ৮ লাখ। বর্তমানে দেশের ১৮টি ব্যাংক এ সেবা দেয়। এমএফএসের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি আর্থিক লেনদেন হয়।

source : prothom-alo

স্থির হচ্ছেই না শেয়ারবাজার

কোনো মতেই যেন স্থির হচ্ছে না শেয়ারবাজার। শেয়ার বিক্রির চাপে কখনো একটানা পতন ঘটছে। আবার কখনো হঠাৎ শেয়ার কেনার চাপে উত্থান ঘটছে। নির্বাচনী বছরে বাজারে উত্থানের চেয়ে পতনই বেশি। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের নানামুখী উদ্যোগে বাজার স্থিতিশীলতার পথেই এগোচ্ছে। উত্থান-পতন বাজারের স্বাভাবিক চিত্র। তবে একটানা উত্থান-পতন স্বাভাবিক চরিত্র নয়। কোনো একটি গোষ্ঠীর কারসাজি থাকতে পারে। তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়, গত মার্চ মাসজুড়ে মন্দাবস্থার মধ্যেই চলেছে শেয়ারবাজার। শেয়ার বিক্রির চাপ বেশি থাকায় বাজার একদম তলানিতে নেমে আসে। তারল্য সংকট ও কম্পানির শেয়ারে ব্যাংকের বিনিয়োগ হিসাবে প্রাতিষ্ঠানিকের সক্ষমতা কমার কথা জানিয়েছিল মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান। তারা বলেছিল, পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগে সমন্বিত ভিত্তিতে গণনায় তারল্য প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।

কম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ হিসাবে মার্ক টু মার্কেট হিসাবেও ওভার এক্সপোজার হওয়ায় অনেক প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার কিনতে পারছিল না। যার জন্যই সমন্বিত হিসাব বাদ দিয়ে একক হিসাব আর মার্ক টু মার্কেট হিসাব গণনা না করে কেনা দামে বিবেচনার দাবি জানায়। গত ১ এপ্রিল ব্যাংকের সিআরআর ১ শতাংশ কমানো আর সরকারি আমানতের ৫০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংকে রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। সিআরআর কমানোয় ব্যাংকের ১০-১২ হাজার কোটি টাকা তারল্য বৃদ্ধি পায়। এতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সক্ষমতা বাড়ানোর প্রত্যাশা করেছিল বাজারসংশ্লিষ্টরা। এই ঘোষণার পরই বাজারে উল্লম্ফন সৃষ্টি হয়। সূচক বৃদ্ধির সঙ্গে লেনদেনও বৃদ্ধি পায়। তবে দু-এক দিন উত্থানের আবারও কমতে থাকে সূচক। সর্বশেষ শেয়ার বিক্রির চাপে চার দিন সূচক কমার পর ঊর্ধ্বমুখিতায় ফেরে বাজার।

একদিন উত্থানের পর আবারও কমেছে সূচক ও লেনদেন। বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাজার ওঠানামা স্বাভাবিক চিত্র। শেয়ার বিক্রির চাপ থাকলে সূচক কমে আর কেনার চাপ থাকলে সূচক বাড়ে। বর্তমান বাজার অনেকটা স্থিতিশীলতার পথেই এগিয়ে চলছে। আশা করছি বাজার পরিস্থিতি ক্রমেই উন্নতি করবে।’ ডিএসইর এক পরিচালক নাম না প্রকাশের শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাজার উঠবে নামনে এটাই স্বাভাবিক। তবে মাঝেমধ্যে মনে হয়, কোনো সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী টার্গেট করে শেয়ার কেনে আর বিক্রি করে। এতে বাজার প্রভাবিত হয়। বাজার যেন স্বাভাবিক থাকে সেই বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কঠোর মনিটর করা প্রয়োজন।’ গতকালের বাজার : সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস গতকাল সোমবার দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কমেছে।

ডিএসইতে সূচকের সঙ্গে লেনদেন কমলেও সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে। যদিও আগের দিন দুই বাজারেই সূচক ও লেনদেন উভয়ই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছিল। গতকাল মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫০৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে প্রায় ৭ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৫১৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছিল ১১ পয়েন্ট। সেই হিসাবে লেনদেন ও সূচক উভয়ই নিম্নমুখী। বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুতে শেয়ার কেনার চাপে সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও পরে কমেছে। সকাল পৌনে ১১টার পর থেকে শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়তে থাকলে সূচকও নিম্নমুখী হয়। এতে দিনের সূচক কমার মধ্য দিয়েই লেনদেন শেষ হয়েছে। দিন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৭৭৭ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৩ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ১৭৬ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৩৫৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩৩৫টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৬টির, কমেছে ১৬৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কম্পানির শেয়ারের দাম। লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে বেক্সিমকো। কম্পানিটির লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্সের লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা। আর তৃতীয় স্থানে থাকা লাফার্জ হোলসিম সিমেন্টের লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ২১ লাখ টাকা।

অন্য শীর্ষ কম্পানি হলো ফার্মা এইড, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, ড্রাগন সোয়েটার, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, ইউনাইটেড পাওয়ার, ব্র্যাক ব্যাংক ও স্কয়ার ফার্মা। মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে রয়েছে এশিয়া প্যাসিফিক ইনস্যুরেন্স, ফার্স্ট প্রাইম ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সিএপিএম আইবিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সিএপিএম বিডিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ড, আইসিবি, এসইএমএল এলইসি মিউচ্যুয়াল ফান্ড মেঘনা সিমেন্ট। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে রয়েছে রিপাবলিক ইনস্যুরেন্স, এফএএস ফাইন্যান্স, পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স, স্টাইল ক্র্যাফট, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, লিব্রা ইনফিউশনস, খান ব্রাদার্স পিপি, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রি, শাশা ডেনিমস ও জেমিনী সি ফুড। অন্য বাজার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ০.৫৯ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ২৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছিল ১৫ কোটি টাকা। লেনদেন হওয়া ২৩০টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৪টির, দাম কমেছে ১১৫টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কম্পানির শেয়ারের দাম।

source : kalar kontho

১৯-২১ এপ্রিল পর্যটন মেলা

বুধবার ঢাকার একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে টুর অপারেটর অব বাংলাদেশের (টোয়াব) পরিচালক (বাণিজ্য ও মেলা) মো. তসলিম আমিন শোভন বলেন, অষ্টম বারের মতো এই মেলা আয়োজন করছেন তারা। এবার বড় পরিসরে আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেলায় ১০টি প্যাভিলিয়ন, ১৮টি মিনি প্যাভিলিয়নসহ ১৬০টি স্টল থাকবে বলে জানান তিনি। তিন দিনের এই মেলায় দেশের ও বিদেশের অনেক পর্যটন সংস্থা, ট্যুর অপারেটর, ট্র্যাভেল এজেন্ট, টুরিজম অথরিটি ও বিমান সংস্থা অংশ নেবে। মেলায় ভুটান, নেপাল, থাইল্যান্ড, দুবাই, চীন, কম্বোডিয়া, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, ভিয়েতনাম, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য যেমন পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, কাশ্মির ও ত্রিপুরা অংশ নেবে বলেও জানানো হয়। তসলিম বলেন, এই প্রথম ১৩টি দেশের প্রায় ৫০ জন বিদেশি প্রদর্শক এ মেলায় আসছেন। মেলা উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বিশেষ অতিথি থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

source : bdnews24