Dear valued visitors, we have added 59 candlestick patterns in our TA chart Please check this one as well. If you have any suggestion, you can drop an email to info@stockbangladesh.com
News Details
আইপিও’তে অংশ নিলে বিডিং কমিটির সুপারিশ লাগবে

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির কাট অফ প্রাইস নির্ধারণে অংশ নিতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ‘বিডিং রিকমেন্ডেশন কমিটি’ গঠন করতে হবে। আর বিডিং রিকমেন্ডেশন কমিটির সুপারিশের আলোকেই প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসতে যাওয়া কোম্পানিতে অংশ নিতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারি ২০) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে। এতে মোট ৮ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিশনের ৬৩০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খায়রুল হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এখন থেকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওতে আসা কোম্পানিগুলোর কাট অফ প্রাইস নির্ধারণে অংশ নেওয়ার আগে প্রত্যেক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীকে কমপক্ষে ২ সদস্য বিশিষ্ট ‘বিডিং রিকমেন্ডেশন কমিটি’ গঠন করতে হবে। এ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো নিলাম করতে পারবে। আর এই কমিটি বুক বিল্ডিংয়ে আসা কোম্পানির রেড হেয়ারিং প্রসপেক্টাস বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে। কোম্পানির আর্থিক বিররণী, পণ্য, ব্যবসা, ম্যানেজমেন্ট এবং ভবিষ্যতসহ সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রস্তুত করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটি নিলামে অংশ নেবে। কমিটির সিদ্ধান্তগুলো সংরক্ষণ করতে হবে ওই সুপারিশ কমিটির। নিলামে অংশ নেওয়ার প্রথম ২ দিনের মধ্যেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে নিলাম প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যে প্রতিষ্ঠান যে দিন থেকে নিলামে অংশ নেবে, তার ২ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিলামের প্রতিবেদন ৭ কার্যদিবসের মধ্যে বিএসইসির কাছে জমা দেবে। এই নিলামে দর নির্ধারণের ক্ষেত্রে যদি কোনো অনিয়ম করা হয় তবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে, গত বছরের নভেম্বর মাসে একটি কোম্পানির বিডিংয়ে কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণ নিয়ে যে অভিযোগ ওঠে। এরই প্রেক্ষিতে বিএসইসি বিডিং প্রক্রিয়া সংশোধনের উদ্যোগ নেয়। পাশাপাশি অতিমূল্যে বিডিংয়ের কারণও জানতে চায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো উত্তর দেয়নি। এরপর সব বিনিয়োগকারীকে সতর্ক করে কমিশন।

source : banglanews24

গৃহ নির্মাণে নয় কোটি ৪৭ লাখ ইউরো দেবে আইডিবি

বাংলাদেশে পল্লী ও উপ-শহর এলাকায় গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের জন্য নয় কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার ইউরোর ঋণ অনুমোদন করেছে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি)। সম্প্রতি আইডিবির বোর্ড সভায় ওই ঋণ অনুমোদন করা হয় বলে ইআরডি সূত্রে জানা গেছে। ইআরডির অতিরিক্ত সচিব শামসুল আলম বলেন, এ ঋণের জন্য আইডিবির সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি করতে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে শিগগিরই চুক্তি করতে পারব। আগামী ১ থেকে ৫ এপ্রিল তিউনিশিয়ায় অনুষ্ঠেয় আইডিবির বার্ষিক সভায় ওই ঋণ চুক্তি হতে পারে বলে ইংগিত দেন তিনি। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে চিঠি দিয়ে দুই প্রকল্পের ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ডলারের ঋণ প্রত্যাহার করে নিয়েছিল আইডিবি। এর মধ্যে ‘প্রি পেমেন্ট মিটারিং সিস্টেম প্রজেক্ট’ থেকে ১৫ কোটি ৫৫ লাখ ডলার এবং ‘সাসটেইনেবল হাউজিং ফর লো-ইনকাম আরবান কমিউনিটি প্রজেক্ট’ থেকে দুই কোটি ডলারের ঋণ প্রত্যাহার করা হয়।

অর্থমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হওয়ায় আইডিবির ‘এএএ’ ক্রেডিট রেটিং বজায় রাখার স্বার্থে ওই পদক্ষেপ নেয় সংস্থাটি। ঋণ প্রত্যাহারের চিঠি পাঠানোর পর আইডিবির প্রথম বোর্ড সভাতেই বাংলাদেশের জন্য নতুন প্রকল্পে ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয় বলে ইআরডি কর্মকর্তারা জানান। নতুন অনুমোদন পাওয়া ‘রুরাল অ্যান্ড প্যারা-আরবান হাউজিং ফাইন্যান্স’ শীর্ষক প্রকল্পের নয় কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার ইউরো (১ ইউরো=১০৩ টাকা) ঋণের মধ্যে আট কোটি ৫১ লাখ ইউরো দুই বছরের রেয়াতকালের সঙ্গে ১৮ বছরের মধ্যে প্রায় দুই শতাংশ সুদসহ পরিশোধ করতে হবে। বাকি ৯৩ লাখ ৩০ হাজার ইউরো সাত বছরের রেয়াতকালসহ ২৫ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে ১.৩৫ শতাংশ সুদসহ। ইআরডির এক কর্মকর্তা জানান, শহর, উপ-শহর ও গ্রামীণ এলাকায় জীবন মানের উন্নয়ন এবং নিম্নবিত্তের মানুষের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সরকার।

