Dear valued visitors, we have released our new Screener. Please click here to check this one as well. If you have any suggestion, you can drop an email to [email protected]
News Details
ভূমি অধিগ্রহণে ব্যয় বাড়ছে ১৪শ’ কোটি টাকা

পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় দ্বিগুণের বেশি বাড়ছে। সেতু নির্মাণে বিলম্ব হওয়ায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং ডুবোচরগুলো জেগে উঠায় ব্যক্তি মালিকানার জমিতে ড্রেজিং এর মাটি ফেলা যাচ্ছে না। এজন্য পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ (২য় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ১৪শ কোটি টাকা ব্যয়ে ১হাজার ১৬২ দশমকি ৬৭ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে সেতু বিভাগ। প্রকল্পটি আজ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে (একনেক) অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ১৪শ কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধি পেলেও সবমিলিয়ে প্রকল্প ব্যয় বাড়বে ৪ দশমিক ৮৬ ভাগ। মূল প্রকল্পের ৫ ভাগের কম ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় পুরো প্রকল্পটি সংশোধনের প্রয়োজন হবে না। তাছাড়া মূল ডিপিপি সংশোধন হলে আরো বিলম্ব হবে। এজন্য ভূমি অধিগ্রহণের এই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সেতু বিভাগের আওতায় পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পটির ২য় সংশোধনী ২০০৯ সালের জানুয়ারি হতে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি একনেক সভায় অনুমোদন হয়। প্রকল্পটি বর্তমানে ৫টি ভাগে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে জাজিরা সংযোগ সড়ক, মাওয়া সংযোগ সড়ক এবং সার্ভিস এরিয়া-২ এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণ এবং নদী শাসন কাজ চলমান রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মূল সেতুর ১ম স্প্যান স্থাপন করা হয়। বর্তমানে আরো দুটি স্প্যান বসানো হয়েছে। পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ (২য় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পে ১৫৩০ দশমিক ৫৪ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ১ হাজার ২৯৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সংস্থান রয়েছে।

বর্তমানে সেতু বিভাগ ১৪শ কোটি টাকা ব্যয়ে আরো ১১৬৬ দশমিক ৬৭ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব করেছে। সর্বশেষ অনুমোদিত ডিপিপি অনুযায়ী ১৫৩০ দশমিক ৫৪ হেক্টর জমির মধ্যে এ পর্যন্ত ১৪৭২ দশমিক ৬০ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ বাবদ ১ হাজার ২৯৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা এবং ৪০ দশমিক ৮১ হেক্টর জমি হুকুম দখল বাবদ ৮৯ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণে ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে সেতু বিভাগ জানিয়েছে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বিস্তারিত নকশা অনুযায়ী ২০০৯ থেকে ২০১৩ সময়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজের বিস্তারিত নকশা তৈরি হয়। এক্ষেত্রে নদী শাসন কাজের চুক্তিতে ড্রেজিং করে ৬ কোটি ঘনমিটার বা ২১২ কোটি ঘনফুট মাটি নির্ধারিত স্থানে ফেলার লক্ষ্য ছিলো। এজন্য জাজিরা প্রান্তে মূল সেতুর উজান ও ভাটির ডুবোচর এলাকায় কিছু স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিলো। সর্বশেষ ২য় সংশোধিত ডিপিপি ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে অনুমোদনকালে চিহ্নিত স্থানের জমিগুলো ডুবোচর ছিলো এবং সেখানে কোন চাষাবাদ বা জনবসতি ছিলো না।

যে কারণে সেসময় আলাদা করে জমি অধিগ্রহণ করার প্রয়োজন হয় নি। পরবর্তীতে পদ্মা সেতু প্রকল্পটি বিলম্বে শুরু হওয়ায় নদীর গতি-প্রকৃতিও পরিবর্তন হয়। ফলে মূল ডিজাইনে চিহ্নিত স্থানগুলো পলি জমে ভরাট হয়ে যায় এর ফলে জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়। জমির মালিকরা ভরাট জমিতে বসতি স্থাপন এবং চাষাবাদ শুরু করে। এজন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ড্রেজিং করে মাটি ফেলতে পারেনি। অন্যদিকে জাজিরা প্রান্তে মূল নদীশাসন কাজের সীমানার কিছু অংশ পানির নিচে অবস্থিত হওয়ায় ইতোপূর্বে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। ফলে নতুন করে জমি অধিগ্রহণ করতে চাইছে সেতু বিভাগ।

source : Ittfaq

বিনিয়োগের ৩০% পিপিপির প্রকল্প নিতে হবে

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে প্রতিবছর যে টাকা (বিনিয়োগ) দেওয়া হয়, এখন থেকে তার ৩০ শতাংশ দিয়ে সরকারি বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) মাধ্যমে প্রকল্প নিতে হবে। যেমন এক অর্থবছরে সড়ক ও জনপথ বিভাগে যদি ১০০ টাকা বরাদ্দ থাকে, তার ৩০ শতাংশ টাকা পিপিপির আওতায় প্রকল্প গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। পিপিপির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আনার পাশাপাশি এই মডেলকে জনপ্রিয় করে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাওয়া নির্দেশ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