source : Inkilab

ব্যাংকের ঋণ-আমানত সমন্বয়ে আরো ছয় মাস

ব্যাংকের ঋণ-আমানত অনুপাত (এডিআর) সমন্বয়ে আরো ছয় মাস সয়ম বাড়িয়েছে মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রক বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্ধিত সীমা অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরে মধ্যেই এডিআর সমন্বয় করতে হবে। এই সময়সীমা যা শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত। গত মঙ্গলবার সমন্বয়ে এই সময় বেঁধে দিয়ে এক সার্কুলার জারি করেছে। চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় ব্যাংকের ঋণ-আমানত অনুপাত বা এডিআর যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। এরই মধ্যে ব্যাংকের এডিআর কমানো হয়েছে। আগ্রাসী ঋণে লাগাম টানতে ব্যাংকগুলোর আমানত ও ঋণ (এডি) অনুপাত কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রক বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া আমানতের ৮৫ টাকা ঋণ দিত ব্যাংক আর ১৫ টাকা জমা রাখত। এই অনুপাত কমিয়ে ৮৫ টাকার পরিবর্তে ৮৩.৫০ টাকা আর শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের ৯০ শতাংশের বদলে ৮৯ শতাংশ করা হয়েছে। অগ্রিম আমানত হার (এডিআর) ও বিনিয়োগ আমানত হার (আইডিআর) বিষয়ক বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত প্রচলিত ধারার ব্যাংকের জন্য আইডিআর ৮৩.৫০ শতাংশ ও ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক এবং প্রচলিত ধারার ব্যাংকের ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য বিনিয়োগ-আমানত হার সর্বোচ্চ ৮৯ শতাংশতে নির্ধারণপূর্বক যেসব ব্যাংকের অগ্রিম-আমানত হার/বিনিয়োগ-আমানত হার বর্ণিত সীমার বেশি রয়েছে, সেসব ব্যাংককে ৩০ জুনের মধ্যে ক্রমান্বয়ে তা নির্ধারিত মাত্রায় আবশ্যিকভাবে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এই নিদের্শনার আংশিক পরিবর্তনক্রমে পরিপালনের সময়সীমা ৩০ জুনের পরিবর্তে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুনর্নির্ধারণ করা হলো।

source : kalar kontho

দেশীয় কাঁচামালে তৈরি চামড়ার পণ্যে বৈচিত্র্য

সুনিপুণ হাতের ছোঁয়ায় চামড়ার ওপর সুতোর কারুকার্য। জুতো আর জ্যাকেটের চিরন্তন ধারণাকে ছাপিয়ে এখন চামড়া ব্যবহার হচ্ছে নিত্যনতুন সব ফ্যাশনেবল পণ্যে। শুধু ঢঙে নয়, চলতি ফ্যাশনের কথা বিবেচনায় রেখে রঙেও রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। শতভাগ দেশীয় কাঁচামালের ওপর নির্ভর করে এখন দেশেই তৈরি হচ্ছে এমন নিত্যনতুন চামড়ার তৈরি পণ্য। চামড়ার প্রক্রিয়াজাত এসব পণ্য স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি রপ্তানিও করছেন উদ্যোক্তারা। তেমনি এক উদ্যোগের নাম ‘এনেক্স লেদার’। হ্যান্ডব্যাগ, সাইডব্যাগ, মানিব্যাগ আর বেল্টের পাশাপাশি এনেক্স লেদার এর কারখানায় তৈরি হচ্ছে চামড়ার মোবাইল-ট্যাব-ল্যাপটপ কভার। ঘর সাজানোর উপকরণও বাদ যাচ্ছে না এই তালিকা থেকে। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী টিস্যু বক্স, গিফট বক্স, ফুলদানি, পাসপোর্ট হোল্ডার, ফটোফ্রেম এমনকি সোফার কুশন কভারও তৈরি হচ্ছে চামড়ার ব্যবহারে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকত্তোর ডিগ্রি শেষ করে চাকরির পিছে না ছুটে নিজে নিজে কিছু একটা করার পরিকল্পনা থেকেই ২০১৬ সালে স্বল্প পরিসরে প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেন মোস্তফা দীপু। তার মনে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন উঁকি দিতে থাকে। চিন্তা করলেন, ব্যবসা করতে হলে এমন কিছু করতে হবে, মানুষের কাছে যার চাহিদা আছে। এই চিন্তা থেকে শুরু করলেন চামড়ার পণ্য বানানোর কাজ। প্রথমে রাজধানীর হাজারীবাগে একটি ছোট কারখানায় পণ্য তৈরির কাজ শুরু করেন।

সেখানে তিনি গড়ে তোলেন একটি শোরুম। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকেই তার পণ্য পছন্দ করলেন। ঘুরে ঘুরে ধারণা নিলেন আরও ভালোভাবে কী কী পণ্য তৈরি করা যায়। একপর্যায়ে তিনি ফেসবুকে একটি পেজ চালু করলেন। এখানে পণ্যের ছবি দিতে লাগলেন। সাড়াও পেতে লাগলেন ভালো। মোস্তফা দীপু বলেন, আস্তে আস্তে ব্যবসা বাড়তে থাকল। চামড়ার পণ্য নিয়ে কাজ করার পেছনে আরও একটি যুক্তি দেখালেন তিনি। দেশি চামড়ার পণ্যকে ভালো ব্র্যান্ড বানাতে চান বলেই এই কাজের প্রতি আগ্রহ তার। গত বছর রাজধানীর এলিফ্যান্ড রোডে আরেকটি শোরুম চালু করেন। ফেসবুকের পাশাপাশি এখন তিনি একটি ওয়েবসাইট চালু করেছেন (www.annexbdonline.com)। যেখানে তার পণ্যের ছবি ও দাম দেওয়া আছে। মোস্তফা দীপু বলেন, আমার পণ্যের মান দেখে অনেক বড় বড় করপোরেট হাউস পণ্যের অর্ডার দিচ্ছে। ছাড়া ক্ষুদ্র পরিসরে দেশের বাইরেও আমার পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশের যেকোনো প্রান্তে পণ্য সরবরাহ করছে তার প্রতিষ্ঠান। ঢাকায় কেউ পণ্য কিনতে চাইলে বিনা মূল্যে পণ্য পৌঁছে দেন আর ঢাকার বাইরে বলে ৫০ টাকা করে নেওয়া হয়।

তার প্রতিষ্ঠানে এখন ১৭ জন কাজ করেন। রাজধানীর ধানমণ্ডি ২৭ নম্বর সড়কের ওমেন্স ভলান্টিয়ারি অ্যাসোসিয়েশন (ডাব্লিউভিএ) ভবনে অডিটোরিয়ামে চলা ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা হাটেও পাওয়া যাচ্ছে এনেক্স লেদারের সব পণ্য। মেলা চলবে শনিবার পর্যন্ত। হাটের আয়োজক বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)-এর উদ্যোগে পরিচালিত ফেসবুকভিত্তিক ‘চাকরি খুঁজব না, চাকরি দেব’ গ্রুপ। এবারের হাটে মোট ৫০টি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

source : somokal

এসিআই কনজ্যুমারের সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

এসিআই কনজ্যুমার ব্র্যান্ডসের বার্ষিক সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং কনফারেন্স-২০১৮ গত সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর আরিফ দৌলা। এসিআই কনজ্যুমার ব্র্যান্ডসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ আলমগীর সবাইকে স্বাগত জানিয়ে কোম্পানির গত বছরের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি ২০১৮ সনের কর্মপরিকল্পনাও ঘোষণা করেন। আরিফ দৌলা ২০১৭ সালের ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। ২০১৮ সনে আরও ভালো ফলাফলের জন্য সবাইকে উৎসাহিত করেন তিনি।

বিজনেস ডিরেক্টর কামরুল হাসান, অনুপ কুমার সাহা, ফারিয়া ইয়াসমিন, ডিরেক্টর বিজনেস অপারেশনস সামসুজ্জামান, বিজনেস ম্যানেজার ওবায়দুল হক, জামান আসিফ আহমদ, জেনারেল ম্যানেজার সেলস জাকির হোসেন সরকার, জাহিদ হোসেন, ডিজিএম মো. নাহিদ নেওয়াজ এবং বিশ্বব্যাপী নামকরা কোম্পানি এস সি জনসন, কোলগেট পালমলিভ, একজোনোভেল, মালহোত্রা গ্রুপ, টাটা টি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। এসিআই অ্যারোসল, স্যাভলন, এসিআই মশার কয়েল, এসিআই পিউর আটা-ময়দা-সুজি, ফ্রিডম স্যানিটারি ন্যাপকিন, স্মার্ট ওয়াশিং পাউডার, টুইংকেল বেবি ডায়াপার, ওয়ান্ডার ডিশ ওয়াশ বার, নিউট্রিলাইফ রাইস ব্র্যাণ ওয়েল, স্টাইলাস মোবাইল ফোন এবং এসিআই পিউর সল্টের মত স্বনামধন্য ব্র্যান্ডের পণ্য উৎপাদন এবং বাজারজাত করে থাকে এসিআই। বাংলাদেশে কোলগেট, ইকুয়াল/ক্যান্ডেরাল, প্যানাসনিক প্রোডাক্ট, ডিয়োলাক্স পেইন্টস ইত্যাদি পণ্যসমূহের একমাত্র পরিবেশক ও মার্কেটিং পার্টনারও এসিআই।