পিপিপিতে প্রকল্প নিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে বলা হয়েছে চিঠিতে। এডিপিতে অর্থায়ন ও প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়া যেহেতু পরিকল্পনা কমিশন করে থাকে, সে জন্য পিপিপির প্রকল্পগুলোও তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কমিশনকে। এ জন্য কমিশনে পিপিপির জন্য আলাদা একটি সেল গঠনের চিন্তা-ভাবনাও শুরু হয়েছে। উদ্দেশ্য, পিপিপির আওতায় প্রকল্পের সংখ্যা বাড়ানো। পিপিপিকে কার্যকর করা এবং দ্রুত কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা। জানতে চাইলে পিপিপি কার্যালয়ের পরিচালক (উপসচিব) আবুল বাশার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পিপিপির আওতায় প্রকল্পের সংখ্যা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সেটি হলো কোনো মন্ত্রণালয়ের মোট বিনিয়োগের ৩০ শতাংশ পিপিপি প্রকল্পে খরচ করতে হবে। এটি করতে পারলে পিপিপি প্রকল্পে গতি আসবে।’ এদিকে এখন থেকে দুই দেশের সরকার মিলে (জিটুজি) যৌথভাবে পিপিপির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবে।

বাংলাদেশ সরকার বিশ্বের যেকোনো দেশের সরকার কিংবা তাদের মনোনীত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবে। আগে এই সুযোগটি ছিল না। গত ৩০ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পিপিপি কর্তৃপক্ষের বোর্ড অব গভর্নরসের দ্বিতীয় সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। পিপিপি আইনে আগে এই ধারাটি ছিল না। আইনটি সংশোধন করে নতুন করে ধারাটি যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে জাপান, ভারত, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার যৌথভাবে পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবে। আইনের নতুন ধারায় বলা হয়েছে, ‘পিপিপি কর্তৃপক্ষ ও অন্য কোনো দেশের সরকার বা মনোনীত কোনো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার কর্তৃক চিহ্নিত কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জিটুজি পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাবে।’ পিপিপি কর্তৃপক্ষ সূত্র বলছে, জিটুজি পিপিপি পদ্ধতিতে প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপান, সিঙ্গাপুর তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে। সে কারণে আইনটি সংশোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ করতে চায় জাপান।

এরই মধ্যে দুই দেশের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রথম পদ্মা সেতুর কাজ একটা অবস্থানে যাওয়ার পর দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ছাড়াও জাপান পিপিপির মাধ্যমে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার সড়ক উন্নয়ন, মেট্রো রেল লাইন দুই, হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পও বাস্তবায়নে আগ্রহ আছে জাপানের। দুই দেশের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এসব প্রকল্প নিয়ে আলোচনাও চলছে। এ ছাড়া পিপিপির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে সিঙ্গাপুরের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। দেশটি বাংলাদেশের আবাসন, বন্দর ও পর্যটন খাতে কাজ করতে চায়। পিপিপি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, নির্বাচনের বছর সাধারণত দেশে বিনিয়োগ কম হয়। এটা ঠিক। সরকারের শেষ সময়ে কেউ বিনিয়োগ করতে চায় না। তবে আলোচনা তো এগিয়ে নিতে হবে। নির্বাচনে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, যাতে আলোচনাটা এগিয়ে নিতে পারে।

পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, কোনো মন্ত্রণালয়ের ৩০ শতাংশ অর্থ পিপিপির আওতায় প্রকল্প নেওয়ার চিন্তা আসে পিপিপি কর্তৃপক্ষের কার্যালয় থেকে। পিপিপি কার্যালয় যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে, তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে তৈরি করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের রূপকল্প-২০২১ এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পৌঁছাতে হলে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় শুধু দেশের ভৌত ও সেবা খাতে প্রতিবছর জিডিপির ১.৮ শতাংশ বিনিয়োগ জরুরি। সে জন্য পিপিপির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিকল্প নেই বলে মত অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের। পিপিপির উদ্যোগকে সফল করতে প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে আলাদা পিপিপি সেল গঠন ও ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, দেশে প্রথমবারের মতো ২০০৯ সালে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি বা পিপিপি মডেল চালু করে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও সরকারি ও বেসরকারি (পিপিপি) মিলে বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন ততটা সফল হওয়া যায়নি আমলাতান্ত্রিকসহ নানা জটিলতার কারণে। নানামুখী উদ্যোগ নিলেও দেশে এখনো জনপ্রিয়তা পায়নি পিপিপি মডেল।