source : prothom-alo

পিছু হটল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ব্যাংকগুলোর আমানতের তুলনায় ঋণ বিতরণের সীমা সমন্বয়ের সময় বাড়িয়ে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এক প্রজ্ঞাপনে সংস্থাটির পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার জানানো হয়, ব্যাংকগুলো ঋণসীমা সমন্বয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় পাবে, যা আগে ছিল জুন পর্যন্ত। এর আগে ঋণসীমা কমিয়ে দেওয়া ও জুনের মধ্যে তা সমন্বয় করার নির্দেশনার কারণে বেশ কিছু ব্যাংকে অর্থের টানাটানি পড়ে যায়। সুদের হার বাড়িয়ে আমানত সংগ্রহে নেমে পড়ে ব্যাংকগুলো। বেড়ে যায় ঋণের সুদের হারও। এ নিয়ে ব্যবসায়ীরা আপত্তি করেন। অবশেষে কড়াকড়ি আরোপের ২১ দিনের মাথায় পিছু হটল বাংলাদেশ ব্যাংক।

অবশ্য ঋণসীমা রাখা হয়েছে আগের মতোই। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন ঋণসীমা পরিপালনের সময়সীমা ৩০ জুনের পরিবর্তে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পুনর্নির্ধারণ করা হলো। এ ক্ষেত্রে গত ৩০ জানুয়ারি বা তার আগে গ্রাহককে দেওয়া কোনো প্রতিশ্রুতি (কমিটমেন্ট) ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরাসরি ঋণে (ফান্ডেড) পরিণত হওয়ার কারণে ঋণসীমা বেড়ে গেলেও তা নির্দেশনার লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে না। তবে এ ক্ষেত্রেও ঋণ আমানত হার ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত সীমায় নামিয়ে আনতে হবে। জানতে চাইলে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিস এ খান প্রথম আলোকে বলেন, এর ফলে ব্যাংকগুলোতে যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল, তা নিরসন হবে। ব্যাংকগুলো ঋণসীমা সমন্বয়ে যথেষ্ট সময় পেল। ফলে সুদহার বাড়ার যে প্রবণতা শুরু হয়েছিল, তা কিছুটা কমবে। প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলো ১০০ টাকা আমানত সংগ্রহ করলে ৮৫ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারত। গত ৩০ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, আমানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৮৩ টাকা ৫০ পয়সা ঋণ দিতে পারবে ব্যাংকগুলো।

ইসলামি ধারার ব্যাংক আগে ১০০ টাকা আমানতের বিপরীতে ৯০ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারত, নতুন নির্দেশনায় যা ৮৯ টাকা করা হয়। যেসব ব্যাংকের ঋণ নতুন সীমার বেশি রয়েছে, তারা তা সমন্বয় করতে পাঁচ মাসের মতো সময় পেয়েছিল। এই অল্প সময়ের কারণে ঋণ আদায় ও নতুন আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো অর্থ সংগ্রহে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিছু ব্যাংক আমানতের সুদের হার ৯ শতাংশে উন্নীত করে। এতে অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। সরকারি অনেক সংস্থাও বেসরকারি ব্যাংক থেকে আমানত তুলে নেওয়া শুরু করে। গত রোববার অগ্রণী ব্যাংকের এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, একটি বেসরকারি ব্যাংক (ফারমার্স) খারাপ অবস্থায় পড়ে গেছে। বেসরকারি ব্যাংক থেকে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আমানত সরিয়ে নিতে চাইছে। একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এ আতঙ্ক আগে শেয়ারবাজারে ছিল, এখন ব্যাংকে চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে উপস্থিত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের হস্তক্ষেপ চান গভর্নর। গভর্নর বলেন, আমদানি যে হারে বাড়ছে, রপ্তানি ও প্রবাসী আয় সে হারে আসছে না। এতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বেড়েছে। দাম বেড়ে গেছে। চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ১৫০ কোটি ডলার বিক্রি করেছে। এর মাধ্যমে বাজার থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চলে এসেছে।

পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে গভর্নর বলেন, ৫৭ ব্যাংকের মধ্যে ৩৮ ব্যাংকের ঋণ আমানত অনুপাত (এডিআর) সীমার নিচেই আছে। অযথাই বলা হচ্ছে, ঋণসীমা সমন্বয়ের কারণে বড় প্রভাব পড়বে। নতুন নিয়মের ফলে ১১ হাজার কোটি টাকার আমানত লাগবে। এর মধ্যে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন, বাংলাদেশ কৃষি, বেসিক ও ফারমার্স ব্যাংকেরই ৬ হাজার কোটি টাকা। বাকি বেসরকারি ১৫ ব্যাংকের লাগবে ৫ হাজার কোটি টাকা। আগ্রাসী ঋণ বিতরণ বন্ধ, ঋণের মান ভালো ও ঋণশৃঙ্খলা নিশ্চিতে ঋণসীমা কমানো হয়েছে। আমানতের সুদহার বাড়তে শুরু করেছে, এটা আমানতকারীদের জন্য ভালো। তবে ঋণের সুদহার বাড়াটা ভালো নয়। এটা স্বল্প সময়েই ঠিক হয়ে যাবে। পরিস্থিতি সামলাতে অর্থমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বক্তব্য দেওয়ায় এ নিয়ে পুরো খাতে একধরনের আতঙ্ক ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এরপর গতকালই আগের অবস্থান থেকে পিছু হটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

source : prothom-alo

লাগামহীন আমদানিতে উদ্বেগ

চলতি অর্থবছরে আমদানি খরচ ৬ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আভাস দিয়েছেন অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর। RELATED STORIES তিন মাসে চাল আমদানির এলসি বেড়েছে ১৮৫ গুণ বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দ্বিগুণ বর্তমান দরে এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকা; যা চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের চেয়ে এক লাখ কোটি টাকা এবং আগামী অর্থবছরের সম্ভাব্য বাজেটের চেয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা বেশি। এই তথ্য জানিয়ে লাগামহীন আমদানিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর। তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধেই (জুলাই-ডিসেম্বর) আমদানি ব্যয় ২৯ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি মাসেই বাড়ছে আমদানি। বাড়ছে এলসি (ঋণপত্র) খোলার পরিমাণ।

“আমি হিসাব করে দেখেছি, সব মিলিয়ে এবার আমদানি ব্যয় ৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।” কেন বাড়ছে? কেন আমদানি বাড়ছে- এ প্রশ্নের উত্তরে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান মনসুর বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে আমদানির যে উল্লম্ফন যেটা মূলত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানির কারণে বাড়ছে। এছাড়া চাল, জ্বালানি তেল, ক্যাপিটাল মেশিনারি এবং শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বাড়ার কারণেও আমদানি ব্যয় বাড়ছে।” গত ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য কী পরিমাণ পণ্য বা যন্ত্রাংশ আমদানি হয়েছে তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। এখানেই হচ্ছে রুপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখানেই হচ্ছে রুপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র সঙ্কটের কারণে বেড়েছে চাল আমদানি সঙ্কটের কারণে বেড়েছে চাল আমদানি তবে এই সময়ে খাদ্য (চাল ও গম) আমদানি বেড়েছে ২১২ শতাংশ। ক্যাপিটাল মেশিনারি বা মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি বেড়েছে ৩৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ। জ্বালানি তেল আমদানিতে খরচ বেড়েছে প্রায় ২৮ শতাংশ। আর শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বেড়েছে ১৫ শতাংশের বেশি। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক পণ্য আমদানির সর্বশেষ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য মোট ৪০ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলারের এলসি (ঋণপত্র) খোলা হয়েছে। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭৫ শতাংশ বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ২৩ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হয়েছিল। এই ছয় মাসে চাল আমদানির এলসি বেড়েছে ১১৩৫১ শতাংশ। গমের এলসি বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। পেঁয়াজ, ৮০ শতাংশ, জালানি তেল ২৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং মূলধনী যন্ত্রপাতি আমানির এলসি ৩৫ শতাংশ বেড়েছে। প্রভাব কী? আমদানি বাড়ায় অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়বে- এ প্রশ্নের উত্তরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক কর্মকর্তা আহসান মনসুর বলেন, “স্বাভাবিকভাবে আমদানি বাড়াকে অর্থনীতিতে ইতিবাচক হিসেবেই দেখা হয়ে থাকে। ক্যাপিটাল মেশিনারি, শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বাড়া মানে বিনিয়োগ বাড়া। “কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, অনেক সময়ই আমরা শুনি যে, এক পণ্য আমদানির নামে অন্য পণ্য আমদানি হচ্ছে। অনেক সময় শূন্য কন্টেইনারও আসছে…। আবার ওভার ইনভয়েসের (আমদানি করা পণ্যের বেশি মূল্য দেখিয়ে) মাধ্যমে অর্থ পাচার করছেন অনেকে।” “সে কারণেই এই আমদানি বাড়াকে আমি শুধু ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছি না, উদ্বিগ্নও খানিকটা,” বলেন তিনি।