source : kalar kontho

বিএবির সিদ্ধান্ত ঋণে ৯ ও আমানতে ৬ শতাংশের বেশি সুদ নয়

ব্যাংকঋণের সর্বোচ্চ সুদহার ৯ শতাংশ নির্ধারণ করে দিয়েছে বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)। আর তিন মাস মেয়াদি আমানতের সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ শতাংশ। আগামী ১ জুলাই থেকে সংগঠনটির সদস্যভুক্ত সব ব্যাংকের ক্ষেত্রে নতুন এ সুদহার কার্যকর হবে। ক্রমঊর্ধ্বমুখী ঋণের সুদহারে লাগাম টানতে গতকাল রাজধানীর গুলশানের জব্বার টাওয়ারে বিএবির কার্যালয়ে বৈঠক করে সংগঠনটি। ওই বৈঠকেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে বেশি সুদ দিয়ে অন্য ব্যাংকের আমানত ভাগিয়ে নেয়ার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেন বিএবি চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ জুলাই থেকে বেঁধে দেয়া সুদের বেশি দিয়ে আমানত গ্রহণ ও ঋণ বিতরণ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানান তিনি। বেসরকারি ব্যাংকের মতোই ঋণের সুদহার এক অংকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সব ব্যাংকও। গতকাল সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ডেপুটি গভর্নরসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা (এমডি) অংশ নেন। গতকাল বেলা ১১টায় বিএবি কার্যালয়ের বোর্ড রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার। সভায় ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হাসান, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী, ইউনিয়ন ব্যাংকের পরিচালক জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, সাউথইস্ট ব্যাংকের পরিচালক আজিম উদ্দিন আহমেদ, ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান এ রউফ চৌধুরী, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান তমাল এসএম পারভেজ, ইস্টার্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী চৌধুরী, এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নূরুন নেওয়াজ সেলিমসহ বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ব্যাংক থেকে ১৩-১৫ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে কোনো ব্যবসায়ী তা ফেরত দিতে পারবেন না। মামলা-মোকদ্দমা করে কারো কাছ থেকে টাকা আদায় করা যায় না। এটা সম্ভব নয়। এতে ব্যাংক অচল হয়ে যাবে। ঋণের সুদহার এক অংকে নামিয়ে আনার পক্ষে যুক্তি হিসেবে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে এখন এমন কোনো ব্যবসা নেই, যেখানে ১৫-১৬ শতাংশ মুনাফা হয়। ঋণের সুদই যদি ১৩-১৪ শতাংশ হয়, তাহলে মূল ঋণ তো আছেই। একটি ব্যবসায় কত মুনাফা করলে গ্রাহকরা ব্যাংকের ঋণ শোধ করতে পারবে? এটি করতে হলে ব্যবসায়ীদের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ মুনাফা করতে হবে। বাংলাদেশে এমন কোনো ব্যবসা কি আছে, যেখানে ২০-২৫ শতাংশ মুনাফা করা যাবে? আমি বাংলাদেশের গার্মেন্ট খাতের একজন বড় রফতানিকারক। মাসে আমার রফতানি হয় কয়েকশ কোটি টাকার পণ্য।

শ্রমিকের মজুরি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে আমি ৩-৪ শতাংশের বেশি মুনাফা করতে পারি না। তাহলে আমি ব্যাংকের সুদ কোথা থেকে দেব? মূল ঋণ তো আছেই। দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে, ব্যাংকের স্বার্থে এবং উন্নয়নের স্বার্থে ঋণের সুদহার কমাতে হবে জানিয়ে মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, এটি করতে আমরা বাধ্য। এটি যুগের ডাক, সময়ের ডাক। এ পরিবেশে ব্যাংকঋণের ১২-১৪ শতাংশ সুদ দিয়ে কোনো শিল্প খাত দাঁড়াতে পারবে না। এজন্যই আমরা দেখেছি, দু-তিনটি ব্যাংক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছেপে সুদের হার কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। পর্ষদ সভায় সিদ্ধান্ত নিয়েই তারা এটি করেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের বলেছেন, ঋণের সুদের হার যেকোনোভাবেই হোক সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে হবে। ১০ কখনো সিঙ্গেল ডিজিট নয়। আর ডিপোজিট রেট মূল্যস্ফীতির নিচে নামিয়ে আনা যায় না। বর্তমানে আমাদের মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি কিছুক্ষণ আগে গভর্নরের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, বর্তমানে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। কাজেই আমরা ১ জুলাই থেকে ডিপোজিট রেট ৬ শতাংশ নির্ধারণ করে দেব। সব ব্যাংক একসঙ্গে এটি কমাবে। লিজিংসহ অন্যান্য কোম্পানিকেও আমানতের সুদহার কমাতে হবে জানিয়ে বিএবি চেয়ারম্যান বলেন, তারা গ্রাহকদের ১২-১৩ শতাংশ সুদে আমানত রাখার প্রস্তাব দিয়ে মোবাইলে এসএমএস দেয়। এটি বন্ধ করতে হবে। তা না হলে ব্যাংকের আমানত ওইসব প্রতিষ্ঠানে চলে যাবে। ঋণের সুদের হার এক অংকে নামিয়ে আনার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথাও উল্লেখ করেন বিএবি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের অনুরোধ ও নির্দেশনা দিয়েছেন, যেকোনোভাবে ঋণের সুদহার এক অংকে নামিয়ে আনতে। তিনি বলেছেন, আপনাদের দাবি আমি মানব এবং মেনেও আসছি। তিনি তা প্রমাণও করেছেন। ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন বিষয়ে মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ছেলে-মেয়ে আলাদা ব্যবসা করেন। তাদের টিআইএন আলাদা।