আহসান এইচ মনসুর আহসান এইচ মনসুর আমদানি বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ পড়ার শঙ্কা জানিয়ে আহসান মনসুর বলেন, “একটা দিক দিয়ে এতদিন আমরা স্বস্তিদায়ক অবস্থায় ছিলাম। রিজার্ভ প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলারে উঠে গিয়েছিল। কিন্ত আমদানি বাড়ায় সেটা আর থাকবে না। আমার তো মনে হয় খুব শিগগিরই রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসবে।” “যদি রপ্তানি আয় ও রেমিটেন্স বাড়তো তাহলে সমস্যা হতো না। আমদানি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়লেও রেমিটেন্স ও রপ্তানি আয় বাড়ছে ধীর গতিতে,” বলেন তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, রোববার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৩ বিলিয়ন ডলার। মার্চের প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে আসবে বলে তথ্য দেন আহসান মনসুর। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) রপ্তানি আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আর রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মোট ৪৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছিল। যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ৯ শতাংশ বেশি। আর চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ছয় মাসে অর্থাৎ জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ২৮ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে। গত বছরের ২২ জুন রিজার্ভ ছাড়ায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রিজার্ভ ছিল ৩৩ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার; ২০১৭ সালের জুলাই শেষে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়। বাংলাদেশকে দুই মাস পরপর পরিশোধ করতে হয় আকুর বিল।

source : bdnews24

চীনা কনসোর্টিয়ামের প্রস্তাব কমিশনে এ সপ্তাহেই

কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে চীনা দুই স্টক এক্সচেঞ্জ সেনজেন ও সাংহাইকেই অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বোর্ড। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য চলতি সপ্তাহে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) এ ফাইল পাঠানো হবে। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ সভায় সকল পরিচালকদের সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিচালকদের এই সিদ্ধান্তে আনন্দিত শেয়ার হোল্ডারাও। গত ১০ ফেব্রুয়ারি চীনা দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে ডিএসইর ২৫ শতাংশ মালিকানা দেওয়ার জন্য অনুমোদন ডিএসই বোর্ড। তার আগের গত ৬ ফেব্রুয়ারি দুটি প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে ডিএসই বোর্ড। কিন্তু ১০ ফেব্রুয়ারি দর প্রস্তাবে হেরে ভারতীয় কনসোর্টিয়াম ডিএসই’র মালিকানায় আসতে মরিয়া হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, তারা কমিশনের পাশাপাশি ও রাজনৈকভাবে বোর্ডকে চাপ সৃষ্টি করে। উপস্থিত সদস্যদের উদ্দেশ্যে ডিএসই’র সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান বলেন, সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে জয় হবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে আমাদের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টররা অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে সবকিছু মোকাবেলা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আরও পড়ুন>> ** ডিএসই’র কৌশলগত বিনিয়োগকারী হচ্ছে চীনা কনসোর্টিয়াম বোর্ড সভা শেষে ডিএসই’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হাশেম সাংবাদিকদের বলেন, চীনা কনসোর্টিয়াম সাংহাই ও সেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে আগের সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এবারও বৈঠকে তাই বহাল রাখা হয়েছে। শিগগির এই প্রস্তাব কমিশনে পাঠানো হবে। ‘সাবেক সচিব ওয়ালিউল ইসলামের নেতৃত্বে কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে বের করা জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি যোগ্য প্রতিষ্ঠানের নাম প্রস্তাব করে। আর এই প্রস্তাব অনুসারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। আর সেটাই বোর্ড অনুমোদন দিয়েছে।’ কমিশন আপত্তি করলে কি করা হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, ‘বোর্ড বসে সিদ্ধান্ত নেবে।’ কোনো ধরনের প্রেসার ছিলো কিনা? এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। কবে নাগাদ কমিশনে পাঠানো হবে-এমন প্রশ্নের উত্তরে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কেএএম মাজেদুর রহমান বলেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই কমিশনে পাঠানো হবে। বৈঠকে ডিএসইর ইন্ডিপেন্ডেন্ট শেয়ার হোল্ডার ও পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

source : banglanews24

তৈরি পোশাকে সাফল্য কম জাপানের বাজারে

২০১৭ সালে জাপান সর্বমোট ১ হাজার ৩৬০ কোটি ডলারের বিপুল পরিমাণ তৈরি পোশাক বহির্বিশ্ব থেকে আমদানি করেছে। জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জাপানের মোট আমদানির মধ্যে তৈরি পোশাকের অবস্থান দশম। এর মধ্যে বাংলাদেশের হিস্যা ৭৪ কোটি ৪৪ লাখ ডলার; যা জাপানের মোট পোশাক আমদানির মাত্র ৫.৪৭ শতাংশ। শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা, গতানুগতিক বাজার না হওয়ায় সরকারি তরফে ৩ শতাংশ নগদ প্রণোদনা এবং বিশাল বাজার হিসেবে ভালো সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সম্প্রসারিত হচ্ছে না জাপানের তৈরি পোশাকের বাজার। বরং ২০১৬ সালের তুলনায় গত বছর বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ৩.৮৪ শতাংশ। বিজিএমইএ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবেই জাপানে রপ্তানি বেড়েছে। তবে সেটা জাপানের চাহিদার তুলনায় অনেক কম। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলারের পণ্য জাপানে রপ্তানি হয়েছে। আর সর্বশেষ অর্থবছরে এই রপ্তানির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ কোটি ৪৪ লাখ ডলারের। এই ১০ বছরে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ২৬ গুণ। তবে জাপানের তৈরি পোশাকের বিশাল বাজারে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক হিসেবে বাংলাদেশের হিস্যা একেবারেই নগণ্য। অথচ বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে জাপানে।

গার্মেন্ট ব্যবসায়ীরা জানান, টানা প্রবৃদ্ধির মধ্যে গত বছর জাপানে পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির একটি মূল কারণ ২০১৬ সালে ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় নৃশংস হামলা। ওই হামলায় জাপানের একাধিক নাগরিক নিহতের ঘটনায় জাপানিদের বাংলাদেশে বিচরণের ওপর অলিখিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সে দেশের সরকার। এর প্রভাব পড়ে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানিতে। ব্যবসায়ীরা জানান, ইউরোপ কিংবা আমেরিকার ক্রেতাদের তুলনায় জাপানি ক্রেতাদের সঙ্গে ব্যবসা শুরু করা কষ্টকর। জাতি হিসেবে জাপানিরা অনেক বেশি খুঁতখুঁতে। এ কারণে তৈরি পোশাকে তাদের সন্তুষ্টি অর্জন করাও অনেক সৌভাগ্যের ব্যাপার। একজন ব্যবসায়ী জাপানি ক্রেতার সঙ্গে কাজ শুরুর অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, ‘শুরুতেই জাপানের একটি বড় বায়ার আমার কারখানা পরিদর্শন করে কিছু সংস্কারের তালিকা ধরিয়ে দেয়। এ ছাড়া মাসে মাত্র ২ হাজার শার্টের কার্যাদেশ দেয়।

শার্টের পরিমাণ দেখেই আমরা হতাশ হয়ে যাই; কিন্তু কেমন জানি জেদ অনুভব করলাম। ছয় মাস তাদের একজন প্রতিনিধি প্রতিটি শার্ট উত্পাদনের সব ধাপ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে। পরে সন্তুষ্ট হয়ে তারা অর্ডারের পরিমাণ বাড়াতে থাকে। ৫ বছরের ব্যবধানে বর্তমানে আমরা ওই বায়ারের বছরে ৬ মিলিয়ন শার্ট রপ্তানি করি।’ তিনি জানান, শুরুতে মানিয়ে নিতে একটু কষ্ট হলেও জাপানি ক্রেতারা ইউরোপ-আমেরিকার ক্রেতাদের তুলনায় কোনো অংশে কম কার্যাদেশ দেয় না। তা ছাড়া পোশাকের দরও ইউরোপের মতোই। এ ছাড়া একবার কোনো কম্পানিতে তাদের আস্থা সৃষ্টি হলে তারা সহজে কারখানা পরিবর্তন করে না। তবে জাপানি ক্রেতাদের সঙ্গে ব্যবসা শুরুর দিকের চ্যালেঞ্জ অনেকেই নিতে চায় না। এ কারণে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও জাপানি বায়ারদের সঙ্গে কাজ করা কারখানার সংখ্যা এখনো হাতেগোনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী জানান, ঝুঁকি নিয়ে হয়তো কোনো জাপানি ক্রেতার সঙ্গে কাজ শুরুর পর যদি কোনো কারণে তাঁর পছন্দ না হয় তাহলে তাঁরা বিনা নোটিশে কার্যাদেশ বাতিল করবে।