রাজনৈতিকভাবে বাবা করে বিএনপির নির্বাচন, ছেলে আওয়ামী লীগের। তাহলে নিজেদের মধ্যে মিলমিশ কোথায় হলো? কিন্তু পরিবারের সংজ্ঞার মধ্যে ফেলে দিয়ে বলা হচ্ছে, বাবা-মা, ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে ব্যাংকের পরিচালক হতে পারবেন না। অথচ তারা কিন্তু যুদ্ধংদেহী, মুখোমুখি। তাহলে তারা কেন একই ব্যাংকের পরিচালক হতে পারবেন না? বেসরকারি খাতের উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন ইউনিয়ন ব্যাংকের পরিচালক জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। তিনি বলেন, বেসরকারি খাতের উন্নয়নের মাধ্যমেই সারা পৃথিবীর উন্নয়ন হয়েছে। আমি যখন মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলাম, তখন দেশে কোনো বেসরকারি ব্যাংক ছিল না। দেশে প্রথম বেসরকারি ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সাতটি ব্যাংক তিনি অনুমোদন দিয়েছিলেন। আজকের দিনে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি ব্যাংকের জন্য যা যা করেছেন, তা অভূতপূর্ব। আমি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছি। তবে চাঁদা তুলে খাই না, ব্যবসা করে খাই। এজন্যই বলি, বিনিয়োগ ছাড়া কর্মসংস্থান হবে না। সুদের হার বেশি হলে ব্যবসায় মুনাফা করা সম্ভব নয়। সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে হয়েছে বলে জানান সাউথইস্ট ব্যাংকের পরিচালক আজিম উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, আজ আমরা শাঁখের করাতে পড়েছি। ব্যাংক রক্ষা করব নাকি ব্যবসা? ঋণের সুদের হার কমানোর ব্যাপারে আমাদের কোনো দ্বিমত নেই। তবে কমানোর ক্ষেত্রে স্প্রেডের বিষয়টি আমাদের খেয়াল রাখা দরকার। কারণ এ বিষয়ে দ্বিতীয়বার এখানে বসা সম্ভব হবে না। ব্যাংকিং খাতে সরকারের অবদানের কথা উল্লেখ করে ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান এ রউফ চৌধুরী বলেন, ব্যাংকের করপোরেট ট্যাক্স কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এটিকে আমরা অ্যাপ্রিশিয়েট করি। তবে সুদহার কমানোর ক্ষেত্রে স্প্রেডের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। ব্যাংকের জন্য মন্দ ঋণ বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। ব্যাংক থেকে একেকজন ৪০০-৫০০ কোটি টাকা বের করে নিয়ে গেছে। জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে, এলসি খুলে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করেছে। এটি শুধু একটি ব্যাংকে হয়নি।

এগুলো কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা দরকার। আমরা সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করব। তবে অবশ্যই সরকারের সহযোগিতায় খেলাপি ঋণ কমাতে হবে। ব্যাংকিং খাতের বিপর্যয়ের জন্য ফারমার্স ব্যাংক কেলেঙ্কারির বিষয়টি উদ্ধৃত করে মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ফারমার্স ব্যাংক বিপদে পড়েছে। সরকার এটিকে উদ্ধার করেছে। সময়ের প্রয়োজনেই সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে। বিপদে পড়ে ফারমার্স ব্যাংক ধ্বংস হয়ে গেলে আমাদের ওপর কালিমা পড়ে যেত। তিনি বলেন, এখনো কেউ কেউ বলেছেন, কোনো ব্যাংক বেশি সুদে আমানত নিয়ে নিতে পারে। আমি বলতে চাই, এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংককে বলে আমরা এমডিদের ওয়াচ করব। কোনো ব্যাংক ১ শতাংশ বেশি সুদ দিয়ে আমানত নিতে পারবে না। যদি এটি হয়, তাহলে বিএবির কোনো প্রয়োজন থাকে না। এক ব্যাংকের আমানত অন্য ব্যাংকে বেশি সুদে যেতে পারবে না বলেও জানান বিএবি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, তিন মাস মেয়াদি আমানতের সর্বনিম্ন সুদহার হবে ৬ শতাংশ। অন্য আমানতের ক্ষেত্রে ব্যাংক নিজ নিজ অবস্থা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।

এ সময় এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান তমাল এসএম পারভেজ জানতে চান, কোনো ব্যাংক বিএবির সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করলে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে? জবাবে বিএবি চেয়ারম্যান বলেন, এমডিরা ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী। তাদের এটি দেখতে হবে। আগামী কয়েক সপ্তাহ নিয়মিতভাবে আমরা এখানে বসব। ব্যাংকের টাকা কোথায় যাচ্ছে, সেটি পর্যালোচনা করা হবে। কোনো এমডি অন্য ব্যাংকের আমানত বেশি সুদে নিলে, তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিএবি কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়। আপনিও চেয়ারম্যান, আমিও চেয়ারম্যান। সরকার বিষয়টি মনিটর করবে। কোনোভাবেই বেশি সুদ দিয়ে আমানত বাগিয়ে নেয়া যাবে না। এক্সিম ব্যাংকের এমডিও যদি নির্দেশ লঙ্ঘন করেন, তাহলে আমাকে জানাবেন। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। লিজিং কোম্পানি আমাদের বাইরে যেতে পারবে না। এটি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সরকারের প্রত্যেকটি বিভাগ কাজ করবে। বৈঠকে সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানোর বিষয়ে কথা তোলেন এক ব্যাংকের চেয়ারম্যান। এ সময় বিএবি চেয়ারম্যান বলেন, সঞ্চয়পত্রে টাকার পরিমাণ খুব বেশি নয়। এর সুদহার নিয়ে আমাদের আপাতত কোনো কথা নেই। তার পরও সরকারের কাছে বিষয়টি আমরা তুলব।

তিন মাসের নোটিস ছাড়া গ্রাহকদের সুদহার বাড়ানো যাবে না— বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন নির্দেশনার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএবি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, এটি তো আইনের কথা। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি আমরা সমাধান করব। এদিকে ঋণের সুদহার এক অংকে নামিয়ে আনার বিষয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বৈঠকের সিদ্ধান্তের বিষয়ে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বণিক বার্তাকে বলেন, ব্যাংকঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে ব্যাংকিং খাতের সমস্যা, সম্ভাবনাসহ খেলাপি ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

source : Bonik barta

জুনে এডিপির ৫৮ হাজার কোটি টাকা খরচ!

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে গতানুগতিক ধারাবাহিকতাই চলছে। অন্যবারের মতো এবারও বছরের শেষ দিকে এসে মূল এডিপির আকার কাটছাঁট করা হয়েছে। আবার সেই সংশোধিত এডিপিও কাঙ্ক্ষিত হারে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) খরচ হয়েছে ৯৮ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা। আর শেষ এক মাসে কিনা খরচ করতে হবে ৫৮ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা। শুধু চলতি জুন মাসে যে টাকা খরচ করতে হবে, তা দিয়ে দুটি পদ্মা সেতু তৈরির খরচ মেটানো যাবে। সংশোধিত এডিপি শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হলে প্রতিদিন ১ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা খরচ করতে হবে। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ হিসাবমতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে সংশোধিত এডিপির ৬২ দশমিক ৮১ শতাংশ বা ৯৮ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। গতবার একই সময়ে এই হার ছিল ৬৪ দশমিক ৭২ শতাংশ। আইএমইডি শুধু এডিপির কত টাকা খরচ হলো, সেই হিসাব ধরেই এডিপি বাস্তবায়নের চিত্রটি তুলে ধরে। বাস্তবে অনেক সময় প্রকল্পের কাজ খরচের তুলনায় বেশি হয়। কিন্তু ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা হয় না বলেই খরচের হিসাবে আসে না। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের শুরুতে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫ কোটি টাকার এডিপি নেওয়া হয়। পরে তা সংশোধন করে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। এদিকে আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার এডিপি নেওয়া হয়েছে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম এই বিষয়ে সম্প্রতি প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিবছরই দেখা যায়, প্রথম নয় মাসে ৪০-৪৫ শতাংশের মতো এডিপি বাস্তবায়িত হয়। আর শেষের দুই মাসে ৩০-৩৫ শতাংশ টাকা খরচ হয়। এতে কাজের গুণগত মান থাকে না।

এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম আরও বলেন, বড় আকারের এডিপিতে অগ্রাধিকার বিবেচনা না করেই অনেক প্রকল্প নেওয়া হয়। এর ফলে সব প্রকল্পের বাস্তবায়নের সময় বাড়ে। প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে খরচের মাত্রা। চলতি অর্থবছরের ১১ মাস পেরিয়ে গেলেও ১৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের সংশোধিত বরাদ্দের অর্ধেক খরচ করতে পারেনি। এই মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর খরচ বরাদ্দের আড়াই থেকে পঞ্চাশ শতাংশের মধ্যে। এই তালিকায় শীর্ষে থাকা জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ২টি প্রকল্পে সংশোধিত এডিপিতে সাড়ে ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। ১১ মাসে খরচ হয়েছে মাত্র ৪১ লাখ টাকা। এ তালিকার অন্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো হলো রেলপথ মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সেতু বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, অর্থ বিভাগ, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

source : prothom-alo

ঋণের সুদের হার কমালে বিনিয়োগ বাড়বে : মুহিত

বেসরকারি ব্যাংকগুলো ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার ঘোষণাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ঋণের সুদের হার কমিয়ে আনার ফলে দেশের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিনিয়োগকারীদের এটা অনেক দিনের দাবি ছিল। বুধবার সচিবালয়ে রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পরিচালন পর্ষদের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরও উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে কোনো নির্দেশনা দিতে পারি না। তবে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোকে দিতে পারে। তাদের সঙ্গে ঋণ ও আমানতের সুদের হার নিয়ে কথা বলার জন্যই ডেকেছিলাম। এ বিষয়ে তাদের কোনো নির্দেশনা আমি দেইনি। তবে বিষয়টি কিছু করা যায় কি না-সে বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা পুরো বিষয় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঋণের সুদের হারের বিষয়ে যে ঘোষণা ইতিমধ্যে দিয়েছেন তার আলোকেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলো ঋণের সুদের হার যাতে না বাড়ায় সে বিষয়ে নজর দেওয়ার কথা বলেছি। তবে তাদের যে অর্থ দেওয়া হয়েছে, তা মুনাফা অর্জনের জন্য দেওয়া হয়নি। তাদেরকে বলা হয়েছে এসব অর্থ মুনাফা খাতে বিনিয়োগ করা যাবে না। তিনি বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোতে আমি নির্দেশনা দিতে পারি। তবে আজ তাদের কোনো নির্দেশনা দেইনি। আমানতের ওপর সুদের হার তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