এই ঝুঁকি নেওয়ার সামর্থ্য অনেকের নেই। তবে এই ঝুঁকি নেওয়ার মধ্যেই যে ব্যবসায় সাফল্যের চাবিকাঠি তা জানিয়ে বিজিএমইএ পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সবাই ইউরোপ, আমেরিকার সহজ বাজারে ব্যবসা করতে চায়; কিন্তু অপ্রচলিত বাজার খোঁজার ঝুঁকি কেউ নিতে চায় না। যারা নিতে পারে তারা কিন্তু সাফল্যও পায়। জাপানিরা পণ্যের গুণগত মান নিয়ে অনেক বেশি সচেতন। এ কারণে তাদের সন্তুষ্ট করা অনেক কষ্টসাধ্য; কিন্তু চ্যালেঞ্জ নিয়ে তাদের পছন্দ, চাহিদা সম্পর্কে সচেতন হয়ে কাজ করতে পারলে এই বাজারে সাফল্যের সুযোগ অনেক বেশি।’ প্রসঙ্গত, সৈয়দ তানভীরের প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরেই জাপানের সবচেয়ে বড় রিটেইলশপ ‘ইউনিকলো’র সঙ্গে ব্যবসা করে আসছে। তবে চলতি অর্থবছর থেকেই জাপানের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অবস্থান সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ আবু তৈয়ব। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘জাপানিদের চাহিদা অনেক বেশি হাই কোয়ালিটি। তাদের কোয়ালিটির সঙ্গে তাল মেলানো কষ্টসাধ্য। তবে আশা করছি, এ বছর থেকে আমাদের দেশের কারখানাগুলো তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে। কারণ এখন আমাদের অধিকাংশ কারখানাই শতভাগ কমপ্লাইয়েন্সড। অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের এই সার্টিফিকেট অন্য বায়ারদের কাছেও গ্রহণযোগ্য হবে। ফলে জাপানের অর্ডার পেতে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সুবিধা পাবে বাংলাদেশের পোশাক মালিকরা।’

source : kalar kontho

আনুষ্ঠানিকভাবে চালু ফোর–জি

দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর-জি) টেলিযোগাযোগ সেবা। চার মোবাইল ফোন অপারেটরকে ফোর-জি সেবার লাইসেন্স দেওয়ার মাধ্যমে দেশে এ সেবার যাত্রা শুরু হলো। লাইসেন্স পাওয়ার পরপর দেশের বিভিন্ন স্থানে গতকালই সেবাটি চালু করা হয়েছে।

রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে গতকাল সোমবার এক অনুষ্ঠানে অপারেটরদের হাতে নতুন চালু হওয়া এ সেবার লাইসেন্স তুলে দেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বিটিআরসির কমিশনার ও অন্যান্য কর্মকর্তা, চার মোবাইল অপারেটরের কর্মকর্তা, মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটবের মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবীরসহ খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফোর-জি লাইসেন্সের পাশাপাশি গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংককে প্রযুক্তিনিরপেক্ষতার লাইসেন্সও দেওয়া হয়। প্রযুক্তিনিরপেক্ষতা হলো যেকোনো তরঙ্গে যেকোনো প্রযুক্তির টেলিযোগাযোগ সেবা দেওয়ার সুবিধা। লাইসেন্স হাতে পাওয়ার পরপরই অনুষ্ঠানস্থলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফোর-জি চালু হয়ে যায়। গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলিও বলেন, প্রাথমিকভাবে ৮০টি সাইট বা মোবাইল টাওয়ারে ফোর-জি চালু করা হয়েছে। তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকার বসুন্ধরা, বারিধারা, গুলশান এবং চট্টগ্রামের দামপাড়া, খুলশি ও নাসিরাবাদে ফোর-জি চালু করা হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ফোর-জি সেবা পাওয়া যাবে। রবির সিইও ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ঢাকাসহ সারা দেশের বড় শহরের ১৭৯টি সাইট বা মোবাইল টাওয়ারে ফোর-জি চালু হয়েছে। বাংলালিংক প্রাথমিকভাবে ২০০-এর বেশি সাইটে ফোর-জি সেবা চালু করেছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনা বিভাগের বেশ কিছু জায়গায় এ সেবা চালু করেছে দেশের তৃতীয় বৃহৎ এ অপারেটরটি। উন্নত মানের ফোর-জি সেবার জন্য তিনটি বিষয়ে জোর দিয়ে রবি সিইও বলেন, এ প্রযুক্তির হ্যান্ডসেট ও যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক কমানো, গ্রামে-গঞ্জে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে।

এতে সারা দেশে এ সেবাটি প্রসারের সুযোগ তৈরি হবে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘টেলিযোগাযোগ সেবার মান নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। ফোর-জি সেবা চালুর মাধ্যমে এ সেবার মান অনেকটাই উন্নত হবে। গ্রাহকদের বলব, আগে ফোর-জি ব্যবহার করুন, তারপর এ বিষয়ে মন্তব্য করুন।’ ফোর-জি সিম পরিবর্তনে গ্রাহকদের কাছে অর্থ নেওয়ার বিষয়ে অপারেটরদের সতর্ক করে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, এ জন্য অর্থ নেওয়া যাবে না। মোস্তাফা জব্বার বলেন, ফোর-জি সিম বদলানোর জন্য কেউ কেউ টাকা নিচ্ছেন। অপারেটরদের এমন কিছু করা উচিত নয়, যাতে বিটিআরসি ও সরকার বিব্রত হয়।

source : prothom-alo