কারণ লোকজন এখানে বিট করে। আমানতের ওপর সুদের হার যাতে না বাড়তে পারে সেদিকে নজর দিতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, আগামী ১ জুলাই থেকে ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশ করার যে ঘোষণা বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স (বিএবি) দিয়েছে সেটাই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর কী কী করণীয় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর আগে রাজধানীর গুলশানে জব্বার টাওয়ারে বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স (বিএবি) এর এক জররি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদারের সভাপতিত্বে বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও উদ্যোক্তা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে শেষে সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বেসরকারি ব্যাংকগুলো ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। যা আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

বিএবি সভাপতি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নের ধারা চাঙা করতে জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে তিন মাস মেয়াদি আমানতের সর্বোচ্চ সুদের হার হবে ৬ শতাংশ আর ঋণের সুদহার হবে ৯ শতাংশ। এর চেয়ে কোনো ব্যাংক সুদ বেশি নিতে পারবে না। যেসব ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত মানবে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ইতিমধ্যে আগামী ১ জুলাই থেকে বেসরকারি খাতের পাঁচটি ব্যাংক ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামানোর ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক, এসআইবিএল, ইউনিয়ন ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক রয়েছে। এসব ব্যাংক প্রায় ৫০ শতাংশ ব্যাংক খাতের প্রতিনিধিত্ব করে। তারা যদি সিঙ্গেল ডিজিটে ঋণ নেওয়ার ঘোষণা দেয় তাহলে আমরা কেন পারব না?

source : risingbd

New partnership to bridge revenue data gap

The tax authorities are going to establish an institutional partnership for addressing the discrepancy in revenue collection data by the board and Controller General of Accounts (CGA) office. Recently, the National Board of Revenue (NBR) has formed a high-powered body to implement the plan. The committee comprises representatives of the NBR, CGA, Internal Resources Division (IRD), Bangladesh Bank (BB), Sonali Bank, and the Finance Division. Director General (DG) of the Research and Statistics Wing of the NBR Md Abdur Rouf is the convener of the seven-member committee. Earlier, the NBR had formed such reconciliation committee, which remains inactive.

Officials said a large gap in the total tax revenue collection data between the board and CGA office puzzles the government every year. The gap between the NBR and the CGA data was widening almost every year. The gap was only Tk 29.23 billion during the fiscal year, 2010-11, which rose to Tk 126 billion during FY 2014-15. In fiscal 2015-16, the gap declined to Tk 73.73 billion before doubling during the fiscal year, 2016-17. The NBR recorded Tk 1.85 trillion aggregate revenue collection during FY 2016-17. In contrast, the CGA found the actual collection for the year to be Tk 1.71 trillion. Talking to the FE, Mr Rouf said the committee will try to find out the major reasons for the widening gap in revenue collection data between two government entities. "We will hold meeting with the members of the newly-formed committee within a short time to discuss the wayouts," he said.

The gap in revenue collection figure is hampering the government's expenditure plan, he said. The committee will try to gradually minimise the differences in annual revenue collection data between the NBR and the CGA office, he added. Officials said the NBR formed the committee in a recent meeting chaired by its chairman Md Mosharraf Hossain Bhuiyan. In the meeting, the NBR chief instructed all field-level commissioners to prepare final and reconciled revenue collection data for the outgoing fiscal year (FY), 2017-18, by June 27-28. He urged officials not to wait until June 30. NBR officials said there may be several reasons for the discrepancy. Sometimes BB and Sonali Bank receive tax on wrong account code, causing depository of the money in another head, they said. In the meeting, the NBR has decided to send letters to the BB and Sonali Bank to ensure area-wise specific account code before receiving the tax. Also, there are some 'self-account department' including Road and Transport Division, Public Works directorate, Public Health Engineering Directorate, Postal Department, Forest Department.

These entities can disburse their own fund. Their tax at source is usually deposited centrally through book adjustment without treasury chalan (invoice), officials said. In the meeting, the NBR decided to hold a meeting with the all 'self-account departments' to help them centrally deposit the tax at source. Officials said sometimes tax on band-roll of bidi was deposited in the post office instead of specific account code of NBR in banks. The committee will try to resolve the issues causing data mismatch between the two agencies.

source : Financial Express

২০১৯ সালে সুদিন ফিরবে স্বর্ণে

স্বর্ণকে বলা হয় বিনিয়োগের আশ্রয়স্থল। যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক মন্দা, লাগামহীন মূল্যস্ফীতির মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সব সূচক যখন উল্টো পথে হাঁটে, তখন বাড়ে পণ্যটির দাম। সর্বশেষ ২০১৩ সালে স্বর্ণের বাজারে এমন জয়যাত্রা দেখা গিয়েছিল। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আবার সুদিন ফিরছে পণ্যটির বাজারে। এর শুরু হবে চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে এবং তা বহাল থাকবে পুরো ২০১৯ সাল। এমনকি এ সময়ে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৪০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। এবার মার্কিন মুদ্রা ডলারের দুর্বল অবস্থানে এমনটি ঘটবে বলে মনে করছেন তারা। স্বর্ণের সঙ্গে ডলারের সম্পর্ক পুরোপুরি বিপরীত। সাধারণত ডলারের বিনিময় মূল্য বাড়লে স্বর্ণের মতো পণ্যে লাভ কমে আসে। এতে এসব পণ্যে বিনিয়োগ কমে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদহার বাড়ালেও স্বর্ণের দাম কমে। আবার ডলারের বিনিময় মূল্য কমলে বা সুদহার কমানো হলে ভিন্ন মুদ্রা ব্যবহারকারীদের জন্য স্বর্ণ তুলনামূলক সস্তা হয়ে ওঠে। এতে পণ্যটির চাহিদা বাড়ার কারণে দামও বাড়ে। টরন্টোভিত্তিক টিডি সিকিউরিটিজের গ্লোবাল হেড অব কমোডিটি স্ট্র্যাটেজি বার্ট মেলেক বলেন, চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে স্বর্ণের বাজার চাঙ্গা হতে শুরু করবে। আগামী বছরের শেষ তিন মাস পণ্যটি গড়ে আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৩৭৫ ডলারে লেনদেন হতে পারে। এমনকি এ সময়ে দাম ১ হাজার ৪০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। তিনি বলেন, সময় যত গড়াবে, ডলারের প্রতি ঝোঁক তত কমবে। এতে ধারা উল্টো দিকে বইতে শুরু করবে। আমরা মনে করি, ২০১৯ সালে মার্কিন ডলারের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে।

এটা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির জন্য খুবই শক্তিশালী প্রভাবক। গোল্ডপ্রাইস ডট ওআরজির তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর প্রতি আউন্স স্বর্ণ ১ হাজার ৮৮০ ডলারের বেশি দামে লেনদেন হয়েছিল, যা ১৯৭৩ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড। স্বর্ণ সর্বশেষ ১ হাজার ৪০০ ডলারের বেশি দামে লেনদেন হয়েছিল ২০১৩ সালে। ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর স্বর্ণ ১ হাজার ৪১২ ডলারে লেনদেন হয়। পরবর্তীতে পণ্যটির দাম কমতে কমতে ২০১৫ সালের নভেম্বরে ১ হাজার ৭৪ ডলারে নেমে আসে। এর পর থেকে নিয়মিত ওঠানামা করছে স্বর্ণের দাম। মেলেক বলেন, কাছাকাছি সময়ে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা কম। কারণ চলতি বছর ফেডারেল রিজার্ভ আরো দু-তিনবার সুদহার বাড়াতে পারে। এতে ডলারের অবস্থান শক্তিশালী হবে। তিনি আরো জানান, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে স্বর্ণ গড়ে ১ হাজার ২৯০ ডলারে লেনদেন হতে পারে। বছরের শেষ প্রান্তিকে পণ্যটি লেনদেন হতে পারে ১ হাজার ৩০০ ডলারে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক এবিসি বুলিয়নের গ্লোবাল জেনারেল ম্যানেজার নিকোলাস ফ্রাপেলও একই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

তিনি জানান, নিকটে শক্তিশালী ডলার স্বর্ণের বাজারের জন্য বড় বাধা হয়ে থাকবে। এতে পণ্যটির বাজারকে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। তবে তুলনামূলক ভালো অবস্থান নিয়েই স্বর্ণ চলতি বছর শেষ করবে। তিনি বলেন, ওই সময়ে আর্থিক ফ্যাক্টরসহ নানা কারণে ডলারের শক্তি কমতে থাকবে। এতে স্বর্ণের বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠবে। স্বর্ণের বাজারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হলো ভূরাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। কারণ এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ নিরাপদ করার জন্য ব্যবসায়ীরা স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এ কারণে পণ্যটির দাম বাড়ে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিল। কোরীয় উপদ্বীপে মার্কিন হামলার আশঙ্কায় ওই সময়ে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৩৪০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছে যায়। অথচ ওই বছরের প্রথম ভাগে একই স্বর্ণ ১ হাজার ২৫০ ডলারের কম দামে লেনদেন হয়েছিল। তাই আগামী বছর যেকোনো ধরনের ভূরাজনৈতিক জটিলতা স্বর্ণের বাজারে বাড়তি জ্বালানির জোগান দেবে। মেলেক বলেন, আগামী বছর দুই থেকে তিনবার বাড়ানো হলেও ফেডারেল রিজার্ভের সার্বিক সুদহার তুলনামূলক কম থাকবে বলে মনে হচ্ছে। এর সঙ্গে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, খনি থেকে পণ্য সরবরাহে নিম্নমুখী ধারা মিলে স্বর্ণের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি করবে।

source : bonik barta

NBR estimates revenue loss at Tk 25 billion

The revenue authorities have estimated Tk 25 billion losses in corporate tax collection in the upcoming fiscal year (FY) provided the budgetary proposal made in this connection comes into force from July. The finance minister, in his budget speech on June 07, proposed reducing corporate tax rate for all banks, financial institutions and insurance companies by 2.5 percentage points. The Large Taxpayers' Unit (LTU) under the income tax wing of the National Board of Revenue (NBR) estimated the aggregate losses due to the reduction in corporate tax rates. However, the private think- tank Centre for Policy Dialogue (CPD), in its post-budget press conference, estimated that the proposed tax cut is likely to result in an annual revenue loss of Tk 10 billion to the government.

The Finance Minister, AMA Muhith, proposed bringing down the corporate tax rates for both publicly-traded and non-publicly traded banks, insurance and financial institutions. The corporate tax rate for publicly-traded banks, insurance and FIs has been proposed to be 37.5 per cent from the existing 40 per cent. Banks, insurance and FIs approved by the government in 2013 will also be able to enjoy 37.5 per cent corporate tax rates. Non-listed banks, insurance and FIs will pay 40 per cent corporate tax from the existing 42.5 per cent. There are some 30 publicly-traded banks out of 57 across the country.

Apart from the 30 banks, nine non-listed banks will enjoy 37.5 per cent corporate tax rates in the next fiscal. The non-listed banks were approved by the government in 2013. Talking to the FE, a senior official of LTU said around 60 per cent of the revenue of the unit comes from the banks. Banks pay tax in advance as per income tax ordinance-1984. Banks pay tax in four instalments in all quarters of a fiscal year. Anis A Khan, a former chairman of the Association of Bankers, Bangladesh (ABB), said the proposed cut would help the banks raise their capital base.

The government will have to widen its net to offset the losses of corporate tax rather than focusing on only large taxpayers, he said. "Effective tax rates of banks usually go up to 44 to 45 per cent due to the disallowance of expenditure by the taxmen," he added. The high rate of corporate tax discourages investors, he added. According to official data, the LTU collected Tk 104.40 billion taxes in the first three quarters (Q3) of the current fiscal. This means a 15.04 per cent growth over the same period of the last year. The target of the LTU income tax wing has been set Tk 182 billion for FY 2017-18, projecting 31.65 per cent growth over the corresponding period.

The LTU official said it is now gearing up efforts to realise blocked revenues. Some Tk 50 billion revenues of LTU remain stuck with pending court cases. Of the amount, Tk 30 billion is lying with the cases on disputes with the country's mobile phone companies on SIM subsidies. Cellphone companies claimed SIM (Subscribers' Identity Module) subsidies as tax-free income. However, the taxmen termed it taxable considering it a promotional activity of the companies, officials said. The LTU official said that the unit also started the process of realise the amount through mutual discussion with the companies.

source : Financial Express

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে ৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভা। পিইডিপি-৪ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মানসম্পন্ন শিক্ষা কার্যক্রমে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিক্ষার্থী উপকৃত হবে। কর্মসূচির আওতায় তৃতীয় শ্রেণির বাংলা ও অঙ্ক শেখায় জোর দেওয়া হবে। সরকারি স্কুলগুলোতে একটি উন্নত কারিকুলাম প্রণয়ন ও পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তক এবং সহায়ক শিক্ষা ও ডিজিটাল উপকরণ সরবরাহ করা হবে। সেইসঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের আগে সকল সরকারি স্কুলে একবছর প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করা হবে। এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতাকালীন সময়ে শিক্ষায় অনেক পিছিয়ে ছিল। বর্তমানে শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। এখন প্রায় সবশিশুই স্কুলে যাচ্ছে এবং প্রতি দশজনের আটজন প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার বাইরে রয়েছে এমন ১০ লাখ শিশুকে আন্তর্জাতিক কারিকুলাম এবং সমন্বিত শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এছাড়া ৯৫ হাজার শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষক রুম তৈরিসহ মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে। কর্মসূচিতে মেয়ে শিক্ষার্থী ও ও নারী শিক্ষকদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ৮০ হাজার পানি ও স্যানিটেশন ব্লক তৈরি এবং ১৫ হাজার নিরাপদ স্থাপনা করা হবে। বিশ্বব্যাংকের দেওয়া ঋণ ৬ বছরের রেয়াতকালসহ ৩৮ বছরে পরিশোধ করতে হবে। এরজন্য শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ সেবা খরচ দিতে হবে।

source : Ittfaq

Global FDI flows may increase by 5.0 pc this year

After a big drop in the past year, inflows of foreign direct investment (FDI) in the current year may increase by 5.0 per cent across the world. United Nations Conference on Trade and Development (UNCTAD) made the projection in its World Investment Report (WIR) 2018, released during the first week of this month. Inflows of FDI worldwide dropped to $1.43 trillion 2017, which was down by 23 per cent from $1.87 trillion in the past year or 2016. The UNCTAD has projected that inflows of global FDI may reach $1.50 trillion in 2018. FDI inflows to Africa may increase by about 20 per cent in the current year to $50 billion. The region received $42 million as FDI in the past year.

In developing Asia, FDI inflows are expected to remain stagnant at around $470 billion, according to the WIR 2018. It also predicted a decline in the FDI flow into Latin America and the Caribbean saying that the amount may decrease to some $140 billion in the current year, which was $151 billion in 2017. The UNCTAD’s primary projections also showed that FDI flows into transition economies to rise by about 20 per cent to $55 billion in the current year. The FDI flows into developed countries are also projected to increase to about $770 billion in 2018.

source : Financial Express